নিজস্ব প্রতিবেদন:
লক্ষীপুরে আজ সন্ধ্যা পরে চন্দ্রগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে মাদ্রাসা মার্কেট,কামারহাট এলাকায় মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ইভটিজিং,জুয়া, সহ বিভিন্ন অপরাধ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন অপরাধীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ার করেন।
এ সময় ” চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসের ইনচার্জ আব্দুর রব সাহেব জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন আপনারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করেন গ্রাম ইউনিয়ন উন্নয়ন করা সম্ভব। কোন মাদক থাকবে না যারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত যারা সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি অস্ত্র কারবারীর সাথে লিপ্ত আছে তাদেরকে তালিকা আমাদের কাছে পেশ করুণ।
অপরাধী চক্রকে ধরিয়ে দিন সাধারণ জনগণ শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন।মাদক নির্মাণ করব আপনারা যদি সহযোগিতা করেন।যারা মাদক সম্রাট তাদের তথ্য দিন অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
অপরাধী যত বড় ক্ষমতাশীল ব্যক্তি হোক না কেন”দলের নামে মাদক সাথে জড়িত থাকবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলার আনার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সর্ব সময় কাজ করে যাবেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার অধীনে সবগুলো ইউনিয়ন,গ্রামে অঞ্চলে সকল জায়গায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
মোঃ আঃ রব সাহেব” অফিসার মাদক বিরুদ্ধে অভিযান বিষয় এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আজকে সন্ধ্যার পরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং অফিসার মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অনুযায়ী আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাব।
এলাকাবাসীর পক্ষে ওসি স্যারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো সাংবাদিকদের মাধ্যমে আরও একটি কথা বলতে চাই আপনারা সোশ্যাল মিডিয়াতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পেপার পত্রিকায় লিখতেন তাহলে সন্ত্রাসীরা কখনো সাহস করতে না।
মাদকের সাথে জড়িত এদের অনেক বড় টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া রুপসা থেকে পাতুরিয়া মাদকের সম্রাট বিরুদ্ধে কথা বলে হুমকি মুখে পড়তে হয় দেশবাসীর কাছে দোয়া চাচ্ছি আমরা চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এর সভা থেকে শপথ গ্রহণ করেছি।ইনশাআল্লাহ গ্রামবাসী প্রতিশ্রুতি দিয়েছি আমরা মাদকসহ সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে যাব।
দিঘলী ইউনিয়ন ইয়াবা চালান কক্সবাজার থেকে আসে’ বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের?অত্যাচারের গ্রামবাসী জিম্বি।
” কুশাখালি ইউনিয়ন ছিলাদি গ্রামে মাদকের সম্রাট চুরি সন্ত্রাসী ডাকাতি চোরাকান্দি নামকরা আলোচিত এলাকা।
চরশাহী ইউনিয়ন ক্ষমতাসীন বিএনপির নামধারী কিছু সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি মাদকের সম্রাট হিসেবে আলোচিত মাদকের সিন্ডিকেটের সাথে সকল অপরাধীদের লিপ্ত।
কারণ এর পাশে নোয়াখালী যেকোনো অবৈধ অস্ত্র মাদক সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চলাচল করা সহজ হয়।