অবহেলিত ও উপেক্ষিত এই ইউনিয়ন পরিষদকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে ব্যাপক জল্পনা ও কল্পনা’দীর্ঘদিন থেকে জনগনের ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান থাকা সত্ত্বেও চেয়ারম্যান শুন্য অব স্থায় ছিলো পরিষদটি যে কোন সেবা পেতে বর্তমান চেয়ারম্যান ছালাহউদ্দিন মানিকের বাড়ী যেতে হয় ইউনিয়নবাসীকে।যা ইউনিয়ন পরিষদ হতে অনেক দুর চেয়ারম্যানের বাগানবাড়িতে না গেলে সেবা মিলে না।
এতে করে অনেক হয়রানি ও ঘুরপাকের স্বীকার হতে হয় জন সাধারণকে।দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘবে সাধারণ জনগন তাদের পছন্দের যোগ্য প্রার্থীকেই বেছে নিতে চান আগামী ইউপি নির্বাচনে।
এদিকে ব্যাপক জল্পনা ও কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জনগনের পাসে দাঁড়াতে চান জন প্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তি ওই এলাকার জনসাধারণ এর সুখ দুঃখের সাথী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী আবুল কাসেম।
ইতোমধ্যে তিনি সবার সাথে কুশল বিনিময় করে জন সাধারনের মাঝে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। এলাকার জনসাধারণ এর মুখে চেয়ারম্যান হিসাবে আলোচনার শীর্ষে এখন হাজী আবুল কাসেম এর নাম শোনা যায়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদ্যে অত্যন্ত নিট এন ক্লিন ইমেজ এর ব্যাক্তি হওয়ায় । গোটা ইউনিয়ন এর চা দোকান থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি পাড়া মহল্লায় তার ব্যাপক আলোচনা শুনা যাচ্ছে।
এলাকার জনসাধারণ এর সুখ দুঃখের সাথী হিসেবে বিগত দিনে সব সময় জনগনের পাশে ছিলেন হাজী আবুল কাসেম।
তাই আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন এ দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয়। তাহলে অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য এলাকার উন্নয়ন এর জন্য কাজ করে যাবেন বলে মতামত ব্যাক্ত করেন হাজী আবুল কাসেম।
সচেতন মহল মনে করছেন হাজী আবুল কাসেম যদি চেয়ারম্যান হন তাহলে তাঁরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবেন। জনগনের সেবা নিশ্চিত করার পাসাপাসি সব সময় যাকে কাছে পাবেন তাকেই ইউনিয়নবাসী ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
হাজী আবুল কাসেম গন মাধ্যম কে জানান আমার এলাকার জনসাধারণ যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন। আমার নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ভাই যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি জনগনের পাশে থাকার জন্য আমরন আমি এলাকাবাসীর পাশে থাকবো।