April 30, 2026, 8:46 am
শিরোনামঃ
ডিবির পৃথক অভিযানে ৮ কেজি হেরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল ও ২৫৫ কেজি গাঁজাসহ ছয়জন গ্রেফতার সত্য কখনো চাপা থাকে না”শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর প্রতারণার শিকার আমরা নারী কাবাডির উন্নয়নে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেব : আইজিপি ময়মনসিংহে স্কুল নারী শিক্ষার্থীদের অশীল ইভটিজিং করা সেই যুবককে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মিরপুরে নকশাবহির্ভূত বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ, অফিসার এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ মদন উপজেলা পিআইও’র বিরুদ্ধে প্রকল্পের মাটি ভরাটের টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে বেলারুশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ অধিবেশন চলাকালে অসুস্থ হওয়া বিরোধী দলীয় এমপি’র খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিআইডি কর্তৃক ক্রিপ্টোকারেন্সি পুনরুদ্ধারঃ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

পাকিস্তানি চেতনার পুনরুত্থান,বীর মুক্তিযোদ্ধা অবমাননা আর্মি-বিজিবি-পুলিশ অপমান৭১’র পরাজিত শক্তির প্রতিশোধের রূপ

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদন———

আর্মির সামনে মব, বিজিবিকে ‘ভুয়া’ বলে হেয় করা, পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া এটা কি ৭১’পাকিস্তানের প্রতিশোধের অংশ?

বাংলাদেশ কোনো সাধারণ রাষ্ট্র নয়; এটি রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধের ফসল। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনারা এই মাটিতে যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তার লক্ষ্য ছিল কেবল ভূখণ্ড দখল নয় বরং বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়, মর্যাদা ও স্বাধীন চেতনা ধ্বংস করা। কিন্তু সেদিন বীর মুক্তিযোদ্ধারা বুকের তাজা রক্তে সেই ষড়যন্ত্র ভণ্ডুল করে দিয়েছিল। ইতিহাস সাক্ষী পাকিস্তানি সেনারা পরাজিত হলেও তাদের মানসিক প্রতিশোধ কখনো শেষ হয়নি।

আজকের বাংলাদেশে সেই প্রতিশোধের ছায়া আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আমরা দেখছি

সেনাবাহিনীর সামনে মব তৈরি করে দাঁড়ানো,

বিজিবির মতো সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে প্রকাশ্যে ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে হেয় করা,

পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া,

এমনকি নৌবাহিনীর সদস্যদের কান ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা

এসব কেবল রাজনৈতিক বিরোধ নয় এগুলো সরাসরি রাষ্ট্রবিরোধী অপমান। এর অন্তরালে আছে একটি ভয়াবহ বার্তা: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ও রাষ্ট্রের সুরক্ষাবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া।

পাকিস্তানি প্রতিশোধের ধারাবাহিকতা

এটা কি নিছক রাজনীতির অংশ? একেবারেই নয়। এর গভীরে আছে পাকিস্তানি চেতনার পুনরুত্থান ১৯৭১-এর হারানো শক্তিকে ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করে, সেনা-বাহিনীকে হেয় করে, তারা আসলে সেই

পরাজিত শক্তির বংশধর, তাদের লক্ষ্য

মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ধ্বংস করা,

নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করা,
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনীকে দুর্বল করা,

আর বাংলাদেশকে আবারও একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করা।

 

রাষ্ট্রকাঠামোর ওপর আক্রমণ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অপমান করা মানে গোটা রাষ্ট্রকাঠামোকে দুর্বল করা। পাকিস্তানপন্থী অপশক্তি জানে—যদি বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করা যায়, তবে রাষ্ট্র ভেঙে পড়বে। তাই তারা মিথ্যা প্রচার, বিভ্রান্তি ও অরাজকতার মাধ্যমে সেনা, পুলিশ ও বিজিবিকে টার্গেট করছে।

কিন্তু মনে রাখতে হবে এই বাহিনী কোনো দলের নয়; এরা মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকার রক্ষাকারী। বাহিনীকে দুর্বল করার অর্থ হলো স্বাধীন বাংলাদেশকে দুর্বল করা।

জাতির করণীয়

আজ সময় এসেছে জাতিকে নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষা করতে হবে।

রাষ্ট্রের সেনা, পুলিশ ও বিজিবিকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

পাকিস্তানি প্রতিশোধের উত্তরসূরিদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।

স্বাধীনতার শত্রুরা যতবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠুক না কেন, জাতিকে মনে রাখতে হবে ১৯৭১-এর মতো এবারও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ঐক্যই তাদের পরাজিত করবে।

বাংলাদেশের অস্তিত্ব আর মর্যাদা রক্ষার একমাত্র উপায় হলো মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর শক্তিকে অক্ষুণ্ণ রাখা। যারা এই মর্যাদাকে ভাঙতে চায়, তাদের পরিণতিও হবে ১৯৭১-এর পাকিস্তানি হানাদারদের মতোই চরম পরাজয়।
ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরাজিত শত্রুর দোসরদের প্রতিহত করাই হবে জাতির প্রধান দায়িত্ব।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST