June 1, 2026, 10:14 am
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজা লাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. আয়মান হোসেন অপু” দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ মডেল থানা পুলিশ ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই : র‌্যাব মহাপরিচালক ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ইলিশের বাজারে দুই সরকারের দুই চিত্র : শেখ হাসিনায় উৎপাদন রেকর্ড, ইউনুস আমলে পাচারের রেকর্ড

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশে ইলিশ কিনতে গেলে এখন হাতে আগুনের ছ্যাঁকা লাগে। ছোট একটি ইলিশের দাম শুনলে মনে হয়, মাছ না কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অথচ একই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের বাজারে ইলিশের দাম বাংলাদেশের চেয়ে কম। এই অস্বাভাবিক ব্যবধানের পেছনে কার হাত আছে? মোহাম্মদ ইউনুসের অবৈধ সরকারের আমলাতান্ত্রিক অদক্ষতা, নীতিগত বিপর্যয় এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় চরম ব্যর্থতাই এই সংকটের মূল কারণ।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গেলে দেখা যায়, ক্রেতারা ইলিশের দাম শুনে মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছেন। ৫০০ গ্রামের একটি ইলিশের দাম ১,৪০০ থেকে ১,৬০০ টাকা। এক কেজির ওপরের ইলিশের দাম ২,৬০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। অথচ কলকাতার বাজারে একই আকারের ইলিশ ৬০০ থেকে ৭৫০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ১,০৫০ টাকার মতো। এক কেজির ইলিশ সেখানে ১,৫০০ থেকে ১,৮০০ রুপিতে মিলছে, অর্থাৎ ২,১০০ থেকে ২,৫০০ টাকা। প্রশ্ন জাগে, বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন বেশি হলেও দাম এত বেশি কেন?

ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জরুরি, কিন্তু মোহাম্মদ ইউনুস সরকারের নীতিই এই সংকটকে তীব্র করেছে। আগে বাংলাদেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই, আর ভারতের ছিল ১৫ এপ্রিল থেকে ১৩ জুন। ফলে বাংলাদেশি জেলেরা নিষেধাজ্ঞা মেনে বসে থাকলে ভারতীয় জেলেরা ইলিশ ধরত। এবার ইউনুস সরকার ভারতের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন। কিন্তু সমস্যা হলো, এই সময়টি ইলিশের প্রজননের জন্য আদর্শ নয়। বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন, এই সিদ্ধান্ত বিজ্ঞানসম্মত নয়। ফলাফল কী হয়েছে? নিষেধাজ্ঞা কাজে আসেনি, উৎপাদন বাড়েনি, বরং জেলেরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

ইলিশের বাজারে আরেকটি বড় সমস্যা হলো চোরাচালান। পশ্চিমবঙ্গের বাজারে মিয়ানমারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়, কিন্তু বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের ইলিশও পাচার হয়ে যাচ্ছে। ইউনুস সরকারের নজরদারি দুর্বল হওয়ায় এই পাচার বন্ধ হচ্ছে না। কলকাতার মাছ আমদানিকারকরা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে। একটি দায়িত্বশীল সরকার হলে এই অনুরোধ কঠোরভাবে নাকচ করে দিত, কিন্তু ইউনুস সরকার নীরব।

আগে যারা চিৎকার করতেন, “আওয়ামী লীগ সরকার সব ইলিশ রপ্তানি করে দিচ্ছে, দেশে ইলিশ নাই!” তারা এখন কোথায়? ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া, উৎপাদন কম, চোরাচালান বেড়েছে। এই সরকারের নীতিই সাধারণ মানুষকে ইলিশ খাওয়া থেকে বঞ্চিত করছে।

ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা শুধু ইলিশের বাজারেই সীমিত নয়। এটি তাদের সার্বিক অদক্ষতা ও অপশাসনেরই প্রতিচ্ছবি। তারা জনগণের টাকায় ক্ষমতায় বসে জনগণকেই লুটপাট করছে। ইলিশের মতো সাধারণ মানুষের প্রিয় মাছটিকেও তারা নাগালের বাইরে নিয়ে গেছে। এই সরকারের আমলে কোনো কিছুরই উন্নতি হয়নি, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রেই অবনতি হয়েছে। জনগণের পক্ষে দাঁড়ানোর মতো কোনো নীতি বা পরিকল্পনা তাদের নেই।

এই সরকারের অপশাসন, অদক্ষতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সময়ের দাবি। ইলিশের দাম কমাতে, উৎপাদন বাড়াতে এবং চোরাচালান বন্ধ করতে একটি সক্রিয়, দক্ষ ও জনবান্ধব সরকার প্রয়োজন। ইউনুস সরকার তা দিতে পারবে না, কারণ তারা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে, তারা শুধু ব্যর্থতা ও লুটপাটের সরকার।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST