আন্তর্জাতিক রিপোর্ট:
————————————————————
ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।আমেরিকার মিত্রদেশ ভারতের সেভেন সিস্টার ও চিকেন নেকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্নতার পাশাপাশি এঅঞ্চলের নিরাপত্তার ব্যাপারে চীন,পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ভূমিকা গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করছে।অতীতে সেভেন সিস্টারে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিকট অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে অঞ্চলটিকে বার বার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে।বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে দশ ট্রাক অস্ত্র সরবরাহের ঘটনাটি এমনই একটি ঘটনা।
এঘটনায় শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে যে মামলা হয় সেটিই দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা নামে বহুল আলোচিত।ভৌগলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মামলাটি ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুবই স্পর্শকাতর।মামলার আসামীদের ইউনুস সরকার একে একে খালাস করে দিয়েছে।মামলা থেকে খালাস পেলেও তারেক রহমান ও লুৎফজ্জামান বাবর উবয় আসামী ভারতের কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।ভারতের নিরাপত্তা প্রশ্নে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিকটও এই দুইজন ব্যক্তি বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে।যে কোনো সময় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারেক ও বাবরের গ্রেফতার ও পুনর্বিচার হবেই।
একারনেই তারেক বাবর দু’জনই ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারসনা নন গ্রাটা।ইউনুসের চরিত্র বিশ্লেষন করলে বোঝা যায় তিনি ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার জন্য স্টার লিঙ্ক,তিস্তা কুটনীতির মতো নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারত-মার্কিন বলয়ের সাথে দরকষাকষি ও আপোষরফার অংশ হিসাবে তারেক-বাবরকে ভারতের হাতে তুলে দিতে পারেন।এমনও হতে পারে তারেক-বাবর কে বাকি জীবনটা ভারতের কারাগারে নিরাপত্তা বন্দী হিসাবে কাটাতে হতে পারে!