সবুজ হোসেন রাজা (সিরাজগঞ্জ)
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বাড়াবিল উত্তরপাড়া থেকে মহাসড়ক তথা পৌর শহরের সাথে সংযোগের রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
ফলে মহাসড়কের শক্তিপুরের শাহজাদপুর ফিলিং স্টেশন (তেল পাম্প) থেকে বাড়াবিল পর্যন্ত দেড় কিলোমিটারের রাস্তাটিতে মাঝে মধ্যেই ঘটছে দূর্ঘটনা। ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনি য়ত এপথে যাতায়াত করছেন বাড়াবিল,নলুয়া,শক্তিপুর নতুন পাড়া এবং পার্শ্ববর্তী চিথুলিয়া,বনগ্রাম,কাশিনাথপুর, চর আঙ্গারু সহ কয়েকটি গ্রামের প্রায় বিশ হাজার মানুষ।স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থী এবং অসুস্থ্য রোগী বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের এপথে চলাচলে কষ্ট হয় সবচেয়ে বেশি।
রাস্তাটির বহু স্থানে ভেঙ্গে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে যেখানে বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
এছাড়াও শক্তিপুর নতুন পাড়ার ব্রিজটির পুরো অংশেরই প্লাস্টার নষ্ট হয়ে গেছে এবং রেলিংয়ের একটি অংশ বিলীন হয়ে গেছে। এখানে মাঝে মাঝেই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
এপথে নিয়মিত চলাচলকারী যাত্রী চাদ প্রামানিক জানান, “পৌরসভায় বসবাস করলেও আমরা এই এলাকার মানুষ নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।”অটোভ্যান চালক ইয়াসিন আলী জানান, এই রাস্তা দিয়ে যাত্রী নিয়ে বহু কষ্টে তাদের চলাচল করতে হয়। তিনি এ রাস্তাটি মেরামত ও প্রশস্তকরণের দাবি জানান।
শক্তিপুর ব্রীজের পাশে বসবাস করেন গৃহবধূ বেগম। তিনি জানান, “প্রতিদিন এ পথে বহু সংখ্যক হালকা এবং ভারী যানবাহন চলাচল করে। রাস্তাটি ভাঙাচোরা হওয়ায় মাঝে মাঝেই দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতার কারণে খুবই খারাপ অবস্থা হয়।”
শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র মনির আক্তার খান তরু লোদী জানান, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য এলজিইডি’র সাথে সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণ পক্রিয়াধীন রয়েছে।
এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী নূর নবী খান জানান, রাস্তাটির প্রথম ২৮৩০ মিটার পৌরসভার। বাকিটুকু এলজিইডির। ফলে ২৮৩০ মিটার বাকি রেখে বনগ্রাম পর্যন্ত রাস্তার প্রাক্কলন/এস্টিমেট তৈরি করা হয়েছিল।
পরে পৌরসভা থেকে অনাপত্তিপত্র (NOC) নিয়ে তাদের অংশের ২৮৩০ মিটারেও প্রাক্কলন করা হয়েছে। এখন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।