April 21, 2026, 1:48 am
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলাধীন টুপামারী জিয়া পুকুর পাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ, ফেব্রুয়ারি-২০২৬ সংক্রান্তে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত বাকৃবিতে ছাত্রদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ জামালপুরে মেলান্দহে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ মন্জুরুল কবির মঞ্জ সিএনজি স্ট্যান্ডে চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ময়মনসিংহে শ্রমিক দলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ লক্ষীপুরে হাজী ফতেহ মোহম্মদীয় দাখিল মাদ্রাসা এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে মাদ্রাসা সুপার অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক ইকরাম হোসেনের পিতার মৃত্যুতে ডিআরইউ’র শোক দীর্ঘ ১৪ বছর পর যুবদলের কর্মী সম্মেলন হয় ১২ নং চরশাহী ইউনিয়নে নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, আলোচনায়
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

মুক্তাগাছায় পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে সেচ লাইসেন্স প্রদানের অভিযোগ

Reporter Name

প্রথম বাংলা – ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেডের অধীনে ২৭৪টি গভীর নলকূপ রয়েছে, যা উপজেলা সেচ কমিটির মাধ্যমে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়ে বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে চলতি মৌসুমে লাইসেন্সমুক্তাগাছায় পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

নবায়নের ক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে,তিনি বিভিন্ন অজুহাতে নলকূপ ম্যানেজারদে র কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে লাইসেন্স প্রদান করছেন। টাকা না দিলে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ১০টি সমবায় সমিতির গভীর নলকূপ ম্যানেজার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ও ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বিনা ঘুষে কোনো লাইসেন্স নবায়ন করছেন না। ৭হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে তিনি সেচ কমিটিতে সুপারিশ করেন। টাকা না দিলে নানা অজুহাতে লাইসেন্স প্রদান বিলম্বিত করেন। এতে সেচ কাজে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে দেরি হওয়ায় এবং কৃষি উৎপাদনের ব্যপক ক্ষতির সম্মুখিন হয় কৃষকরা।

শেষে বাধ্য হয়েই গভীর নলকূপ ম্যানেজাররা টাকা দিয়ে সেচে র স্বার্থে লাইসেন্স নিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেন। তাছাড়া তিনি সম বায়ীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে নিজের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেন।বাহেঙ্গা উত্তর কৃষি সমবায় সমিতি লিমিটেডসহ একাধি ক সমিতির ম্যানেজাররা অভিযোগ করেছেন, চলতি মৌসুমে ৫০-৬০টি সেচ লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফি ছাড়াও প্রায় ১০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা।

তার এ ঘুষ গ্রহণে সহযোগিতা করেছেন,তার অফিসেরই হিসাব সহকারী মোহাম্মদ ফজলুল হক তার মাধ্যমেই অধিকাংশ ঘুষের টাকা লেনদেন হয়েছে। গয়েশপুর পশ্চিম কৃষি সমবায় সমিতির ম্যানেজার ফজলুল হক বলেন,”লাইসেন্স নবায়নের জন্য আমাদের নিয়মিত ফি জমা দেওয়ার পরও নানা অজুহাতে টাকা দাবি করা হয়েছে। ঢাকা ন দিদি’স্ফ হাল্ড জাটার, বাপা হয়।”

বিআরডিবির অফিসের হিসাব সহকারী মোহাম্মদ ফজলুল হক এ বিষয়ে স্বীকার করে বলেন, “আনুষঙ্গিক কাজের জন্য কিছু অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। প্রতিটি গভীর নলকূপ থেকে কাগজপত্র ফটোকপি ও রেজুলেশনের কাজ করা বাবদ ৫শ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত নিয়ে থাকেন বলে স্বীকার করেন। অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, “লাইসেন্স ফি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিএডিসির মাধ্যমে জমা হয়। এখানে ঘুষ গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া র দাবি জানিয়েছেন। সরকারি সেবা পেতে সাধারণ কৃষকদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানিয়েছে মুক্তাগাছার সমবায়ী সহ সাধারণ জনগণ।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST