October 30, 2026, 11:10 am
শিরোনামঃ
সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় বিক্ষোভ-মানববন্ধন, সাগর-রুনী হত্যার বিচারও দাবি কুড়িগ্রামে ইয়াবা ও হেরোইন সহ আইনজীবী দম্পতি সহ গ্ৰেফতার-০৩ কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই লাখ টাকার ভেজাল পণ্য ধ্বংস কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিট সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণের প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আগ্রহী রাশিয়া এইখানে প্রত্যেক ওসির ডিউটি এলাকায় জুলাইয়ে শহীদে  সংখ্যা সর্বনিম্ন ১০জন থেকে সর্বোচ্চ ২০০ জন পর্যন্ত হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. শারদীয় দুর্গাপূজার সমাপ্তি: ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণ বিজয়া শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জন কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

জয়পুরহাটে টাকা দিয়েও সার পাচ্ছেন না কৃষক

Reporter Name

আবেদুল মোমেন মুনি, জয়পুরহাট:

অসাধু সার ডিলারদের তৎপরতায় বিপাকে পড়েছেন জয়পুরহাট ও নাটোরের কৃষকেরা। টাকা দিয়েও চাহিদামতো সার পাচ্ছেন না সঠিক সময়ে। সরকার সারের মূল্য নির্ধারন করে দিলেও তা মানছেন না সার ব্যবসায়ীরা। কৃষকেরা ‘সার সিন্ডিকেটের’ হাতে জিম্মি হলেও প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

জয়পুরহাটে সারের সরকারি মূল্য হচ্ছে, প্রতি বস্তা ইউরিয়া ও টিএসপি ১ হাজার ৩৫০ টাকা, এমওপি ১ হাজার ও ডিএপি ১ হজার ৫০ টাকা। কিন্তু কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বস্তা প্রতি ২০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

এ নিয়ে কয়েকজন কৃষক বলেন, এখানে সারের অবস্থা খুবই খারাপ। টাকা দিয়েও সার মিলছে না। আর কখনো সার পাওয়া গেলেও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। রবিশস্য আবাদে সার পাওয়া যাচ্ছে না। বস্তাপ্রতি ২০০, ৫০০ কিংবা ৭০০ টাকা বেশি রাখা হচ্ছে।

সার সংকট ও মূল্য বৃদ্ধির বিড়ম্বনায় কারণে অসহায় কৃষকেরা। এতে করে জমিতে আলু পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন আবাদ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। এক কৃষকের অভিযোগ, তাঁর জমি মোট ৪২ বিঘা। কিন্তু সারের কারণে তিনি মাত্র ১০ বিঘায় চাষ করতে পারছেন। আরেক কৃষক বলেন, এই মুহূর্তে সারের খুব দরকার। জমিতে ফসল ফলাতে হবে।

সার সংকটের কথা স্বীকার করলেও বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে ডিলাররা। এ নিয়ে ডিলারেরা বলছেন, যে দামে তারা বিক্রি করছেন, সেটিই আসলে সরকারি রেট। এর বেশি দামে তারা বিক্রি করেন না।

সার সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তাঁরা।

নাটোরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘সার নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। যদি কেউ লিখিত অভিযোগ করে, তাহলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

জয়পুরহাটের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক শহিদুল ইসলাম বলছেন, ‘কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করে যদি জয়পুরহাটে সারের দাম বেশি নেওয়া হয়, তাহলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST