July 31, 2026, 3:42 am
শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সাংবাদিক গ্রেফতার আর কত? গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কি কেবল কাগজে-কলমে? হায়দরগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িকে তদন্ত কেন্দ্রে উন্নীত করার জোর দাবি এলাকাবাসীর অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন নাজির হাসানের সরকারি সার কালোবাজারির অভিযোগে শেরপুরে ২০ ডিলারের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানের শীর্ষ সন্ত্রাসী শুটার ও ধামা ইলিয়াস গ্রেফতার আহত সাংবাদিক জামালকে দেখতে হাসপাতালে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার স্বামী-স্ত্রী এবং গ্রেফতার তিন মানবপাচার প্রতিরোধে ডিএমপির সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন ডিএমপি কমিশনার
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

গিলে খাচ্ছে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মহাপরিচালক (১)

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার – বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টি টিউট এ অনিয়ম ও দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করে ছে।প্রতিষ্ঠান টির মহাপরিচালক ( ডিজি) ড.ইয়াহিয়া মাহমুদ দুর্নীতির স্বর্গ রাজ্যে পরিণত করেছে কতি পয় কর্মকর্তাকে নিয়ে।অগ্রিম টাকা ঘুষ না দিলে কোন ঠিকাদার কাজ পান না। ডিজির প্ররোচনায় কতিপয় কর্মকর্তা ঠিকাদারী ব্যবসায় নেমেছে।বরাদ্দ কৃত অর্থ ভুয়া বিল ভাউচার এর মাধ্যমে লোপাট করেছে।

জানা যায় প্রতি বছর পুকুর খনন,ক্যামিক্যাল
ক্রয়,মাছের খাদ্য ক্রয় দেখিয়ে গত ৫ বছরে কয়েক কোটি টাকা লোপাট করেছে মহাপরিচালক।গত বছর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এর চাকুরির মেয়াদ শেষ হয়। পরবর্তীতে উক্ত প্রতিষ্ঠান এর পরিচালক ড. খলিলুর রহমানকে মহাপরিচালক হিসাবে নিয়োগ দেয় মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়।মা পরবর্তী তে আবার ইয়াহিয়া মাহমুদ মোটা অংকের টাকা খরচ করে দু বছরের জন্য মহাপরিচালক এর দায়িত্ব নেয়।

আরও জানা যায় গবেষণা খাতে বরাদ্দ কৃত অর্থ বিভিন্ন ভবন নাম মাত্র মেয়ামত,রং করন,ক্যামি ক্যাল ক্রয়,মাছের খাদ্য ক্রয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা লোপাট করেছে মহাপরিচালক।গত কয়েক মাস আগে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহ সদর দপ্তরের গ্যারেজ ও সামনের অংশ নাম মাত্র রিপেয়ার ও চুন করা হয়। এ কাজে দশ লক্ষ টাকা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে বিল পরিশোধ করে ভাগবাটোয়ারা করা হয়।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বেশ কয়েকটি অডি ট আপত্তি মন্ত্রণালয়ে ফাইল বন্দি হয়ে আছে।
এ ব্যাপারে টেলিফোনে ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এর মতামত জানতে একাধিক বার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।তিনি নাকি সপ্তাহে দু একদিন ময়মনসিংহে অফিস করে বেশিরভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST