June 3, 2026, 8:23 pm
শিরোনামঃ
নেত্রকোনায় পাওনা টাকার দ্বন্দ্বে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কু’পিয়ে হ’ত্যা কালিয়াকৈরে ৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় চার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন কেন্দুয়ায় পৌর শহরে “চার বোন” ও তার “মা” জীবন হুমকির আতংকে, নিরাপত্তা চায় ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা, মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার আসহাব উদ্দিন চৌধুরী’র মায়ের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজা লাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. আয়মান হোসেন অপু” দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বাজারে ডিম ও মুরগির দাম বাড়িয়ে প্রতিদিন লুট ১৪ কোটি টাকা

Reporter Name

প্রথম বাংলা – বাজারে ডিম এবং মুরগির বাচ্চার দাম বাড়িয়ে গত ২০ দিনে ২৮০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)। গতকাল শনিবার (৫ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন অভিযোগ তুলেছেন সংগঠনটির সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার।

অভিযোগ করে বলা হয়, বাজারে প্রতিটি ডিমে ২ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন ৪ কোটি ডিমে ৮ কোটি টাকা বেশি লাভ করা হচ্ছে। এভাবে গত ২০ দিনে ১৬০ কোটি টাকা ভোক্তাদের পকেট থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। আবার প্রতিটি মুরগির বাচ্চা গত ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দাম ছিল ৩০-৩৫ টাকা। কিন্ত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে একই বাচ্চা বিক্রয় হচ্ছে ৪০-৫৬ টাকায়।

আর ডিমের মুরগির বাচ্চা বিক্রয় হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়’প্রতিদিন সব ধরনের ৩০ লাখ মুরগির বাচ্চা উৎপাদন হয়।প্রতিটি বাচ্চায় যদি ২০ টাকা বেশি ধরা হয়, প্রতিদিন ৬ কোটি টাকা বেশি আয় হয়। ফলে গত ২০ দিনে প্রান্তিক খামারিদের সঙ্গে প্রতারণা করে কোম্পানিগুলো ১২০ কোটি টাকা অতিরিক্ত মুনাফা করছে। সব মিলিয়ে ২৮০ কোটি টাকা লুট করা হয়েছে গত ২০ দিনে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রান্তিক খামারি ডিম এবং মুরগি উৎপাদন করে, কিন্তু দাম নির্ধারণ করতে পারে না। দাম নির্ধারণ করে করপোরেট গ্রুপ ও তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতি। তাদের সুবিধামতো যে দাম নির্ধারণ করে সে দামে প্রান্তিক খামারিদের ডিম, মুরগি বিক্রয় করতে হয়। যখন দাম বাড়িয়ে দেয় তখন খামারি ন্যায্য মূল্য পায়।

যখন কমিয়ে দেয় তখন উৎপাদন খরচ থেকে কম দামে বিক্রয় করে লস হওয়ার কারণে উৎপাদন থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়। ডিম-মুরগির বাজারে অস্থিরতার কারণ করপোরেট গ্রুপ ও তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ীদের আধিপত্য বিস্তার করে। এরা বারবার বাজারে সিন্ডিকেট করে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে নিলেও তাদের শাস্তি না হওয়ায় বাজারে অস্থিরতা বেড়েই চলছে।

এতে আরও বলা হয়, করপোরেট গ্রুপ ও অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সিন্ডিকেট শক্তিশালী হওয়ার কারণে বারবার একই পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে। ফিড বাচ্চার দাম নির্ধারণ না করে, বিগত দিনের সিন্ডিকেটকারীদের সঙ্গে নিয়ে ডিম-মুরগির দাম নির্ধারণ করে দেওয়ায় করপোরেট গ্রুপদের সিন্ডিকেট করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। যার কারণে পুরোনো সিন্ডিকেট মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এতে বাজারে অস্থিরতা হবে এটাই স্বাভাবিক বিষয়।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর ডিম-মুরগির দাম নির্ধারণ করা হয়। যেখানে বলা হয়, উৎপাদক পর্যায়ে প্রতিটি ডিম ১০.৫৮ টাকায় বিক্রয় করতে পারবে, যা ভোক্তা পর্যায়ে ১২ টাকায় বিক্রয় হওয়ার কথা। কিন্তু যাদের সঙ্গে নিয়ে দাম নির্ধারণ করা হলো তারা কেউ সরকার নির্ধারিত দামে ডিম বিক্রয় করেননি। প্রতিটি ডিম উৎপাদক পর্যায়ে তারা প্রতারণার মাধ্যমে প্রতিটি ডিম বিক্রয় করেছেন ১১.৮০ থেকে ১২.৫০ টাকা পর্যন্ত, যা খুচরা বাজারে বিক্রয় হচ্ছে ১৪-১৫ টাকায়।
সুত্র, mp news



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST