June 29, 2026, 12:21 am
শিরোনামঃ
র‌্যাব-১৪ কর্তৃক পৃথক ২ অভিযানে মাদক ও চেক জালিয়াতি মামলার ২ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ঢাকার নতুন বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) পরিদর্শন তুরাগে আ.লীগের ৭ নেতাকর্মীর লাশ ভাসার খবর যা জানালো পুলিশ পদ্মার ডুবোচরে আটকে ছিল লঞ্চ, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে ৮৫ যাত্রী উদ্ধার অপপ্রচার নাকি তদন্তাধীন অভিযোগ ? জিডির পর মুখ খুললেন বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আসুন, ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচিগুলো সফল করি স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্তৃক ময়মনসিংহ জেলার ডিএসবি অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন গুলশান থানা কর্তৃক ১৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান: বিপুল অর্থ আত্মসাৎও প্রতারণার অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও গ্রেফতার
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বিকাশের দোকান থেকে চুরি হওয়া টাকা ফেরত পেয়ে খুশি ব্যাবসায়ী পুলিশ সুপার এ-র প্রতি কৃতজ্ঞতা

Reporter Name

বিশেষ প্রতিনিধি।মোহাম্মদ আলী

নোয়াখালীর কাসেম বাজার থেকে ফিরোজ আলম চৌধুরী নামে এক বিকাশ ব্যবসায়ীর ২৭ ফে্রুয়ারী ৭ লক্ষ টাকা চুরি হয়ে যায়।লক্ষ্মীপুর পুলিশ ওই টাকা উদ্ধার করে। পরে টাকার মালিককে তা ফেরত দেয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী টাকা ফেরত পেয়ে আইনি বেড়াজালে জড়াতে না চাওয়া এ ব্যপারে মামলা হয়নি বলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন টিটু এ প্রতিবেদককে বিষয়টি নিশ্চিত করছেন। তিনি আরও জানান, গত ২৭ ফেব্রুয়ারী নোয়াখালী সদর উপজেলার কাসেম বাজারস্হ অন্তরা টেলিকম এর দোকান থেকে তিনজন লোক কৌশলে ৭ লক্ষ টাকা নিয়ে কেটে পড়ে। বিকাশ ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম চৌধুরী খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধারে পুলিশের সহায় তা চাইলে চন্দ্রগঞ্জ থানার কুশাখালী ইউনিয়নের ছিলাদী এলাকা থেকে স্হানীয় জনপ্রতিনিধির সহায়তায় পুরো ৭ লক্ষ টাকা ৪ মার্চ শনিবার উদ্ধার করা হয়। পরে জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় টাকার মালিক ফিরোজ আলম চৌধুরীর নিকট ৫ মার্চ রোববার দুপুরে পুরো ৭ লক্ষ টাকা হস্তান্তর করেন।

৭ লক্ষ টাকা খোয়া যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে নোয়া খালী সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের কাসেম বাজারস্হ বিকাশ ব্যবসায়ী ভুক্ত ভোগী ফিরোজ আলম চৌধুরী নিকট রোববার রাত ন’টার দিকে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন,গত ২৭ ফেব্রুয়ারী প্রতিদিনের মত বাড়ীর থেকে টাকা এনে সকাল ৯ টার দিকে দোকান খুলে ৭ লক্ষ টাকাসহ ব্যাগটি দোকানে রাখি । এসময় পানি আনার জন্য এক মিনিটের জন্য বাহিরে গিয়ে পানি এনে এসে দেখি ব্যাগ (৭ লক্ষ টাকাসহ) নাই। পরে বাজারের সিসিটিভি ফুটেজে দেখি তিনজন লোক টাকাসহ ব্যাগটি নিয়ে যায়, আমরা ঐ তিনজনের একজন লোককে চিনতে পারি, লোকটি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার কুশাখালী ইউনিয়ন এলাকার বাসিন্দা।

ঘটনাটি পুলিশকে জানাই পরে পুলিশ অনেক চেষ্টা করে পুরো ৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে আমাকে ফেরত দেয়। উক্ত টাকা ৪ ই মার্চ তেওয়ারি গন্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভুলুর মাধ্যমে ডিবি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এসময় তিনজন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন তারা চেয়ারম্যান কে প্রশ্ন করেন চোর করে কেন ধরা হলোনা। তার সঠিক উত্তর দিতে পারেনি চেয়ারম্যান উমর হোসেন ভুলু। প্রতার কদের বিরুদ্ধে মামলা করলেন না কেন? প্রশ্ন করলে ফিরোজ আলম চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, আইনি ঝামেলা হওয়ার কারনে মামলা মোকদ্দমা করিনি।এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ এর নিকট রোববার রাতে মুঠোফোনে জানতে চাইলে ফোন কেহ রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নাই।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST