November 6, 2026, 5:42 am
শিরোনামঃ
সরকারি আবাসিক ভবন থেকে ময়লা ফেললে কঠোর ব্যবস্থা: অর্থ মন্ত্রণালয় এসআরবির মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ২ দিনব্যাপী সোলার এক্সপোর উদ্বোধন করেছেন টেকনাফের বাহারছড়ায় নির্বিচারে ঝিনুক উত্তোলন ও পাহাড় কাটা: হুমকির মুখে উপকূলীয় ঝাউবাগান, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাভার্ড ভ্যান থেকে ১৫ লাখ টাকার মালামাল চুরির ঘটনায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার তেজগাঁওয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার টঙ্গী বিসিক এলাকায় মোড়ে মোড়ে বিএনপির অবস্থান, সতর্ক প্রহরায় শৃঙ্খলা বাহিনী সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে দুই শতাধিক সাংবাদিকের মানববন্ধন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়ার বরখাস্তের আদেশ বাতিল

Reporter Name

প্রথম বাংলা:প্রায় সাড়ে ১৬ বছর আগের বরখাস্তের আদে শ বাতিল করে তাকে সরকারি চাকরির সব সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।পুলিশের আলোচিত কর্মকর্তা মো. কোহিনূ র মিয়ার বরখাস্তের আদেশ বাতিল করেছে সরকার; যিনি দেড় যুগ আগে রাজধানী ঢাকায় এডিসি ও ময়মনসিংহে পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে বিভিন্ন ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।

সোমবার প্রায় সাড়ে ১৬ বছর আগের বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে তাকে সরকারি চাকরির সব সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

এ আদেশের ফলে পুলিশে তিনি চাকরি ফিরে পেলেন’ বর খাস্ত বাতিলের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞা পনে বলা হয়েছে।

বিসিএস ১২ ব্যাচের এ পুলিশ কর্মকর্তার বরখাস্তকালীন সময়কে ‘চাকরিকাল’ হিসেবে গণ্য করে তাকে প্রাপ্য বকেয়া বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে।

এদিন মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কো হিনূর মিয়ার ‘বরখাস্তকরণের’ গুরুদণ্ডাদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন রাষ্ট্রপতি মঞ্জুর করেছেন।

এ কর্মকর্তা সর্বশেষ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

২০০৯ সালের ৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

এরপর ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) থাকা অবস্থায় একটি জোড়া খুনের ঘটনার মামলায় তাকে আসামি করা হয়।

ওই মামলার বিবরণে বলা হয়, ময়মনসিংহের নান্দাইলে ২০০৪ সালের ৫ মে আচারগাঁও হাইস্কুল কেন্দ্রে পৌর নির্বাচনে ভোট চলাকালে দুপক্ষের সংর্ঘষে গুলিতে সুজন ও আবু তাহের নামে দুজনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে তখন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে নান্দাইল থানায় মামলা দায়ের করে। পরে তদন্ত শেষে আসামি শনাক্ত না হওয়ায় তিনবার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।

এরপর ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া আদালতে পুনরায় একটি মামলা করেন।

এতে নান্দাইলের সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরী ও পৌর মেয়র আব্দুস ছাত্তার ভূঁইয়া উজ্জ্বলের সঙ্গে তৎকালীন পুলিশ সুপার কোহিনূর মিয়াসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়।

পরে আদালতের নির্দেশে নান্দাইল থানা পুলিশ মামলাটি পুনরায় তদন্ত করে ওই বছরই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া নারাজি দিয়ে ২০০৮ সালে জেলা জজ আদালতে একটি রিভিশন আবেদন দায়ের করেন। পরে আদালত মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

সিআইডি ২০১১ সালে এসপি কোহিনূর মিয়া ও নান্দাইল পৌরসভার মেয়র আব্দুস ছাত্তারের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

ওই মামলায় দীর্ঘ ২০ বছর ৬ মাস পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর কোহিনূর মিয়া ও সাবেক পৌর মেয়র আব্দুস ছাত্তারকে খালাস দিয়ে রায় দেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাবরিনা আলী।

এতে করে সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে করা তার বিরুদ্ধের সব ফৌজদারী মামলা থেকে তিনি খালাস পান।

এ বিষয়টি তুলে ধরে তার বরখাস্তের আদেশ বাতিলের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোহিনূর মিয়ার বিরুদ্ধে রুজু করা দুটি বিভাগীয় মামলায় তাকে ‘চাকরি হতে বরখাস্তকরণ’ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। যে দুটি অভিযোগে বিভাগীয় মামলা হয়েছিল সেই একই অভিযোগে দায়ের করা দুটি ফৌজদারী মামলায় আদালত তাকে নির্দোষ গণ্য করে দায় থেকে খালাস দিয়েছে।

“তার গুরুদণ্ডাদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন মহামান্য রাষ্ট্র পতি কর্তৃক মঞ্জুরের পর আরোপিত ‘চাকরি হতে বরখাস্তক রণ’ গুরুদণ্ডাদেশটি বাতিল করা হল।
ছবি, সংগৃহীত



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST