June 1, 2026, 1:27 pm
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজা লাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. আয়মান হোসেন অপু” দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ মডেল থানা পুলিশ ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই : র‌্যাব মহাপরিচালক ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে’ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা লীগ -এর নাম করণ প্রসঙ্গ” ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

মিথ্যা তথ্য দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ ‘বাঁচাতে’ নতুন ঠিকানায় ঘর তৈরি

Reporter Name

মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না-বেতাগী বরগুনা প্রতিনিধি:

বেতাগীতে পরিবার কল্যাণ সহকারী পদে ভুয়া ঠিকানা দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাকরি ‘বাঁচাতে’ ওই প্রার্থী নতুন ঠিকানায় ঘর তৈরি করছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় গত ২২ নভেম্বর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরি চালক ও বরগুনা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ একাধিক প্রার্থী।

জানা গেছে, পদটিতে ২০২১ সালের ১২ আগস্ট জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পরিবার কল্যাণ সহকারী পদে আবেদনকারীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ইউনিট/ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। গত ৪ নভেম্বর লিখিত ও ৮নভেম্বর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের পশ্চিম কাউনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. হালিম মৃধার মেয়ে মোসা. খাদিজা আক্তার ওই পদে ভুয়া ঠিকানা দিয়ে আবেদন করেন। একই পদে ইউনিটের প্রকৃত বাসিন্দা মোসা. আসমা আক্তার (রোল নং-১২০২৭০৫৫১), মোসা. সুইটি আক্তার (রোল নং-১২০২৭০৫৭৮) ও মোসা. মুক্তা আক্তারসহ (রোল নং-১২০২৭০৫৮১) মোট ৬ জন পরিবার কল্যান সহকারী পদে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু গত ৯ নভেম্বর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে খাদিজা আক্তারের রোল (১২০২৭০৫৮০) প্রকাশ করা হয়।

চাকরিপ্রার্থী মোসা. সুইটি আকতার অভিযোগ, প্রকৃত বাসিন্দা হিসেবে তাঁকে চাকরি না দিয়ে যিনি ইউনিটের বাসিন্দা নয় তাঁকে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ঘোষনা করা হয়েছে। খাদিজা আক্তার ৪ নং ওয়ার্ড তথা ২/খ ইউনিটের বাসিন্দা। এখন তিনি (খাদিজা) চাকরি স্থায়ী করতে ২/ক ইউনিটে নানার জায়গায় ঘর তৈরি করছেন।
অন্য প্রার্থী মো: জাবেদ আলী খলিফার মেয়ে মোসা: আসমা আক্তার ও গাজী হাবিবুর রহমানের মেয়ে মোসা: মুক্তা আক্তার দাবি করেন, তাঁরা যোগ্য হওয়া সত্বেও তাঁদের বঞ্চিত করে অন্য ইউনিটের বাসিন্দাকে চাকরিতে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাঁরা এর প্রতিকার চান।

সরেজমিনে বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের ২/ক ইউনিটে গিয়ে খাদিজা আক্তারের স্থায়ী কোন বসত ভিটা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ঐ এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের সিকদার বাড়ি এলাকায় ধানক্ষেতের পাশে কয়েকজন মিস্ত্রিকে একটি ঘর নির্মাণ করতে দেখা যায়। ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইউনুচ হাওলাদারের ভাষ্যমতে, চাকরির বৈধতা আদায়ের জন্য যে জায়গায় ঘর করা হচ্ছে, তা খাদিজার নানা মৃত আনোয়ার আলীর জমি। তাঁর নামে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর ঘরটি তৈরি করা শুরু করেছেন তাঁরা।

মোসা. খাদিজা আক্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর মা নুরুন নাহার দাবি করেন, তাঁরা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার। তবে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর বাবার বাড়িতে জমি নিয়ে ঝামেলা থাকার কারণে সেখানে এখন ঘর তৈরি করছে। খাদিজা এখন নানা বাড়িতেই থাকে।
বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম রব শুক্কুর মীর জানান, খাদিজা আক্তার ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সেভাবে পরিচয়পত্র ও প্রত্যয়ন নিয়েছেন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নিয়োগটি ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অংশে। এই অংশের প্রার্থীরা আপত্তি তুললে খাদিজা তাঁর কাছে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রত্যয়ন নিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁকে প্রত্যয়ন দেননি।

বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সুহৃদ সালেহীন বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে চাকরি নেওয়ার সূযোগ নেই। ভুয়া ঠিকানা ব্যবহারের অভিযোগের পর তদন্ত করছেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। সরজমিনে তদন্ত শেষে এরই মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ও পরিবার পরিকল্পনা বরগুনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ বলেন, এ নিয়ে উৎকন্ঠার কিছু নেই। ডিসির সঙ্গে পরামর্শ করে পদক্ষেপ নেবেন।

নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যেহেতু নিয়োগ প্রদানকারী কর্মকর্তা আমি নই। তাই এ বিষয়ে আমাদের কোন পদক্ষেপ নেই।’



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST