কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি মোঃশাহজাহান খন্দকার
কুড়িগ্রাম থেকে নববধূ সনিতা রানী (১৮) কে হেলিক প্টারে করে নেত্রকোনা জেলায় উড়িয়ে নিয়ে গেল হরিজন সম্প্রদায়ের যুবক অপু বাঁশফোড়।এই ঘট নায় জেলা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে শুধু তাই নয় পুরো বিয়ে ভিডিও করা হয়েছে ড্রোন দিয়ে। এ ঘটনা য় খুশি পুরো হরিজন পল্লী। বৃহত্তর রংপুর বিভাগে এ ধরণের ঘটনা আগে ঘটেনি বলে লোক জন আলোচ না সমালোচনা করছে। দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা স্টে ডিয়াম মাঠ থেকে নববধূকে নিয়ে যাওয়ার সময় স্টেডিয়ামে ছিল উপচে পরা মানুষের ভীড়। পুরো ঘটনা এক নজর দেখতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক জন ভীড় জমায় সেখানে।
হরিজন যুব সম্প্রদায় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জয়কুমার বাঁশফোড় জানান,কুড়িগ্রাম এলজিইডি বস্তির হরিজন সম্প্রদায়ের অধিবাসী ভূট্টুলাল রবি দাসের তৃতীয় কন্যা সনিতা রানীর সাথে নেত্রকোনা জেলার জয়নগর হাসপাতাল এলাকার মৃত: দীলিপ বাঁশফোড়ের ছোট ছেলে অপু বাঁশফোড়ের সাথে বিয়ে সম্পন্ন হয় মঙ্গলবার রাত ২টার সময়। বুধবার সকালে সকল কার্যক্রম শেষে দুপুর দেড়টার সময় নববধুকে হেলিকপ্টারে উড়িয়ে নিয়ে যান বর অপু বাঁশফোড়।
ছেলের বোন জামাই কুড়িগ্রাম শহরের মজিদা কলে জ সংলগ্ন পুরাতন রেলস্টেশন বস্তির অধিবাসী কাঞ্চন বাঁশফোড় জানান, পারিবারিকভাবে আলো চনার মাধ্যমে বিয়েটা অনুষ্ঠিত হয়। ছেলে নেত্রকো নায় পাঠশালা ব্যান্ডে কাজ করে এবং একজন পরি চ্ছন্ন কর্মী হিসেবে সরকারি চাকুরী করে।মেয়েরা বোন এরমধ্যে সনিতা রাণী তৃতীয়।
এ ব্যাপারে অপু বাঁশফোড় জানান,আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল হেলিকপ্টারে বউকে বাড়ীতে নিয়ে আসবো। এজন্য অনেক দিন থেকে অর্থ সংগ্রহ করে আসছি আমার পরিবারও সহযোগিতা করেছে। ঘন্টায় ৮০ হাজার টাকা করে ৩ঘন্টার জন্য হেলিক প্টারটি ভাড়া করা হয়েছে।