নিজস্ব প্রতিনিধি “””‘”””””‘””””””‘””””””””””””””””””””””””””””””””শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড যার শিক্ষা আছে মেরুদন্ড নাই সেই শিক্ষকের জাতীয় কলঙ্ক একজন শিক্ষকের কাজ হল। ছাত্রদেরকে কিভাবে শিক্ষা অর্জন করবে। শিক্ষা মানে ছাত্রজীবন থেকে গড়ে তোলা মূল কাজ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে আনন্দ ফুটিয়ে তোলা।শতভাগ আশাবাদী আগে শোনা যেত স্কুল প্রতিষ্ঠান হতদরিদ্র গরীব অসহায় ব্যক্তিদের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শিক্ষককে লালিত-পালিত করে মানুষ করার চেষ্টা করত।
বর্তমান ইস্কুল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জিমেইলের দূর্নীতি-অনিয়ম চালিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে আর অসহায় জনগণের ছেলেমেয়েরা টাকার অভাবে পড়ালেখা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে তাই যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দূর্নীতি-অনিয়ম আছে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করবো।শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সুনজরে যে সকল দুর্নীতি প্রতিষ্ঠান গুলো রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাহলে সাধারন জনগনের ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা করে জীবন যাপন করা সক্ষম হবে।
নাম-সুচনা দাশ মিতু রোল নং (-০৩)তিন,বাবা সামা ন্য সিকিউরিটি গার্ড। দশম শ্রেণীতে এই মেয়েটি নিজের পড়াশুনা চালায় টিউশন করে। স্কুলে বিশেষ ক্লাস করতে বছরে ৬০০০ টাকা লাগে। এটি পরিশো ধ করতে পারছিল না মেয়েটি। তার অভিযোগ টেস্ট পরীক্ষার দিন সিট থেকে উঠিয়ে ৪০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। টেস্ট পরীক্ষায় তিন বিষয়ে ফেল করিয়ে দেয়া হয়েছে। এর সুস্থ তদন্ত বিচার হোক।যার যার অবস্থান থেকে প্রতিবাদ হওয়া দরকার।
➡️বিভিন্ন পত্রিকার পাতা খুললে আমরা প্রায় এই ধরনের ঘটনা দেখতে পাই, অকালে মেধাবী শিক্ষা র্থীরা এই সমস্ত অনৈতিক কর্মকান্ডের কারণে বিদ্যা লয় ত্যাগ করতে বাধ্য হয়,আমরা কি নিয়েছি কখনো অসহায় নির্যাতিত এই সমস্ত শিশুদের খবর কি কারনে তাহারা আজ লেখাপড়া হতে বঞ্চিত?
➡️বার্ষিক পরীক্ষায় পাশ করার পর পুনরায় আবার
একই স্কুলে নতুন ক্লাসে স্কুলে ভর্তির নামে বিভিন্ন ফি আদায়ে অভিভাবকদের বাধ্য করা হয়।➡️ স্কুলের নতুন বই (বিনামূল্যের সরকারি বই) নেওয়ার সময় স্কুলের দারোয়ানের বকশিসহ বিভিন্ন রকম ফী স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্র-ছাত্রী হতে আদায় করে থাকে।
➡️বহু শিক্ষার্থী টাকার অভাবে নতুন ক্লাসে ভর্তি হতে না পেরে বিভিন্ন কলকারখানায় তাদের স্থান হয়। অথবা বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।
➡️ শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করতে বোর্ড ফির তিন দিন চার গুণ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন স্কুলগুলো বিভিন্ন উন্নয়ন ও কোচিং এর নামে ফি আদায় করে থাকে।
➡️ স্কুলের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শিক্ষা র্থীদের ফেল দেখানো হয়।➡️ শিক্ষকদের সরকারি স্কুল গুলোতে শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে অনীহা প্রকাশ তাহারা বেসরকারি স্কুল গুলোর গুণগানে ব্যস্ত।
🥀মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্কুল গুলোর এই সমস্ত অনৈ তিক কর্মকাণ্ডের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাহ লে আমাদের দেশের সাধারণ জনগণ আর সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা শতভাগ আশাবাদী শিক্ষা অর্জন করা র জন্য খুব শিগগিরই দেশের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কর্মসংস্থান অর্জন করা সম্ভব।যে সকল স্কুল প্রতি ষ্ঠান প্রধান শিক্ষককে অর্থ-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত ব্যস্ত তা জীবন যাপন করবে সেই স্কুল প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীরা কিভাবে শিক্ষা অর্জন করে ভালো মেধাবী ছাত্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।