নিজস্ব প্রতিবেদক – অভিযোগ উঠেছে ফটিকছড়ি ২ নং দাঁতমারা ইউনিয়নের, ভুজপুর থানার ২ নং ওয়ার্ডের হেয়াকো কাঁচা বাজার শেট জোরপূর্বক দখল করতে যাচ্ছে কিছু কুচক্রী মহল । গত ২৪/০১/ ২০২৩ রোজ মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ১:২০ মিনিটের দিকে ফটিকছড়ি UNO সাব্বির হোসেন সানি ও ২ নং দাঁতমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানেআলম চৌধুরীর নির্দেশে বেশ কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উক্ত কাঁচাবাজার শেটের চতুর পাশে জোর পূর্বক তড়িৎ গতিতে,টিনের বেড়া দিয়ে ঘেরাও করে ফেলে এবং সকল ক্ষুদ্র কাঁচামাল ব্যবসায়ী দেরকে বের হয়ে যেতে বলে।
কারণ উক্ত জায়গা মালিকানা,তারা মালিককে বুঝি য়ে দেওয়ার জন্য এসেছেন। অথচ সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা গেল উক্ত জায়গায় ১৯৯৭ সাল থেকে গরিব অসহায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে আসছে।একটি অনুসন্ধানে দেখা যায় ১৯৯৭ সালে তৎকালীন এমপি মরহুম রফিকুল আনোয়ার ও ভুজপুর থানা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক নেতা মজিবুল হক মজুমদার এবং
তৎকালীন UNO ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ উক্ত কাঁচা বাজার সেট ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরকে করার জন্য অনুমতি প্রদান করেন। যা সরকারি খাসের জায়গা কিন্তু হঠাৎ ২৫ থেকে ২৬ বছর পর জেগে উঠেছে উক্ত জায়গার মালিক,প্রশ্ন সরকারি জায় গার মালিক কিভাবে হলেন? উক্ত বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার অফিস থেকে মুঠোফোনে UNO সাব্বির হোসেন সানি,বলে উক্ত জায়গা সরকারি খাসের জায়গা নয়,মালিকানা জায়গা,এবং তিনি আরো
বলেন,উক্ত জায়গার মালিক ২০-২৫ বছর ধরে বিদেশে ছিলেন,তাই জায়গা দখল নিতে পারেননি এখন বাংলাদেশে এসে ডিসি বরাবর আবেদন করার কারণে,ডিসির অনুমতিতে তিনি উক্ত জায়গা য় গিয়ে মালিক কে জায়গা বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। মুঠোফোন উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানেআলম চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন উক্ত কাঁচা বাজার শেট সরকারি কোনো খাসের জায়গা নয়,উক্ত জায়গার মালিক মনজুরুল আলম ও তার ওয়ারিশগণ,তাই তাদের জায়গা তাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবসায়ীদেরকে উঠে যেতে বলা হয়েছে।
এবং ব্যবসায়ীরা যদি থাকতে চায়, জায়গার মালিক কে ভাড়া দিয়ে থাকতে পারবে। এবং তিনি অভিযো গ অস্বীকার করে আরও বলেন এই জায়গার মালি ক সরকার নয়, এই জায়গার মালিক মুনসুর আলম ও তাহার ওয়ারিশগণ,তাদের নামে,খতিয়ান,বিএস, আরএস সবই আছে।