May 30, 2026, 9:28 am
শিরোনামঃ
দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ মডেল থানা পুলিশ ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই : র‌্যাব মহাপরিচালক ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

মৃত ভেবে ফেলে গিয়েছিল জঙ্গিরা’: ছাত্রলীগ নেতা শান্তর উপর বর্বর নির্যাতনের বর্ণনা

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদন:
—-

আজ থেকে প্রায় এক বছর আগের এক কালরাত। ১৬ জুলাই, ২০২৪। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনের রাস্তা তখন হয়তো নীরব ছিল, কিন্তু সেই নীরবতা ভেঙে দিচ্ছিল এক তরুণের আর্তনাদ। ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর নামে সক্রিয় একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর হাতে রাতভর অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন ছাত্রলীগ নেতা তানভির হাসান শান্ত। নির্মমতার শিকার হয়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা সেই শান্তর ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার তুলে ধরা হলো।

গত বছরের ঘটে যাওয়া সেই নারকীয় ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তানভির হাসান শান্ত বলেন, “আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া অবিচারের কথা ভাবলেই ভয় লাগে। রাতভর তারা আমাকে অকথ্য নির্যাতন করেছিল। তাদের নির্মমতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, আমাকে মৃত ভেবে হলের সামনে ফেলে দিয়েছিল। বেঁচে থাকার কোনো আশা ছিল না।”

শান্ত’র কথাগুলোতেই স্পষ্ট ফুটে ওঠে সেদিনের বর্বরতার চিত্র। তথাকথিত ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা তাকে শুধু নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি, মৃত নিশ্চিত ভেবে ফেলে রেখে গিয়েছিল। কিন্তু নিয়তির লেখা ছিল ভিন্ন।

শান্ত বলেন, “ভাগ্যক্রমে এক রিকশাওয়ালা আমাকে দেখতে পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন, যেখানে আমি জীবনের সঙ্কটে ছিলাম। কিছু সময় পর আমার জ্ঞান ফেরে, এরপর আমার পরিবার আমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আসগর আলী হাসপাতালে নিয়ে যায়।”

সেই রাতের শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা শান্তকে সাময়িকভাবে কাবু করলেও তার মনোবলকে ভাঙতে পারেনি। বরং এই ঘটনাই তাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আরও সোচ্চার করে তুলেছে। তিনি বলেন, “এই যন্ত্রণা আমাকে ভেঙে দিতে পারেনি, বরং আমার অন্ধকার থেকে আলো বের করার লড়াই আরো দৃঢ় করেছে। আমি চাই এ ধরনের বর্বরতা যেন আর কেউ না দেখে।”

এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই রাতের দুঃসহ স্মৃতি তানভির হাসান শান্ত এবং তার পরিবারকে তাড়িয়ে বেড়ায়। তবে শান্তর এই বেঁচে ফেরা এবং তার দৃঢ় মনোবল আজ হাজারো শিক্ষার্থীর কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তার লড়াই শুধু নিজের জন্য न्याय চাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি পরিণত হয়েছে ক্যাম্পাসগুলোতে চলমান সব ধরনের নিপীড়ন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদে। শান্তর চাওয়া একটাই—শিক্ষাঙ্গনে আর কোনো শিক্ষার্থীর জীবনে যেন এমন বিভীষিকা নেমে না আসে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST