July 29, 2026, 1:26 pm
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ী মেরিরহাটে নির্মাণাধীন মসজিদের জমির ত্রিমুখী মালিকানা দাবি, অনুসন্ধানে যা জানা গেল পুলিশসহ সরকারি কর্মকর্তাদের নামে প্রতারণার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন : পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স চন্দ্রগঞ্জ থানা মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান: একাধিক স্থানে তল্লাশি, মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার’ ও গ্রেফতার লক্ষ্মীপুরে চাঁদা দাবির জেরে হোটেল কর্মচারীর ওপর হামলার অভিযোগ নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানবিক সহায়তা করলেন অসহায় বিধবা মিলন রাণী দাসকে সারজিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহ নিয়ে চলছে তুঘলকি কান্ড সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ টম ক্রুজের পদবি বাদ দিলেন মেয়ে সুরি, মায়ের মধ্যনাম ‘নোয়েল’ এখন তার শেষ নাম
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

নেত্রকোণা সদর থানায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে অমানবিক নির্যাতন: চোখ বাঁধা অবস্থায় ঝুলিয়ে রেখে স্ত্রীকে ডেকে দেখানোর অভিযোগ

Reporter Name

নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আপেল মাহমুদকে অবৈধভাবে গ্রেফতারের পর নেত্রকোণা সদর থানায় রিমান্ডে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভয়াবহতা এখানেই শেষ নয়; নির্যাতনে জড়িত পুলিশ সদস্যরা আপেল মাহমুদের স্ত্রীকে বারবার ফোন করে ডেকে নিয়ে সেই বর্বর দৃশ্য দেখতে বাধ্য করেছেন বলেও দাবি করেছেন তার পরিবার।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আপেল মাহমুদকে গ্রেফতারের পর তাকে নেত্রকোণা সদর থানায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়।

স্ত্রীর জবানবন্দি: খেয়া পার হয়ে দেখলাম স্বামী ঝুলছে

আপেল মাহমুদের স্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, স্বামীকে গ্রেফতারের পর থেকেই তাকে বারবার থানায় ডেকে পাঠানো হচ্ছিল। কেন তাকে ডাকা হচ্ছে, প্রথমে তা তিনি বুঝতে পারেননি।

আপেল মাহমুদের স্ত্রী বলেন, “আমি বাধ্য হয়ে শিশু বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে খেয়া পার হয়ে কোনোমতে থানায় পৌঁছাই। কিন্তু থানায় গিয়ে যে দৃশ্য দেখলাম, তা কোনোদিন ভুলতে পারব না।”

তিনি অভিযোগ করেন, থানায় প্রবেশ করে তিনি দেখতে পান— তার স্বামী আপেল মাহমুদকে চোখ বাঁধা অবস্থায় শূন্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। সেখানে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করছে। এই অমানবিক দৃশ্য শিশু সন্তানসহ তাকে দেখতে বাধ্য করা হয়।

স্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে অবৈধভাবে গ্রেফতার করা হতে পারে, কিন্তু এভাবে একজন মানুষকে নির্যাতনের পর তার স্ত্রী-সন্তানকে ডেকে এনে সেই দৃশ্য দেখানোর অধিকার কোনো পুলিশ সদস্যের থাকতে পারে না। এটি চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন।”

অভিযুক্ত এসআই এর পরিচয় প্রকাশ

আপেল মাহমুদের স্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এই বর্বর নির্যাতনের ঘটনায় নেত্রকোণা সদর থানার এসআই (সাব-ইন্সপেক্টর) মোঃ ফজলুল করিম সরাসরি জড়িত ছিলেন। তিনি অভিযুক্ত কর্মকর্তার ব্যাচ নম্বরও প্রকাশ করেছেন: বিপি- ৮৮০৬১১২৪৫২।

নির্যাতনের কারণে আপেল মাহমুদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে পরিবার। তার স্ত্রী অবিলম্বে অভিযুক্ত এসআই ফজলুল করিমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ও আইনগত কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া আপেল মাহমুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর আবেদন জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নেত্রকোণা সদর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কোনো মন্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

#JusticeForApelMahmud
#PoliceBrutality
#CustodialTorture
#HumanRightsViolation
#NetrokonaPolice



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST