February 25, 2026, 11:42 am
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহ এলজিইডি”র হিসাব রক্ষক এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তারাকান্দায় এসিল্যান্ড কার্যালয়ে খারিজে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সেবায় চরম ভোগান্তি সবাইকে দেশে ফিরতে হবে, নামতে হবে মাঠে’: শেখ হাসিনার রাজউক কর্মকর্তার আয়কর নথি জব্দের আদেশ নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির গণপূর্তের দুর্নীতির বরপুত্র নির্বাহী প্রকৌশলী আ: হালিম শত কোটির অবৈধ সম্পদের মালিক তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করলেন এক প্রসিকিউটর ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্রোহের মামলা করার ঘোষণা করলেন- মহাসিন রশীদের পুলিশ পরিবারের সন্তান রাজপথের অগ্নীকন্যা নাম তার সামসাদ জাহান তানিয়া রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে বিএনপি নেতা আহত
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

তারাকান্দায় এসিল্যান্ড কার্যালয়ে খারিজে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সেবায় চরম ভোগান্তি

Reporter Name

প্রথম বাংলা : ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে নামজারি ও খারিজ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে, প্রতি খারিজে দুই হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, মিসকেস, নামজারি ও জমা-খারিজ সংক্রান্ত কাজে দিনের পর দিন ঘুরেও সেবা মিলছে না, গত ১৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে আব্দুল বারেক ও তার দুই ছেলে একসঙ্গে নামজারি আবেদন করেন, আবেদনের পর ‘ফাস্ট অর্ডার’ হলেও ৫নং বালিখা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে নায়েব আবু তাহের এস.এ তালিকায় আংশিক খাস দেখিয়ে আবেদনটি বাতিল করেন, পরদিন সেটি নামঞ্জুর হয়।

পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এস. নাজমুল ছালেহীনের সঙ্গে দেখা করলে তিনি সার্ভেয়ার রিপোর্ট চেয়ে পুনরায় আবেদন করতে বলেন, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সার্ভেয়ার রিপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে কানুনগো মজিবুর রহমান ও সার্ভেয়ার সাইমা নাঈম মুজুমদা সরেজমিনে তদন্তে গিয়ে জমিটি সম্পূর্ণ কৃষিজমি এবং বাস্তবে কোনো খাস বা হালট না থাকার সত্যতা পান বলে জানান আবেদনকারীকে, তবে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সারে নয় হাজার টাকা নেওয়া হলেও তিন মাস পার হলেও এখনো রিপোর্ট হাতে পাননি বলে অভিযোগ করেন আব্দুল বারেক।

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পুনরায় এসিল্যান্ডের সঙ্গে দেখা করলে তিনি প্রথমবার দেখা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন, যা শুনে হতবাক হই আমরা, পরে আবেদন কপিতে “বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ” মর্মে লিখে দেন, যোগাযোগ করি সার্ভেয়ার সাথে তিনি বলেন এটা আমি পারবো না আপনারা এসিল্যান্ড স্যারের সাথে যোগাযোগ করেন, এটা আমি করতে পারবো না।

আব্দুল বারেক জানান, ঢাকিরকান্দা মৌজার নামজারি খতিয়ান নং ১৭৮৬, দাগ নং ২০১৭-এর ০.২৭০০ একর জমি তিনি ০১.০৯.২০২১ তারিখের ৩৫৪১ নং দলিলমূলে ক্রয় করেন, সংশ্লিষ্ট এস.এ ও বি.আর.এস রেকর্ড অনুযায়ী জমিটি ব্যক্তিমালিকানাধীন হিসেবে চূড়ান্ত রেকর্ডভুক্ত হয়েছে, তবুও এস.এ দাগে খাস দেখিয়ে তার নামজারি বাতিল করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি, তার প্রশ্ন—যেখানে পুরো ৯১ শতাংশ জমিই ব্যক্তির নামে রেকর্ড, সেখানে তিনি কেন খারিজ পাচ্ছেন না।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা ভূমি অফিসে প্রতি নামজারিতে অফিস সহকারী নাজির সানিয়া ও রোমেলার মাধ্যমে (এল-আর) দুই হাজার টাকা করে নেওয়ার পর খারিজে স্বাক্ষর করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুল সালেহীন, ঢাকিরকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ফরিদা বেগম জানান, নিজ নামে দুই শতাংশ জমি খারিজ করতে তার মোট ছয় হাজার টাকা খরচ হয়েছে, এর মধ্যে এসিল্যান্ড অফিসেই দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এস. নাজমুল ছালেহীনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি, ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST