June 2, 2026, 9:57 am
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজা লাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. আয়মান হোসেন অপু” দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ মডেল থানা পুলিশ ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই : র‌্যাব মহাপরিচালক ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার:

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ আট বছর বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি ছিলেন। তার মধ্যে শ ম রেজাউল করিম তাকে দুই বছরের এক্সটেনশন দিয়েছিলেন। এক্সটেনশন পাওয়ার পর শ ম রেজাউল ও তৎকালীন সচিব রওনক মাহমুদ ( ইয়াহিয়া মাহমুদ এর বন্ধু) মিলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কে একটি অকার্যকর ও অকর্মন্য প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর ও লুটপাটের রাজত্বে পরিনত করেছে।

নিয়োগ বানিজ্য আর লুটপাট নিয়ে মেতে ছিলেন ইয়াহিয়া, শ ম রেজা, রওনক মাহমুদ গ্রুপ। তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেউ উচ্চ বাচ্য এমনকি সমালোচনা করলেও তার উপর নেমে আসে অত্যাচারের খড়গ। তার স্ত্রী আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমুর দুর সম্পর্কের ভাগনী। ইয়াহিয়া মাহমুদ এর ফুফাতো ভাই সাবেক আইজিপি মামুনের মাধ্যমে তার স্ত্রী কে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক হিসাবে সাময়িক দায়িত্ব দিয়েছিলেন । বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ইয়াহিয়া মাহমুদ এর সময় সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে।

ইয়াহিয়া মাহমুদ এর দুর্নীতির খতিয়ান :
প্রায়োগীক গবেষণা ছাড়াই মিথ্যা গবেষণার তথ্য প্রচার করে জাতীর সাথে প্রতারনা।শ ম রেজাউল করিমের দোসর হিসেবে ১০৬ জন আউট সোর্সিং নিয়োগে বিশাল অংকের নিয়োগ বানিজ্য। বিএফআরআই কর্মচারী নিয়োগে কোটি টাকার বানিজ্য। তার একান্ত জান্নাতুল ফেরদৌসের নতুন গাড়ী দিয়েছিলেন যা সরকারি তেলে চলতো। কোন টেন্ডার আহ্বান বা কাজ ছাড়াই ইলিশ গবেষণা প্রকল্পের চেক লিখে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ।মেয়াদ এক্সটেনশন এর জন্য সামুদ্রিক মৎস্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প হতে সচিব রওনক মাহমুদ কে ফ্ল্যাট কিনে দেওয়া।

কোন গবেষণা ছাড়াই মুক্তা প্রকল্পে লুটপাট গবেষণার উৎপাদি ত মুক্তা বা মুক্তা গবেষণার পুকুরে উৎপাদিত মাছ বিক্রির টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ। হুয়া ডানের রিপোর্ট কপি করে রিপোর্ট উপস্থাপন মিথ্যা গবেষণার প্রপাকান্ডা ছড়ানো কোর গবেষণার নামে রাজস্ব বাজেটের গবেষণার অর্থ লুটপাট। অবকাঠামো নির্মাণকাজ রাজস্ব বাজেটের অর্থ ফেক বিলের মাধ্যমে লুটপাট।

গবেষণার মাছ ও লেকের মাছ বিক্রি করে আত্মসাৎ” বিপুল অর্থের বিনিময়ে তার স্ত্রী কে আইজিপি মামুনের মাধ্যমে ডিজি পদে অধিষ্ঠিত ও তার মতবিরোধী কর্মকর্তাদের উপর অক্যথ্য নির্যাতন ও বদলি। হ্যাচারীতে উৎপাদিত রেনু পোনা বিক্রিত অর্থ নাম মাত্র জমা দিয়ে অবশিষ্টাংশ আত্মসাৎ।
এনএটিপি প্রকল্পের সমুদয় অর্থ কোন কাজ ছাড়া ভুয়া বিলের মাধ্যমে লুটপাট।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিয়োগে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের পদ সৃষ্টির সম্মতি না থাকা স্বত্বেও শ ম রেজাউল করিম এর মন রক্ষার্থে নিয়োগ বানিজ্য করে ৪৩ টি পদে নিয়োগ। নিয়োগ বানিজ্য নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও বানিজ্যের কারনে দ্রুততর সময়ে নিয়োগ সম্পন্ন।নিজ স্ত্রী কে জেষ্ঠ্য করতে এবং নিজের আজ্ঞাবহ প্রশাসন সাজাতে কনিষ্ঠ কে জেষ্ঠ্য ও জেষ্ঠ্য কে কনিষ্ঠ করা। শ ম রেজাউল করিমের প্রশ্রয়ে তিনি মন্ত্রণালয়ের কোন পর্যায়ের কর্মকর্তাকে পাত্তা না দেওয়া।চিংড়ি গবেষণা কে ন্দ্র স্থাপন প্রকল্পে অপ্রয়োজনীয় কোটি কোটি টাকার অকেজো যন্ত্রপাতি কিনে প্রায় ১৫ বছর সদর দপ্তরের কয়েকটি কক্ষে ও ভান্ডারে ডাম্পিং করে রাখা। যা এক মিনিটের তরে চালু করা হয়নি।

নিজে ও পরিবারে সদস্যদের অনুকূলে ৪টি গাড়ি ব্যবহার’

ইয়াহিয়া মাহমুদ এর রয়েছে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় প্রাসাদসম অট্টালিকা। মিরপুরে কয়েকটি ফ্ল্যাট, একমাত্র মেয়ে কানাডায় পড়াশোনা করছে এবং সেখানে রয়েছে বাড়ি ও টাকা পাচার করেছেন কানাডায়”তার দুর্নীতির সহযোগী ছিলেন।ড. কোহিনূর মিয়া সহ বেশ কয়েকজন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST