September 24, 2026, 9:04 am
শিরোনামঃ
নরসিংদীর শিবপুরে ৩ মাদক ব্যাবসায়ী গ্ৰেফতার আনন্দমোহন বসুকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে : ওয়াহাব আকন্দ এমপি নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারের যোগদান ও মতবিনিময় সভা জামালপুরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও সদর থানার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ডিআইজি, পটিয়ায় ঢাকাগামী ট্রেনের ধাক্কায় কর্ভাটভ্যান দ্বিখন্ডিত।আটকা পড়ে ১৮শ পর্যটক। মহামান্য রাষ্ট্রপতির আজ অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার কাজল এর সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবার পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর মিরপুরে সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজের বাসায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িত কিশোরগাং নিশ্চিহ্নে আল্টিমেটাম জঘন্য অপরাধের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

সরকারি সার কালোবাজারির অভিযোগে শেরপুরে ২০ ডিলারের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা

Reporter Name

প্রথম বাংলা : সরকারি বরাদ্দের সার কালোবাজারে বিক্রি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং সরকারের কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে শেরপুর সদর উপজেলার ২০ জন সার ডিলারের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার বাদী শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন।

তিনি শেরপুর সদর থানায় দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করেন, গত ২৪ জুন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জাহানকে সঙ্গে নিয়ে সরকারি গাড়িযোগে শেরপুর শহরের নিউমার্কেট, রঘুনাথ বাজার, নতুন বাসস্ট্যান্ডসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনের সময় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ৯(২) ধারা অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করে যাচাই-বাছাই করলে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্ত ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের ৪ হাজার ৪১২ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার (মূল্য প্রায় ১১ কোটি ৯১ লাখ ২৪ হাজার টাকা), ৮২১ মেট্রিক টন ডিএপি সার (মূল্য প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ ৪১ হাজার টাকা), ১৩৪ মেট্রিক টন টিএসপি সার (মূল্য প্রায় ৩৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা) এবং অন্যান্য সার বাবদ প্রায় ৩৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার সার অধিক মুনাফার আশায় কালোবাজারে বিক্রি করেন। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয় এবং কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হতে হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ডের কারণে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকরা ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন এবং সরকারের কয়েক কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন— মো. রাসেদুল ইসলাম, সুফিয়া বেগম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, মীর দেলোয়ার হোসেন, মরিয়ম আক্তার মুন্নি, মো. ফরহাদ আলী, ইলিয়াস আলী, তাপস নন্দী, কামরুন নাহার হাসেম, সিরাজুল ইসলাম, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী, বোরহান উদ্দিন, রেজাউল করিম, মাজাহারুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. রতন মিয়া ও মো. বাদশা মিয়া।

শেরপুর সদর থানায় মামলাটি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে রুজু করা হয়েছে (মামলা নং-২৫(১), তারিখ: ২২ জুলাই ২০২৬)। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন গণমাধ্যমকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি বরাদ্দের সার বিতরণে অনিয়ম ও কালোবাজারির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST