নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান”
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনের বিরুদ্ধে কর্মকান্ড দায়-দায়িত্ব থেকে বহিষ্কারের আদেশ তন্নি খানম সিকদার প্রতিষ্ঠাতা তার চেয়ারম্যান অব্যাহতি প্রাপ্ত বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লীগ।
বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লীগের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ বজায় রেখে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্য আপনাকে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়েছিল।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখে সহিত লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে আপনি বেশ কিছুদিন ধরে সংগঠনের নীতি ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী বিভিন্ন কর্মকান্ড লিপ্ত রয়েছেন বিশেষ করে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন না করে তাদের সাথে অবমাননা ও বিভ্রান্তিকর আচরণ পরিদর্শন করেন।
একচ্ছএ ক্ষমতার অপব্যবহার চেষ্টা এবং একক চিন্তা ছাপিয়ে দেওয়া প্রচেষ্টা করা সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে বিভিন্ন বিন্যাস কর তথ্য প্রচার চালানো হয়।
এতে কর্মকাণ্ড সংগঠনের শৃঙ্খলা ও আদর্শ পরিপন্থি মূল প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তৃণমূল নেতাকর্মীদের অধিকার রক্ষা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা সর্বজনীন ক্রমে ওনাকে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পদেসহ সংগঠনের সর্বস্তরের প্রাথমিক সদস্যের পদ থেকে অবগতি ও পরিষ্কার করা হলো
আজ রোজ সোমবার ১/১১/২০২৬ ২০২৬ ইংরেজি সংগঠনের নামে কোন কার্যক্রম ও বিতর্কিত বা ক্ষমতা করার কোন বৈধতা অধিকার আপনার থাকবে না।
এ সময় আনোয়ার হোসেন দেশবাসীর উদ্দেশ্য আরো সচ্ছল হওয়ার উদ্দেশ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবনতি বাংলাদেশ বিশৃঙ্খলা চলতেছে বর্তমান বাজারে সকল পণ্যের দাম বাড়তি থাকে দ্বিগুণ সাধারণ জনগণ যে পরিশ্রম করে সে পরিশ্রমের বেতন মজুরি পাচ্ছে না বিধে রাজপথে নেমেছে।বাংলাদেশ একটি অস্থিরতা দেশ পরিণতি হয়ে পড়েছে তাই আমরা ফলে সাধারণ শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে উন্নয়নের ছেলের দিকে নিয়ে যেতে পারি আসছে আগামী ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের আসবে সাধারণ জনগণের আস্থা উন্নয়নশীল করবে।
অধিকার আদায়ের দাবিতে রাজপথে নেমে আসা এক সাধারণ যুবকের চরম অসহায়ত্ব
এবং পুলিশের লাঠিপেটার দৃশ্যটি তুলে ধরে হৃদয়স্পর্শী ও আবেগঘন ভাষায় একটি পোস্ট নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো।
এটি আপনি আপনার ফেসবুক প্রোফাইল বা পেজে ব্যবহার করতে পারেন:রাজপথ কি আজ শুধু কান্নার আর আর্তনাদের জায়গা?
ভিডিওটার দিকে তাকালেই বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে। অধিকার আদায়ের মিছিলে শামিল হওয়া এই তরুণটি আজ পুলিশি বেষ্টনীতে বন্দি। নির্দয় লাঠির আঘাত যখন তার পিঠে আর পায়ে নেমে আসছে, তখন বাঁচার আকুতিতে তার মুখ থেকে বেরিয়ে আসছে একটাই ডাক—”আব্বা… ও আব্বা, আমাকে মেরেন না!”
একজন পূর্ণবয়স্ক যুবক যখন চরম বিপদে পড়ে দেশের আইনরক্ষক বাহিনীকে ‘আব্বা’ ডেকে নিজের জীবন ভিক্ষা চায়, তখন বুঝতে হবে তার ভেতরের আত্মসম্মান, ভয় আর আর্তনাদ কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে।
সে হয়তো ভুলে গিয়েছিল পোশাকের রঙ আর ক্ষমতার মাপকাঠি; তার অবচেতন মন তখন একজন পিতাকে খুঁজছিল—যে বাবার স্নেহের আঁচলে নিজেকে নিরাপদ করতে চায়।
কিন্তু হায়! সেই আকুল আর্তনাদও মন গলাতে পারেনি। পৈশাচিক উল্লাসে চলা লাঠির আঘাত থামেনি এক মুহূর্তের জন্যও।
ওই মুহূর্তে ছেলেটির জায়গায় যদি আমাদের নিজেদের কেউ থাকত? যদি আমাদের নিজের ভাই বা সন্তান এভাবে বুকফাটে কান্নায় পুলিশকে জড়িয়ে ধরে বলত—”বাবা ক্ষমা করে দাও, আর আসব না”—তখন কি আমাদের বুক ফেটে কান্না আসত না?
একজন মানুষ তখনই রাজপথে নামে, যখন তার দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। পেটে খিদে, বুকে বঞ্চনা আর ভবিষ্যৎ হারানোর ভয়ে তারা যখন স্লোগান তোলে, সেই কণ্ঠগুলোকে এভাবে স্তব্ধ করে দেওয়া কি খুব জরুরি ছিল?
ভিডিওটা বারবার সামনে আসছে, আর বুকটা ভারী হয়ে যাচ্ছে। একটু দেখুন, মানুষ হিসেবে একটু ভাবুন। আজ ক্ষমতার দাপটে আমরা হয়তো পাথর হয়ে গেছি, কিন্তু আমাদের চোখের সামনে হারিয়ে যাওয়া এই তরুণের চোখের পানি কি আমাদের বিবেককে এক মুহূর্তের জন্যও নাড়া দেয় না?
আজ সে একা মার খাচ্ছে, কাল হয়তো আমাদেরই কেউ থাকবে এই জায়গায়। আসুন, এই অমানবিকতার বিরুদ্ধে অন্তত অন্তরের মায়াটুকু বাঁচিয়ে রাখি। মানুষ মানুষের ওপর এই নিষ্ঠুরতা বন্ধ হোক।
আদেশক্রমে”
মো” আনোয়ার হোসেন”
মূল প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি’
বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লীগ