স্টাফ রিপোর্টার:
নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার সকল শ্রেনীর মানুষের কাছে সেই- ২০১৬ থেকে এখন ২০২৫- পযন্ত মানবসেবায় রাজিবুল ইসলাম রাজিব একটি পরিচিত নাম। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার রয়েছে আলাদা আলাদা অবদান ও স্বীকৃতি।
এলাকা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের দরিদ্র -অসহায়,নির্যাতিত/নিপিড়ীত মানুষের কাছে রাজিবুল এক পরিচ ত নাম। স্রোতের বিপরীতে গিয়ে রাজিবুল জনগণের আদায়ের জন্য প্রতিটি জায়গায় অনিয়ম-দূর্নীতির বিরুদ্ধে সৎসাহস নিয়ে প্রতিনিয়ত প্রতিবাদ করতে দেখা যায় জনস্বার্থে। যার ফলে নেত্রকোনা জেলা জুড়ে তার নাম ছড়িয়ে আছে।
সে সামর্থ্য অনুযায়ী ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ মনে করে, গরীব দুঃখীদের পাশে গরমে ফ্যান, শীতে কম্বল বা বিভিন্ন পোশাক, কাউকে টিন দেওয়া, কোন গৃহহীনকে উদ্যোগ নিয়ে ঘর করে দেওয়া, কাউকে টয়লেট করে দেওয়া, অনাহারীর বাড়িতে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া, কোন দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পরিক্ষার ফরম ফিলাপ করে দেওয়া, কোন অসহায় অসুস্থকে চিকিৎসা করানো, গ্রামের মাটির রাস্তা সংস্কার করা সেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে, শিশু ও যুবসমাজের মধ্যে খেলাধুলার আয়োজন সরঞ্জাম দেওয়া, এছাড়া জনকল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম সে প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। তার Rajibul Islam Rajib নামে ফেইসবুক টাইমলাইন যেন মানবতার সেবার শোপিস।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যারা মানুষের পাশে আস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তারাই মানবতার কারিগর। সমাজের ঝামেলাহীন মানুষের সাথে এখনো কিছু মানুষ আছে যারা জীবন বলতে বোঝে শুধু নিজের জন্য বেঁচে থাকা নয়, আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া। তাঁরা দাঁড়িয়ে আছে মানবতার প্রশ্নে। এমনই একটি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের মেঘশিমুল গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মানবতার কারিগর নামে পরিচিত রাজিবুল ইসলাম রাজিব। রাজিবুল মেঘশিমুল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও পূর্বধলা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ডিগ্রি পাশ করেন।
পূর্বধলা উপজেলার অনেকের সাথে কথা বলে জানতে পারি তারা বলেন, দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এই রাজিবুল ইসলাম রাজিব। দীর্ঘদিন ধরে তার কাজ আমরা দেখে আসছি। সে লোক দেখানোর বা সেলিব্রিটি হওয়ার এসব করেনি। করোনা মহামারীতে পুরো দেশ যখন লকডাউন দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষ যখন কর্মহীন তখন রাজিবুল তার বৃত্তির ৫০ হাজার টাকা পুরোটাই খাদ্য সামগ্রী কিনে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোঁছে দিয়ে আসছে। সেই সাথে করেছেন সামাজিক সচেতনতার কাজ।
এছাড়াও প্রতিনিয়ত সে বিভিন্ন ভাবে মানষের উপকার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রাজিবুল বিভিন্ন সময় অনিয়ম- দূর্নীতি বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে দরিদ্র-অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের অধিকার আদায় করে দিয়েছেন। রাজিবুলের মাধ্যমে এই উপজেলার হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হয়েছে। দল মত নির্বিশেষে সকলের তার কাজে প্রশংসা করে এবং তার কাজে সাপোর্ট করে। রাজিবুল অনেকেরই হয়তো চিনে না কিন্তু রাজিবুলের নামটা সবাই জানে। আমরা রাজিবুলের নামটাই একটা ব্রেন্ড মনে করি। রাজিবুলের মতো প্রতিবাদীরা দেশ ও জনগণের স্বার্থে অনিয়ম-দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে আমরা বাঁধা সৃষ্টি না করে যদি সমর্থন দিয়ে সহযোগিতা করি, তাহলে এই উপজেলায় অনিয়ম-দূর্নীতির হাড় অনেক কমে যেত। রাজিবুলের কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত বর্তমানে সমাজে রাজিবুল মতো ছেলে বড়োই প্রয়োজন।
রাজিবুলের সাথে কথা বলে জানতে পারি যে,তিনি বলেন আমা র নিঃস্বার্থ কর্মের মাধ্যমে যে ভালোবাসা সকলের কাছে অর্জন করেছি, সত্যিই সকল শ্রেণির মানুষের সেই ভালোবাসায় আজ আমি সিক্ত। আমার নিঃস্বার্থ ভাবে বিভিন্ন অন্যায় আর অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গুলো ছিল সকল শ্রেণির মানুষের পক্ষে এবং দরিদ্র অসহায় মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষে। আমার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের একমাত্র লক্ষ্য ছিল অন্য দের উৎসাহিত করা। আর আমার খেটে-খাওয়া সঠিক দরিদ্র/অসহায় মানুষের প্রতি সামর্থ্য অনুযায়ী একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল যেন অন্যরাও দেখে সঠিক দরিদ্র/অসহায় মানুষের মাজে তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারে।
তাই যদি মহান আল্লাহ তায়ালা তৌফিক দান করেন আর আপনা দের দোয়ায় বাঁচিয়ে রাখেন তাহলে সকল শ্রেণির মানুষের পাশে সেটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হোক আর মানবতার সেবায় এগিয়ে আসায় হোক আমি আগেও ছিলাম, এখনো আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো”-ইনশাআল্লাহ।