April 22, 2026, 6:31 am
শিরোনামঃ
ঢাকার ৭ পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক শান্তিপূর্ণ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে ডিএমপির কড়া বিধিনিষেধ, যা যা জানা প্রয়োজন তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬০ জন গ্রেফতার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তিকে আরও শক্তিশালী করতে : আইজিপি অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলাধীন টুপামারী জিয়া পুকুর পাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ, ফেব্রুয়ারি-২০২৬ সংক্রান্তে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত বাকৃবিতে ছাত্রদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ জামালপুরে মেলান্দহে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ মন্জুরুল কবির মঞ্জ সিএনজি স্ট্যান্ডে চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ময়মনসিংহে শ্রমিক দলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

লক্ষ্মীপুরে স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন

Reporter Name

নূর মোহাম্মদঃ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী সহিদ হোসেনকে (৪৫) শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্ত্রী আমেনা বেগমকে (৩৮) ১০ বছরের সশ্রম কারা দণ্ড দিয়েছেন আদালত।একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজা র টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।সোমবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আমেনা বেগম রায়পুরের বামনী ইউনিয়নে র বামনী গ্রামের মৃত মমিনুল হকের মেয়ে।তার স্বামী ভিকটিম সহিদ হোসেন একই এলাকার আবদুল করিম হাজী বাড়ির মৃত চান মিয়ার ছেলে।জানা গেছে,সহিদ জীবিত থাকা অবস্থায় তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে ছিল।

তার মৃত্যুর সময় স্ত্রী আমেনা তিন মাসের অন্তঃ সত্ত্বা ছিলেন। পরে আমেনা একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। রায় ঘোষণার পর ১৬ মাস বয়সী শিশু ফাতে মা আক্তার মারিয়াকে নিয়েই আদালতের লকারে যেতে হয়েছে দণ্ডপ্রাপ্ত আমেনাকে। রায় ঘোষণার সময় তিনি শিশু কন্যাকে কোলে নিয়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন,এর আগে জামিনে বাইরে ছিলেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়,জীবিকার তাগিদে সহিদ জীবনের দীর্ঘ সময় প্রবাসে ছিলেন। অসুস্থতার কারণে ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রবাস জীবন ছেড়ে তিনি দেশে চলে আসেন। এর পর থেকে আমেনার সঙ্গে তার পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদ হয়। ২০২১ সালের ২২ মার্চ রাতের খাবার শেষে তারা ঘুমাতে যান। পরদিন সকালে আমেনার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘরে ঢুকে সহিদকে মৃত দেখতে পান। পরে স্বাভাবিক মৃত্যু ভেবে মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। গোসল করানোর সময় শরীরে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। খবর পেয়ে পরদিন পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল প্রাপ্ত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদ নে সহিদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে প্রমা ণ পাওয়া যায়। পারিবারিক কলহের জেরে মুখ চেপে ধরে আমেনা সহিদকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় ২৯ এপ্রিল নিহতের ভাই আবদুল আলী খোকন (৫১) বাদী হয়ে রায়পুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে তার ভাবি আমেনা বেগমকে আসামি করা হয় পরে ২৩ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রামগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াছির আরাফাত আমেনা বেগমকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আমেনার বিরুদ্ধে রায় দেন।জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST