August 26, 2026, 8:56 pm
শিরোনামঃ
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জীবন দর্শন আমাদের প্রত্যেকের জন্য অনুসরণীয় : ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি জামালপুরে মিমি হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি পিবিআইর : একটি মহল বাড়ীর মালিককে নিয়ে অপপ্রচার বিএনপি’র ক্ষমতা অপব্যবহার করে ধর্মীয় লেবাস সন্ত্রাসী শ্রমিক নেতা আক্তার মেম্বারে প্রত্যাবর্তন: আতঙ্কে মান্দারী ইউনিয়নের জনগণের দুদকের মহাপরিচালক ও পরিচালক পদে রদবদল ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা (সিএমপি)র সকল থানার নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জশনে জুলুস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত অনলাইনে অস্ত্র বিক্রির নামে প্রতারণা: সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার দুই প্রিয় জনগণ করবো না এই ভুল যার কারণে দিতে হবে পাঁচ বছর মাশুল উখিয়ার পালংখালীতে গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাওয়ের অভিযোগ, সড়ক অবরোধ কৃতি শিক্ষার্থীদের শুধু সংবর্ধনা নয়, সুমানুষ হওয়ার প্রেরণা দিতে হবে: ডেপুটি স্পিকার
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ধোবাউড়া সাবরেজিস্টার অফিসে শ্রেণি জালিয়াতিতে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

Reporter Name

প্রথম বাংলা : ময়মনসিংহ জেলার ধৌবাউড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসে জমির শ্রেণি জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে দলিল লেকখ হাবিবুর রহমান। পিতা-ওহেদ আলী। গ্রাম-কড়ইগড়া, সনদ নং-৪৫৬১ এর বিরুদ্ধে। উপজেলার দক্ষিণমাইজপাড়া ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী মৌজায় এক খতিয়ানের জমি ‘নামা’ থেকে ‘কান্দা’ দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি অসাধু চক্র। এতে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে। জানা যায়, ২০২৬ সালের ১৪৫৪ নং দলিলের ২৪ শতাংশ জমি গত ২ জুন রেজিস্ট্রি করা হয়।

সরকারি রেকর্ড ও ভলিউম অনুযায়ী ওই জমির শ্রেণি’নামা’ অথচ রেজিস্ট্রেশনের সময় কৌশলে শ্রেণি পরিবর্তন করে ‘কান্দা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাজস্ব বিভাগের তথ্যমতে, কালিকাবাড়ী মৌজায় বর্তমানে প্রতি শতাংশ ‘নামা’ জমির সরকারি ফি ৮ হাজার ৯৮ টাকা।

অন্যদিকে, ‘কান্দা’ জমির ফি ৩ হাজার ৭১৩ টাকা। শ্রেণি পরিবর্তনের ফলে প্রতি শতাংশে সরকার প্রায় ৪ হাজার ৩৮৫ টাকা করে রাজস্ব হারিয়েছে। ২৪ শতাংশ জমিতে এই অনিয়মের কারণে সরকারের লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের বক্তব্য: সভুক্তভোগী সোহেল মিয়া জানান, “আমি দলিল লেখককে বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু তিনি নামা জমিকে কান্দা হিসেবে দেখিয়ে বুঝছি না রাজস্ব ফাঁকি দি য়েছেন তাও বুঝিনা গার্ডয়ানকে জানাব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক আক্ষেপ করে বলেন, কিছু অসাধু দলি ল লেখকের অনৈতিক কর্মকান্ডে দায়ভার পুরো পেশাজীবীদের ওপর এসে পড়ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দক্ষিণমাইজপাড়া ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম স্পষ্ট জানিয়েছেন, “ভূমি অফিসের ভলিউম বা খতিয়ানে জমিটি স্পষ্টভাবে ‘নামা’ শ্রেণিভূক্ত। দলিল লেখক হাবিবুর রহমান এর সাথে মঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ধোবাউড়া সাব-রেজিস্ট্রার আজমেরী নির্ঝর গণমাধ্যমকেবলেন এমন ভুলের দায় শুধু আমার একার নয়, এর সঙ্গে দাতা গ্রহিতা ও দলিল লেখক জড়িত। ‘লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপে ক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।” উপজেলা নির্বাহী কর্ম কর্তা (ইউএনও) মো: মোশারফ হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, “অনিয়মের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

রাজস্ব আদায়ের জন্য জেলা কালেক্টর বরাবর দ্রুতই চিঠি পাঠা নো হবে।” সচেতন মহলের দাবি, ধোবাউড়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘ দিন ধরে এমন জালিয়াতি করে আসছে। প্রশাসনিকভাবে কঠোর তদন্ত ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সরকার প্রতিনিয়িত বিশাল অংকের রাজস্ব হারাবেসহ সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST