July 30, 2026, 6:31 am
শিরোনামঃ
স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষন, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার স্বামী-স্ত্রী এবং গ্রেফতার তিন মানবপাচার প্রতিরোধে ডিএমপির সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন ডিএমপি কমিশনার চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন যশোরে গ্রেপ্তার সিআইডি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন অ্যাডিশনাল আইজিপি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন পলাশবাড়ী মেরিরহাটে নির্মাণাধীন মসজিদের জমির ত্রিমুখী মালিকানা দাবি, অনুসন্ধানে যা জানা গেল পুলিশসহ সরকারি কর্মকর্তাদের নামে প্রতারণার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন : পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স চন্দ্রগঞ্জ থানা মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান: একাধিক স্থানে তল্লাশি, মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার’ ও গ্রেফতার লক্ষ্মীপুরে চাঁদা দাবির জেরে হোটেল কর্মচারীর ওপর হামলার অভিযোগ নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানবিক সহায়তা করলেন অসহায় বিধবা মিলন রাণী দাসকে সারজিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ঝালকাঠির বাসন্ডা ব্রিজটি যেন মরণ ফাঁদ!

Reporter Name

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি খুলনা মহাসড়কের বাসন্ডা নদীর উপরে একযুগ ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা সেই বেইলী ব্রিজটি এখন যেন মরণ ফাঁদ!১২০ মিটারের ব্রিজটি উপরে রয়েছে প্রায় হাজারও জোড়াতালি।

প্রায় একযুগ পূর্বে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলেও নতুন সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি সড়ক ও সেতু বিভাগ। বরং প্রতিবছর সেতু সংস্কারের নামে কাগজ কলমে অফিস কর্তৃপক্ষ ব্যয় দেখায় বিপুল পরিমাণ অর্থ।

জানা যায়,বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মাণ করা হয়ে ছিল ১২০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ বেইলি ব্রিজটি। বর্তমা নে ব্রিজটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রায় এক যুগ আগে ব্রিজটি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। তারপরও প্রতিদিন এর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে শতশত যানবাহন।

ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলেও নতুন ব্রিজটি নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি সড়ক ও সেতু বিভাগ, বরং প্রতিবছর সেতু সংস্কারে ব্যয় করা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। শেষ পাঁচ বছরেই সেতুটি সংস্কারের নামে ব্যয় দেখানো হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা!

স্থানিয়রা বলেন এটি যতবার মেরামত করা হয় ততবারই লাভবান হয় ঝালকাঠি সড়ক বিভাগ। টেন্ডার ছাড়া নিজস্ব তত্ত্বাবধানে বছরে তিনবার সেতুটি মেরামত করেন ঝালকাঠি সড়ক বিভাগ। প্রতিবার মেরামতে খরচ দেখানো হয় ৬ লক্ষাধিক টাকা। অভিযোগ আছে, এসব সংস্কারের নামে বরাদ্দ অর্থের সিংহভাগই যায় কিছু অসাধু কর্মকর্তার পকেটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঝালকাঠি সড়ক বিভাগের এক কর্মকর্তার দেয়া হিসাব অনুযায়ী, সেতুটির দুই তিনটি স্টিলের প্লেট পরিবর্তন ও ঝালাইয়ের কাজে গত পাঁচ বছরে তাদের ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি টাকা।

এ ব্রিজটির আধা কিলোমিটার পরেই রয়েছে গাবখান ব্রিজ। গাবখান টোলপ্লাজা থেকে জানা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ শতাধিক ভারী যানবাহন চলাচল করে। বারবার মেরামত করা হলেও সেতুটি কয়েক দিনের মধ্যেই ফের যান চলাচলের মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

নাট-বল্টু খুলে পরার পাশাপাশি ফেটে যাচ্ছে প্লেট। প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। তারপরও বিকল্প পথ না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন। যেকোন মূহুর্তে ঘটতে পারে ভয়ংকর দুর্ঘটনা।

ব্রিজটি ভেঙে পড়লে ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা ও যশোরের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে।

সেতু এলাকার বাসিন্দারা জানান, রাতে সেতুতে ভারী গাড়ি উঠলে প্লেটের বিকট শব্দে ঘুমন্ত শিশুরা ভয়ে আতকে ওঠে। মাঝে মাঝে প্লেটের জয়েন্টগুলো কর্তৃপক্ষ দায়সারাভাবে ঝালাই করলেও ব্রিজটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল আহম্মেদের সাথে মেরামত ব্যয়ের বিষয় জানতে চাইলে তিনি কোন তথ্য দিতে রাজি হননি।

‘ঝুঁকিপূর্ণ বাসন্ডা বেইলি ব্রিজটি দায়সারা সংস্কার ও বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ব্রিজটি কংক্রিট দিয়ে নির্মাণ করার জন্য ডিজাইন ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ডিপিপি বাস্তবায়ন হলে শিগগিরই এখানে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে।’



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST