August 18, 2026, 11:39 am
শিরোনামঃ
টাংগাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ এর উদ্বোধন ঢাকা বিভাগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভাসমূহ সফলভাবে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করণে কঠোর অবস্থান: রেঞ্জের ডিআইজি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা নরসিংদী শিবপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে এমপি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এর মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দরখাস্ত লেখার জ্ঞান না থাকলেও সাংবাদিকরা জনপ্রতিনিধি বানাতে মরিয়া অপরাধমুক্ত রাজশাহী গড়তে মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স: আরএমপি কমিশনার গাজীপুরে জঙ্গলে মিলল ১২ ঘোড়ার কাটা মাথা ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৪ জন গ্রেফতার, মামলা ৫২ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য ও অসাধারণে অতিষ্ঠ সেবাগ্রহীতারা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

টাংগাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিনিধি : টাংগাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ( ভার প্রাপ্ত) মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভুঞা এর বিরুদ্ধে ধান-চাল সংগ্রহকে কেন্দ্র করে ব্যাপক কমিশন বাণিজ্য, গুদাম কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় এবং অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, চলমান বোরো মৌসুমে টাংগাইলে অবস্থান ধরে রাখতে তদবির ও ঘুষের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন মহলকে প্রভাবিত করেছেন তিনি।

খাদ্য বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি যোগদান করার পর বোরো ও আমন মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহ, মিলে ছাঁটাই এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, চাল সংগ্রহে প্রতি টনে ৩০০ টাকা, ধান সংগ্রহে প্রতি টনে ২০০ টাকা এবং মিলে ছাঁটাই বাবদ প্রতি টনে ৫০০ টাকা করে আদায় করা হয়। প্রতি বোরো মৌসুমে জেলায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হয়। শুধু চাল সংগ্রহ থেকেই কমিশন বাবদ প্রায় সোয়া কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ধান সংগ্রহ ও বোরো, আমন মৌসুমের সংগ্রহ কার্যক্রম মিলিয়ে বছরে দুই কোটিরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

খাদ্য বিভাগের একটি সুত্রে জানা যায় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে পোস্টিং পেতে কোটি টাকা ও গুদাম ইনচার্জ পদে বড় এলএসডিতে ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়। বিগত সময় অনেক গুদাম কর্মকর্তার দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রকাশ পাওয়ায় বরখাস্ত ও সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন ডিসি ফুড ও এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( খাদ্য পরিদর্শক এর রাজধানীর উওরা, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, গাজীপুর ও মিরপুর এলাকায় রয়েছে আলিশান ফ্ল্যাট ও বাড়ী। নামে বেনামে সহায় সম্পদ, ব্যাংক ব্যালেস্হ।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন গুদাম কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা করে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা যায় চলতি বোরো চাউল সংগ্রহ অভিযানে জেলার ধনবাড়ি, ঘাটাইল, কালিহাতি, সদর এল এসডিতে ভাঙ্গা দানা মিশ্রিত নিম্ন মানের চাউল ক্রয় করে গুদাম কর্মকর্তারা। জেলা খাদ্য জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোটা অংকের কমিশন নিয়ে কোন ব্যবস্হা নিচ্ছেন না। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে রয়েছে আরও অনিয়ম ও দুর্নীতি।
এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্র মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভুঞার মতামত জানতে একাধিক বার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি। হোয়াইট অ্যাপ এ মেসেজ পাঠিয়েও মতামত জানা যায়নি।

অপরদিকে কিশোরগঞ্জ জেলায় চলতি বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহ অভিযানে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এর বিরুদ্ধে কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্যে”র অভিযোগ উঠেছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST