June 13, 2026, 10:59 pm
শিরোনামঃ
গৌরীপুরে খাল পুনঃখনন ও টিআর প্রকল্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন মোতাহার হোসেন লোকজ সাংস্কৃতিক রাজধানী এই প্রতিপাদ্যে কেন্দুয়া ‘লোকজ সাহিত্য আসর’ উদ্বোধন মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতি ও ধর্ষণ গ্রেপ্তার ৬ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চর্চার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে : ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খাগড়াছড়িতে আ.লীগ-ছাত্রলীগের হামলায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পনা প্রণয়নে সঠিক তথ্য-উপাত্তের বিকল্প নেই: বিভাগীয় কমিশনার দেশে বছরে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয়: খাদ্যমন্ত্রী ভুয়া তথ্যের জালে সমাজ, সচেতনতায় হতে পারে মুক্তি জী এমন মাহাফুজুর রহমানের নেতৃত্বে লোহাগাড়া উপজেলা ( ইউএনও)র সাথে সাক্ষাৎ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

গিলে খাচ্ছে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মহাপরিচালক (১)

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার – বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টি টিউট এ অনিয়ম ও দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করে ছে।প্রতিষ্ঠান টির মহাপরিচালক ( ডিজি) ড.ইয়াহিয়া মাহমুদ দুর্নীতির স্বর্গ রাজ্যে পরিণত করেছে কতি পয় কর্মকর্তাকে নিয়ে।অগ্রিম টাকা ঘুষ না দিলে কোন ঠিকাদার কাজ পান না। ডিজির প্ররোচনায় কতিপয় কর্মকর্তা ঠিকাদারী ব্যবসায় নেমেছে।বরাদ্দ কৃত অর্থ ভুয়া বিল ভাউচার এর মাধ্যমে লোপাট করেছে।

জানা যায় প্রতি বছর পুকুর খনন,ক্যামিক্যাল
ক্রয়,মাছের খাদ্য ক্রয় দেখিয়ে গত ৫ বছরে কয়েক কোটি টাকা লোপাট করেছে মহাপরিচালক।গত বছর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এর চাকুরির মেয়াদ শেষ হয়। পরবর্তীতে উক্ত প্রতিষ্ঠান এর পরিচালক ড. খলিলুর রহমানকে মহাপরিচালক হিসাবে নিয়োগ দেয় মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়।মা পরবর্তী তে আবার ইয়াহিয়া মাহমুদ মোটা অংকের টাকা খরচ করে দু বছরের জন্য মহাপরিচালক এর দায়িত্ব নেয়।

আরও জানা যায় গবেষণা খাতে বরাদ্দ কৃত অর্থ বিভিন্ন ভবন নাম মাত্র মেয়ামত,রং করন,ক্যামি ক্যাল ক্রয়,মাছের খাদ্য ক্রয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা লোপাট করেছে মহাপরিচালক।গত কয়েক মাস আগে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহ সদর দপ্তরের গ্যারেজ ও সামনের অংশ নাম মাত্র রিপেয়ার ও চুন করা হয়। এ কাজে দশ লক্ষ টাকা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে বিল পরিশোধ করে ভাগবাটোয়ারা করা হয়।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বেশ কয়েকটি অডি ট আপত্তি মন্ত্রণালয়ে ফাইল বন্দি হয়ে আছে।
এ ব্যাপারে টেলিফোনে ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এর মতামত জানতে একাধিক বার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।তিনি নাকি সপ্তাহে দু একদিন ময়মনসিংহে অফিস করে বেশিরভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST