May 4, 2026, 9:16 am
শিরোনামঃ
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে ঢাকা প্রেস ক্লাবের বর্ণাঢ্য মানববন্ধ ন স্বাধীন সাংবাদিকতা,মতপ্রকাশের অধিকার গণমাধ্যমের নিরা পত্তা নিশ্চিতে কৃষকের স্বার্থে নির্ধারিত সময়ের আগেই ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে – খাদ্য প্রতিমন্ত্রী ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন রামগতির কৃতি সন্তান রিয়াজ ঢাকা মহানগররীতে সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে: ভারপ্রাপ্ত ডিএমপি কমিশনার চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, তদবির করলেই ‘অপরাধী’ গ্রেফতার ১৫২ বাসায় লিভ টুগেদারের সুযোগ দিয়ে পাওনা টাকা নিয়ে বিবাদের জেরে হত্যা :পিবিআই কর্তৃক রহস্য উদঘাটন আসামি গ্রেফতার হাওরাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হবে : ত্রাণমন্ত্রী পুলিশের ১৭ শীর্ষ কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠালো সরকার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন তিনি তরুণদের প্রধানমন্ত্রী ::তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

গণপূর্তে অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দাপট: অভিযোগ, মামলা

Reporter Name

প্রথম বাংলা-দেশের বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায় নের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত অধিদপ্তরকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটি শক্তিশালী অভ্যন্তরীণসিন্ডি কেট এখনো সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন দপ্তরে পরিবর্তনের হাওয়া লাগলেও গণপূর্তে সেই পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়—বরং পুরনো প্রভাবশালীদের দাপট অব্যাহত রয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা (সিআর -১১৮/২০২৫) নতুন করে বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছে ।মামলায় অধিদপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দাঙ্গা, গুরুতর আঘাত ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে অন্তত ২৮ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে শুরু করে সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অভিযুক্তদের অনেকেই অতীত সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে দ্রুত পদোন্নতি পান।সেই সময় থেকেই তারা এক টি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন, যা এখনো বিভিন্ন সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করছে। অভিযোগ রয়েছে, দপ্তরের বদলি,পদায়ন এমনকি ই-টেন্ডারিং প্রক্রিয়াও এই সিন্ডিকে টের নিয়ন্ত্রণে।

টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগও কম নয় নির্দিষ্ট ঠি কাদারদের সুবিধা দিতে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানো,নকশা পরি বর্তন কিংবা কাজের মান কমিয়ে অতিরিক্ত বিল দেখানোর মতো নানা কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি আবাসন প্রকল্পগুলোতে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

মাঠপর্যায়ের অনেক প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অনেক সময় প্রকৃত কাজ সম্পন্ন না করেই বিল উত্তোলন করা হয়েছে। এসব অর্থের একটি অংশ উপরের পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছায় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সৎ কর্মকর্তারা কাজ করতে গিয়ে নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো,অবসর নেওয়ার পরও কিছু কর্মকর্তা ঠিকাদারি বা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আগের প্রভাব বজায় রাখছেন। এতে নতুন কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না।

এদিকে,সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট হয়নি

পর্যবেক্ষকদের মতে,এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলো মানহীন হয়ে পড়ার ঝুঁ কি রয়েছে। একই সঙ্গে জনগণের করের অর্থ অপচয়ও বাড়বে। তাই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে।
ছবি, সংগৃহীত



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST