June 16, 2026, 12:25 pm
শিরোনামঃ
গৌরীপুরে খাল পুনঃখনন ও টিআর প্রকল্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন মোতাহার হোসেন লোকজ সাংস্কৃতিক রাজধানী এই প্রতিপাদ্যে কেন্দুয়া ‘লোকজ সাহিত্য আসর’ উদ্বোধন মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতি ও ধর্ষণ গ্রেপ্তার ৬ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চর্চার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে : ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খাগড়াছড়িতে আ.লীগ-ছাত্রলীগের হামলায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পনা প্রণয়নে সঠিক তথ্য-উপাত্তের বিকল্প নেই: বিভাগীয় কমিশনার দেশে বছরে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয়: খাদ্যমন্ত্রী ভুয়া তথ্যের জালে সমাজ, সচেতনতায় হতে পারে মুক্তি জী এমন মাহাফুজুর রহমানের নেতৃত্বে লোহাগাড়া উপজেলা ( ইউএনও)র সাথে সাক্ষাৎ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বাড্ডা থেকে ৪টি পিস্তল ও অস্ত্র তৈরীর বিপুল সরঞ্জামাদি সহ ৬ জন অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার র‌্যাব-১০

Reporter Name

প্রথম বাংলা – সাম্প্রতিক সময়ে র‌্যাব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা য়ী বেশ কিছুদিন যাবত অবৈধভাবে পিস্তলসহ বিভিন্ন অস্ত্র তৈরি করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলা কায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ,মাদক ব্যবসায়ী ওবিভি ন্ন নাশকতাকারীদের নিকট অর্থের বিনিময়ে অস্ত্র সরব রাহ করে আসছে। র‌্যাব উক্ত অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।

এরই ধারাবাহিকতায় ১১ মার্চ ২০২৪ খ্রিঃ তারিখে আনু মানিক রাত ২২:৫০ ঘটিকায় র‌্যাব-১০ এর একটি আভি যানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকার বাড্ডা থানাধীন উত্তর বাড্ডা এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী চক্রটির মূলহোতা অস্ত্র তৈরিকারী ১। মোঃ মোখলেছুর রহমান সাগর (৪২),পিতা-আব্দুল হাসেম, সাং-নবীনগ র মাধ্যপাড়া,থানা-নবীনগর,জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও তা র অস্ত্র তৈরির প্রধান সহযোগী ২। মোঃ তানভির আহ ম্মেদ (৩২),পিতা-একেএম ফজলুল হক, সাং-জগন্নাথ কাঠি,থানা-নেছারাবাদ,জেলা-পিরোজপুর’দের গ্রেফতা র করে।

গ্রেফতারকৃত মোখলেছুর ও তানভিরের দেওয়া তথ্যম তে র‌্যাব-১০ এর উক্ত আভিযানিক দল ১২/০৩/২০২৪ ইং তারিখ আনুমানিক ভোররাত ০২:৫০ ঘটিকায় রাজ ধানী ঢাকার বাড্ডা থানাধীন হাজী আব্দুল হামিদ রোড স্থ পূর্ব-পদরদিয়া এলাকায় অপর একটি অভিযান পরি চালনা করে উক্ত অবৈধ অস্ত্র তৈরি ও ব্যবসায়ী চক্রের অপর ০৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের নাম ৩। অনিক হাসান (২৮),পিতা-ইমাম মেহেদী,মাতা- চম্পা বেগম,৪। মোঃ আবু ইউসুফ সৈক ত (২৮),পিতা-মোঃ আবুল হোসেন,৫। রাজু হোসেন (৩৮),পিতা-মৃত মন্টু মিয়া ও ৬। মোঃ আমির হোসেন (৪০),পিতা-মোঃ চানঁমিয়া,সর্বসাং-দক্ষিন কৌড়ি খাড়া, থানা-নেছারাবাদ,জেলা-পিরোজপুর বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট থেকে ৪টি পিস্তল,৪ রাউন্ড কার্তু জ পিস ৭টি পিস্তলের কাঠের ফর্মা,১০টি ফায়ারিং ম্যা কানিজম,০৪টি ট্রিগার,০২টি পিস্তলের হ্যান্ডগ্রিপ,২টি ড্রিল বিট,৫টি রেত,৫০টি স্প্রিং,৪০টি পিস্তলের নাট ব ল্টু,২টি কম্পাস,৩টি গাজ,৪টি ক্লাম,২টি ড্রিল মেশিন, ০২টি বাইস,১টি বার্ণি স্কেল,১টি মুগুর,৪টি ক্লাম,২০টি হেস্কো ফ্রেম,২টি গোল্ড এলএস ফ্লাম,১টি টুল বক্স,১টি গ্যারেন্ডার মেশিন,১টি কাঠের যোগান,১টি হাতুরি,৪টি শিরিস কাগজ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত মোঃ মোখলেছুর রহমান সাগর উক্ত অবৈধ অস্ত্র তৈরি ও অস্ত্র ব্যবসায়ী চক্রটির মূলহোতা।সে পেশায় একজ ন ভাস্কর্য/মূর্তি তৈরির কারিগর। উক্ত ভাস্কর্য/মূর্তি তৈরি র দক্ষতার সুবাদে মোখলেছুর রহমান সাগর ভারতের কলকাতায় এবং আসামের শিলিগুঁড়িতে প্রায় ১২ বছর যাবৎ সেখানে ভাস্কর্য/মূর্তি তৈরির কারিগর হিসেবে কা জ করে আসছিল। পরবর্তীতে সেখানে সুকুমার নামক একজন অস্ত্র তৈরির কারিগরের সাথে তার পরিচয় হয় এবং ঐ ব্যক্তির কাছ থেকে মোখলেছুর রহমান সাগর অস্ত্র তৈরির দক্ষতা অর্জন করে। অতঃপর মোখলেছুর রহমান সাগর দেশে এসে অস্ত্র তৈরি করে স্বল্পদিনে কোটিপতি হওয়ার আশায় উক্ত অবৈধ অস্ত্র তৈরি করে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সরবরাহের পরিকল্পনা করে।

এরই অংশ হিসেবে প্রথমে সে তানভির,অনিক ও সৈক ত’দেরকে নিয়ে অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহের জন্য একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। গ্রেফতারকৃত তানভির পেশায় একজন লেজার সিএনসি ডিজাইনার।লেজার সিএনসি ডিজাইনার হওয়ায় সে যে কোন কিছু কম্পিউটারে ২ডি নকশা অনুযায়ী অত্যন্ত সূক্ষভাবে কাটিং করার দক্ষতা অর্জন করে। উক্ত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তানভির সাগরের দেয়া নকশা অনুযায়ী বিভিন্ন অস্ত্রের যন্ত্রাংশ তৈরির মাধ্যমে সাগরের অস্ত্র তৈরির প্রধান সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। সাগর ও তানভির অস্ত্র তৈরি করে সেগুলো অনিক ও সৈকতের নিকট হস্তান্তর করতো।

পরবর্তীতে অনিক ও সৈকত উক্ত অস্ত্র বিভিন্ন ক্রেতাদে র নিকট বিক্রি করতো।এক্ষেত্রে প্রত্রিটি পিস্তল/অস্ত্র ৩ ,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতো ।জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় তারা সবাই স্বল্পসময়ে অধিক অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে এই ব্যবসার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে।

গ্রেফতারকৃত আমির ও রাজু তাদের অন্যতম অস্ত্রের ক্রেতা।আমির ও রাজু উক্ত অস্ত্র ক্রয় করে বিভিন্ন সন্ত্রা সী,চাঁদাবাজ,মাদক ব্যবসায়ী ও বিভিন্ননাশকতাকারীদে র নিকট অধিক মূল্যে বিক্রি করতো বলে জানা যায়। তারা উভয়ই অস্ত্র ক্রয়ের উদ্দেশ্যে অনিক ও সৈকতের নিকট আসে এবং অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় করাকালীন হাতেনা তে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়।গ্রেফতারকৃত আসামী দের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST