September 10, 2026, 8:11 am
শিরোনামঃ
শ্রীবদরী খাদ্য গুদামের ইনচার্জ এর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক ছেলে মোহাম্মদ কায়েস আহত উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় খাগান-কলমা সড়কের পোলার আইসক্রিম ফ্যাক্টরি সংলগ্ন ঢাল যেন এক ‘মরণফাঁদ’ দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না : খাদ্যমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার, আমার একটা মাত্র বউ…! তালাক দিলেও ৯০দিন অপেক্ষা করতে হবে… ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চকরিয়ায় ভিমরুলের হামলায় ৪ বছরের শিশু নিহত, আহত আরও ২ দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই: খাদ্যমন্ত্রী ঘাগড়া ইউনিয়ন ‘মেঘশিমূল’ গ্রামের আলিনেওয়াজ ফকির ও তার ছেলে নিজাম উদ্দিন সরকারি জায়গার গাছ কেটে বিক্রি চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণ, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে ভুক্তভোগী উদ্ধার গ্রেফতার ১
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

উলিপুর উপজেলায় ৪৩ দিনের নবজাতক রেখে মায়ের মৃত্যু

Reporter Name

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি মোঃশাহজাহান খন্দকার

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নে ৪৩ দিনের নবজাতক কে রেখে গৃহবধূর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।সোমবার (১০ অক্টোবর) শ্বশুর বাড়ির অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ দিতে হয় এক সন্তানের জননী স্বপ্না বেগমকে বলে আশঙ্কা এলাকা বাসির।

কাবিননামা সূত্রে জানা যায়,গত ৩০-০৭-২০২১ইং তারিখ দলদলিয়া ইউনিয়ন কদমতলা নিবাসী বদিউজ্জামান এর পুত্র নুর আলমের সহিত উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের পাকার মাথার বাসিন্দা মোঃ আব্দুল জব্বারের নাতনী মোঃ সোলেমান হোসেনের কন্যা সপ্না বেগমের (২০) পারিবারিক ভাবে বিবাহ সম্পূর্ণ হয়। পারিবারিক জীবন যাপন চলাকালীন স্বপ্না বেগমের কোল জুড়ে আসে ফুট ফুটে একটি কন্যা সন্তান।

স্বপ্না বেগমের কন্যা সন্তান হওয়াতে নারাজ ঘাতক স্বামী নুর আলম সহ তার পরিবার। কন্যা সন্তান জম্ম দেওয়ায় শুরু হয় স্বপ্না বেগমের উপর অমানবিক নির্যাতন। পরিবারের লোকজন ও ঘাতক নুর আলম বিভিন্ন রকম নির্যাতন চালাতে থাকে স্বপ্না বেগম এর উপর, নির্যাতনের অবসান ঘটে আজকে স্বপ্না বেগম এর নির্মম মৃত্যুর পর৷ স্বপ্নার স্বামী এবং শশুর বাড়ির অন্যান্য সকল সদস্য ঘটনার পর বাড়ি ছেড়ে পালাতক।অসহায় ৪৩ দিনের নবজাতক কন্যা শিশুটির কি হবে এ প্রশ্ন স্থানীয় এলাকাবাসীর।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লিয়াকত আলী সরকার বলেন, শুনেছি সে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি পুলিশি তদন্তের পর বিষয়টি প্রমাণ হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উলিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গৃহবধূর মরদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠানো হয়েছে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST