খাদ্য অধিদপ্তরের কোটি, কোটি টাকার পোস্টিং বাণিজ্য, যায় কার পকেটে?
Reporter Name
Update Time :
বৃহস্পতিবার, মে ৭, ২০২৬
/
94 Time View
/
Share
স্টাফ রিপোর্টার : খাদ্য অধিদপ্তরের বদলি ও পোসৃটিং বাণিজ্য বেবপরোয়া আকার ধারন করেছে। বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি খাদ্য গুদাম ( এলএসডিতে) তে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাদ্য পরিদর্শক ( ওসিএলএসডি) পদে পোস্টিং দেয় আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক। অনেক খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং পরিচালক ( প্রশাসন) কে না জানিয়ে বিিভাগীয় অধিনে জেলা ও উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে।
জানা যায় উপজেলা পর্যায়ে রড় এলএসডিতে বিশ লক্ষ টাকা এবং জেলা পর্যায়ে ৪০/৫০ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়। এ টাকা যায় কার পকেটে।
অনুসন্ধানে জানা যায় একটি সিন্টিকেট এ বদলি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রন করে। বদলি বাণিজ্যর এ টাকা লেনদেন হয় বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যামে।
একটি সংস্হার গোপন অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে এসেছে। ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর, নেত্রকোনা জেলার ৯ টি এলএসডিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পদে পোস্টিং এ প্রায় দুইকোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্য হয়েছে। বিশাল অর্থ খরচ করে সরকারি খাদ্য গুদামে পোস্টিং নিয়ে জড়িয়ে পরেছে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে।
বিিভাগীয় ও জেলা কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে গুদামের ভালো মানের লাখ, লাখ টাকার চাউল বিক্রি করে। সরকারি বিভিন্ন কর্মসুচীর চাউল ও গম ওজনে কম দিয়ে থাকে। ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, নেত্রকোনা জেলার পুর্বধলা, কেন্দুয়া, সদর, ঠাকুরাকোনা, মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা, কমলাকান্দা, দুর্গাপুর উপজেলায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাদ্য পরিদর্শক পোস্টিং দিয়ে একটি সিন্টিকেট এর মাধ্যামে প্রায় দুই কোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্য করেছে। অনেক সিনিয়র খাদ্য পরিদর্শক টাকা খরচ করতে না পারায় তাদের গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পদে পোস্টিং দেওয়া হয় না।
জানা যায় জামালপুর জেলার ইসলামপুর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীপক সরকার বকশীগঞ্জ সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে মোটা অংকের টাকা খরচ করে ইসলামপুর খাদ্য গুদামে পোস্টিং বাগিয়ে নেয়। ইসলামপুর খাদ্য গুদামে চারজন খাদ্য পরিদর্শক গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পদে পোস্টিং চেয়েছিলেন। খাদ্য পরিদর্শক দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা হয়ে বিলাশী জীবন যাপন করে থাকেন। অনেকে এক বা দুইটি খাদ্য গুদামে চাকুরী করে ফ্ল্যাট, গাড়ী বাড়ীর মালিক হয়েছেন। এ টাকার উৎস কোথায়?
উল্লেখিত উপজেলা সমুহের খাদ্য গুদাম খাদ্য মন্তণালয় ও অধিদপ্তর উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হলে বেড়িয়ে আসবে দুর্নীতি ও অনিয়ম।
এ ব্যাপারে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুঃ জসীম উদ্দিন খান এর মতামত জানতে মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল দিয়ে পাওয়া যায়নি।