July 27, 2026, 6:29 pm
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়” বঙ্গবন্ধুর রক্তধারায় গড়া প্রযুক্তিনির্ভর স্বপ্নবাংলার রূপকার! বিপুল পরিমাণ জাল নোট ও জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম করণ পরিবর্তন করে”বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু আদর্শ লীগ করা হয়েছে জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপন বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬০ জন গ্রেফতার, মামলা ২৫ প্রটোকল কমিয়ে আনছে সরকার, পুলিশ এসকর্ট হারালেন ১৮ মন্ত্রী সাহসিকতা ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য নয় জন পুলিশ সদস্য পুরস্কৃত ময়মনসিংহে সোহেল হত্যা: মূলহোতাসহ ৪ জন গ্রেপ্তার, হত্যায় ব্যবহৃত দা ও কোদাল উদ্ধার সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতিতে মেধা-যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

মৃত ভেবে ফেলে গিয়েছিল জঙ্গিরা’: ছাত্রলীগ নেতা শান্তর উপর বর্বর নির্যাতনের বর্ণনা

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদন:
—-

আজ থেকে প্রায় এক বছর আগের এক কালরাত। ১৬ জুলাই, ২০২৪। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনের রাস্তা তখন হয়তো নীরব ছিল, কিন্তু সেই নীরবতা ভেঙে দিচ্ছিল এক তরুণের আর্তনাদ। ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর নামে সক্রিয় একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর হাতে রাতভর অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন ছাত্রলীগ নেতা তানভির হাসান শান্ত। নির্মমতার শিকার হয়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা সেই শান্তর ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার তুলে ধরা হলো।

গত বছরের ঘটে যাওয়া সেই নারকীয় ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তানভির হাসান শান্ত বলেন, “আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া অবিচারের কথা ভাবলেই ভয় লাগে। রাতভর তারা আমাকে অকথ্য নির্যাতন করেছিল। তাদের নির্মমতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, আমাকে মৃত ভেবে হলের সামনে ফেলে দিয়েছিল। বেঁচে থাকার কোনো আশা ছিল না।”

শান্ত’র কথাগুলোতেই স্পষ্ট ফুটে ওঠে সেদিনের বর্বরতার চিত্র। তথাকথিত ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা তাকে শুধু নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি, মৃত নিশ্চিত ভেবে ফেলে রেখে গিয়েছিল। কিন্তু নিয়তির লেখা ছিল ভিন্ন।

শান্ত বলেন, “ভাগ্যক্রমে এক রিকশাওয়ালা আমাকে দেখতে পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন, যেখানে আমি জীবনের সঙ্কটে ছিলাম। কিছু সময় পর আমার জ্ঞান ফেরে, এরপর আমার পরিবার আমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আসগর আলী হাসপাতালে নিয়ে যায়।”

সেই রাতের শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা শান্তকে সাময়িকভাবে কাবু করলেও তার মনোবলকে ভাঙতে পারেনি। বরং এই ঘটনাই তাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আরও সোচ্চার করে তুলেছে। তিনি বলেন, “এই যন্ত্রণা আমাকে ভেঙে দিতে পারেনি, বরং আমার অন্ধকার থেকে আলো বের করার লড়াই আরো দৃঢ় করেছে। আমি চাই এ ধরনের বর্বরতা যেন আর কেউ না দেখে।”

এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই রাতের দুঃসহ স্মৃতি তানভির হাসান শান্ত এবং তার পরিবারকে তাড়িয়ে বেড়ায়। তবে শান্তর এই বেঁচে ফেরা এবং তার দৃঢ় মনোবল আজ হাজারো শিক্ষার্থীর কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তার লড়াই শুধু নিজের জন্য न्याय চাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি পরিণত হয়েছে ক্যাম্পাসগুলোতে চলমান সব ধরনের নিপীড়ন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদে। শান্তর চাওয়া একটাই—শিক্ষাঙ্গনে আর কোনো শিক্ষার্থীর জীবনে যেন এমন বিভীষিকা নেমে না আসে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST