November 6, 2026, 1:15 am
শিরোনামঃ
সরকারি আবাসিক ভবন থেকে ময়লা ফেললে কঠোর ব্যবস্থা: অর্থ মন্ত্রণালয় এসআরবির মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ২ দিনব্যাপী সোলার এক্সপোর উদ্বোধন করেছেন টেকনাফের বাহারছড়ায় নির্বিচারে ঝিনুক উত্তোলন ও পাহাড় কাটা: হুমকির মুখে উপকূলীয় ঝাউবাগান, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাভার্ড ভ্যান থেকে ১৫ লাখ টাকার মালামাল চুরির ঘটনায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার তেজগাঁওয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার টঙ্গী বিসিক এলাকায় মোড়ে মোড়ে বিএনপির অবস্থান, সতর্ক প্রহরায় শৃঙ্খলা বাহিনী সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে দুই শতাধিক সাংবাদিকের মানববন্ধন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

*পাকিস্তানি কনফেডারেশনের ষড়যন্ত্র,বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি নতুন হুমকি*

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদন:

বাংলাদেশ আজ নতুন এক ষড়যন্ত্রের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও পাকিস্তানি চিন্তাধারা থেকে প্রেরণা নেওয়া গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন আনার প্রস্তাব, যা এসেছে পাকিস্তানের পক্ষ থেকেই।

এই প্রস্তাবের আড়ালে আসল উদ্দেশ্য হলো বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, হেফাজত ও অন্যান্য মৌলবাদী গোষ্ঠীকে সংসদে প্রবেশ করানো এবং তাদের মাধ্যমে নতুন এক সাংবিধানিক নীলনকশা বাস্তবায়ন করা।

*কনফেডারেশনের গোপন পরিকল্পনা*

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানপন্থী চক্র বাংলাদেশকে একটি কনফেডারেশনের আওতায় আনার ষড়যন্ত্র করছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করতে তারা সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে

বাংলাদেশকে পাকিস্তানের অঙ্গরাজ্য বা প্রদেশে পরিণত করার প্রচেষ্টা চলছে।

দেশের নাম পরিবর্তন করে রাখা হবে “পশ্চিম পাকিস্তান”।

পাকিস্তান ও বাংলাদেশ একত্রিত হয়ে ভারতের কয়েকটি রাজ্য দখল বা বিচ্ছিন্ন করার স্বপ্ন তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এই আলোচনা ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তরুণদের বোঝানো হচ্ছে “বাংলাদেশ একা টিকতে পারবে না, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হলেই মুসলিম বিশ্ব শক্তিশালী হবে।”

*বিএনপি–জামাত ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর লক্ষ্য*

বিএনপি ও তাদের সহযোগী জামাত সবসময় পাকিস্তানি রাজনীতির ধারক-বাহক ছিল। এখন তারা পিআর পদ্ধতির সুযোগ নিয়ে সংসদে ঢুকে সংবিধান পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে চরমোনাই, হেফাজতসহ আরও কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠী। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের ওপর পাকিস্তানি ধাঁচের রাষ্ট্রব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া।

*জনগণের জন্য অশনিসংকেত*

যদি এই ষড়যন্ত্র সফল হয়, তবে বাংলাদেশের সামনে ভয়ংকর বিপদ নেমে আসবে

আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয় বিলুপ্ত হবে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে ফেলে পাকিস্তানি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চাপিয়ে দেওয়া হবে।

দেশটি পরিণত হবে একটি যুদ্ধমুখী রাষ্ট্রে, যেখানে তরুণদের ভারতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঠেলে দেওয়া হবে।

এমন পরিস্থিতিতে শুধু গণতন্ত্র নয়, বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্বও চরম হুমকির মুখে পড়বে।

*সতর্কতার সময় এখনই*

বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে লাখো প্রাণের বিনিময়ে, মুক্তিযুদ্ধের অসীম ত্যাগের মধ্য দিয়ে। আজ যদি আমরা উদাসীন হই, তবে সেই অর্জন বিলীন হয়ে যেতে পারে। এজন্য প্রয়োজন

জনগণকে সত্য জানানো, যাতে তারা ষড়যন্ত্রকারীদের চিনতে পারে।

তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার থেকে রক্ষা করা।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করা।

আজ আমাদের সামনে দুটি পথ হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পরিচয় ধরে রাখা, নয়তো ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে দেশকে আবারও পাকিস্তানি শাসনের অঙ্গীকারে সমর্পণ করা।

ইসলামী দলগুলোকে ড. আলী রিয়াজ পিআর পদ্ধতির দাবিতে মাঠে নামতে বলেছেন।
আর ড. ইউনুস ও সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান বিএনপিকে নিশ্চিত করেছেন, “পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে বিএনপিই সরকার গঠন করবে।”



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST