May 31, 2026, 8:54 am
শিরোনামঃ
দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ মডেল থানা পুলিশ ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই : র‌্যাব মহাপরিচালক ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বাগমারায় লাইসেন্স বিহীন বিক্রয় হচ্ছে জ্বালানি তেল

Reporter Name

রাজশাহী ব্যুরোঃ রাষ্ট্রীয় সম্পদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক টি হচ্ছে জ্বালানি তেল অথচ সেই তেল বিক্রি হচ্ছে খোলা বাজারে,তাও আবার লাইসেন্স বিহীন। বিক্রির জন্য নেই কোন অনুমতিপত্র,মানা হচ্ছেনা সরকারের দেওয়া নিয়ম ও দর। পেট্রোলের দাম সরকারের দেওয়া ১২৫ টাকা দর হলে প্রতিযোগিতার বাজারে সেই তেল বিক্রি হচ্ছে ১২২ টাকা লিটার। যা রীতিমত অবাক করার মত। তাদের এমন দৃশ্য দেখে জনসাধারণের মনে এমনিতেই প্রশ্ন আসছে, তাহলে এই তেল কি চুরির পথে আসা,নাকি সরকার জনগ ণের সাথে ঠকবাজি করছে? নাকি পাম্প মালিকরা ঠকা চ্ছে? কারন একজন সাধারণ দোকানদার যদি ১২২ টাকা লিটার দিতে পারে তাহলে সরকার কেন পারেনি বা পারছে না? এমন দৃশ্য রাজশাহী বাগমারা উপজেলার মোহনগঞ্জ বাজারে। এই এলাকায় ব্যঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে নাম ও লাইসেন্স বিহীন তেল ডিপো।আবার কারো সামান্য তম কাগজপত্র রয়েছে অন্য স্থানের অর্থাৎ অন্য উপজেলা বাজারের।কিন্তু চতুরতার আশ্রয় নিয়ে এই মোহনগঞ্জ বা জারে এসে দিদার্সে হাজার হাজার তেল মজুত করে ব্যবসা করছেন তারা।

এমন অভিযোগের খবর পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলে সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে আগত সামসু লের দোকা ন।দোকানে কোন সাইনবোর্ড নেই,নেই অগ্নিনি র্বাপক যন্ত্র!দোকানের মালিক সামসুলের সাথে কথা বলে জানা গেল,এই দোকানের নাম “মেসার্স সামিহা এন্ড আতি য়া এন্টার প্রাইজ “কিন্তু রশিদের গায়ে সত্বাধিকার বা মালি ক হিসেবে নাম রয়েছে মোঃ আঃ সামাদ মোল্লার।জানতে চাইলে সমসুল বলেন,আমি আগে এই দোকানের ম্যানে জার ছিলাম,পরে আমি এই নামের লাইসেন্স কিনে নিয়ে ছি।কিন্তু এক স্থানের লাইসেন্স ব্যবহার করে অন্য স্থানে তো ব্যবসা করা যাইনা।আপনি কেন করছেন? তখন তিনি প্রতিবেদককে সাত পাঁচ বোঝাতে থাকেন যা নিয়মের বাই রে।তবুও পুর্বের লাইসেন্স দেখতে চাইলে সামসুল বলছেন লাইসেন্স দোকানে নাই।মোবাইলের ছবিতে একটি লাইসে ন্স দেখালেও সেটির মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে অনেক আগেই অর্থাৎ ২০১২ সালে। (দোকানটি শহর থেকে হাটকানপাড়া হয়ে বাজারে ঢুকতে শুরুতে পড়ব)।সেখান থেকে বেরি য়ে আরেক দোকানে ঢুকতেই দেখা মিললো,টিনের দোকা ন।সেখানেও দেখা মিললনা সাইনবোর্ড ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র! দোকান মালিকের নাম মোঃ বাচ্চু রানা।এই বাচ্চু দুর্গাপুর উপজেলার নন্দিগ্রাম গ্রামের আঃ সাত্তার মন্ডলের ছেলে। তার সাথে কথা বললে তিনি জানান,আগে পার্টনার শীপে ব্যবসা করতেন। বর্তমানে আলদা হয়ে ব্যবসা করছে ন। তারও একই অবস্থা। কোন কাগজপত্র নেই।অথচ তার দোকানের রশিদে দুইটি দোকানের নাম রয়েছে এবং মালি ক হিসেবে অন্য নাম রয়েছে। দোকানের নাম রয়েছে “মেসার্স বাচ্চু রানা ট্রেডার্স” ও মেনার্স সাহেদা ট্রেডার্স “। এই রশিদে বাজারের নামও দেখা যাচ্ছে অন্য স্থানের।

এভাবে পুরো মোহনগঞ্জ বাজার যেন, লাইসেন্স বিহীন ডিপো’র কারখানায় পরিনত হয়েছে। এভাবে পুরো বাজার ঘুরে আরও অনেক দোকান চোখে পড়লো। যাদের কারো লাইসেন্স নাই। থাকলেও অন্য স্থান ও এলাকার। মোহনপুর উপজেলাধীন কুটিবাড়ি বাজার ও বাগমারার চিকাবাড়ি বাজারে রয়েছে অবৈধ তেল ডিপো। স্থানীয়দের অভিযোগ এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজর পড়ছে না! কারন, গত ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ বিকেলে লিটন নামে এক ব্যক্তির তেলের ডিপো থেকে আগুন ধরেছিল সেদিন এই বাজারে ২২টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছিল। এ সময় আহত হয়েছিলেন অন্তত ১৫ জন। তারপরও তারা এভাবে ই ব্যবসা করছেন!!পরে ঐ এলাকার সচেতন মহলের সাথে কথা বললে তারা বলছেন,আমাদের ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের দিনগুলোর স্বরণ করলে,মনে পড়ে যায় জামায়াত শিবিরের জ্বালাও পোড়াও তান্ডবের কথা সেসম য় এরকম খোলা দোকান থেকে পেট্রোল,অকটেন নিয়ে তারা আগুনের রাজত্ব করেছিল। তারপরও প্রশাসন এধর নের দোকানের ব্যাপারে সচেতন হচ্ছে না।এ বছর নির্বাচ নের বছর। তাই আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসন সজাগ থাকলেও এই সকল লাইসেন্স বিহীন তেল ডিপোর ব্যাপারে কেন এত উদাসিন,তা বোধগম্য নয়।আবার অনে কে দাবী তুলছে, প্রশাসন এদের থেকে সুবিধা নেই। তাছা ড়া কেন এদের ব্যাপারে নিশ্চুপ বা এদেরকে রুখতে পারছে না?

পরে তেল ডিপো’র বিষয়ে জানতে রাজশাহী জ্বালনি তেল ডিলার ও ডিষ্টিবিউশন এসোসিয়েশনের সভাপতি ও মেসা র্স লতা ফিলিং স্টেশন এর মালিক মোঃ মনিমুল হকের সা থে কথা বললে তিনি জানান,এমন ডিপো’র সংখ্যা অনেক ,যাদের কোন লাইসেন্স নাই। শুধু বাগমারা নয়,জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে লাইসেন্স বিহীন তেলে র ডিপো। তারা তেল অন্য উপায়ে নিয়ে আসেন। তেলের দাম ও নিয়মের কথা বললে,তিনি বলছেন আমাদের তো পুলিশ প্রশাসন নেই যে,তাদের বিরুদ্ধে অভিযান বা একশ ন নিব। তবে তাদের বিরুদ্ধে একশন নিতে পারবে,যারা এদের লাইসেন্স দেয়। আর দামের ব্যাপারে সরকার আমাদের একটা রেট বেঁধে দিয়েছে এর বাইরে কিছু করার সুযোগ নাই। যারা খোলা বাজারে কম দামে তেল বিক্রি করছে তাদের কোন খরচ থাকেনা। তাদেরকে কোথাও ভ্যাট ট্যাক্স দেওয়া লাগে না। তাদের কোন কর্মচারীর বেতন লাগেনা। যার কারনে তরা নুন্যতম লাভে তেল বিক্রি করছে।তবে আপনি বললন,আমরাও এধরনের অনুমোদনহীন ডিপো বন্ধের জন্য চেষ্টা করবো। এছাড়াও এই প্রতিবেদকের সাথে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST