June 17, 2026, 7:35 pm
শিরোনামঃ
গৌরীপুরে খাল পুনঃখনন ও টিআর প্রকল্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হলেন মোতাহার হোসেন লোকজ সাংস্কৃতিক রাজধানী এই প্রতিপাদ্যে কেন্দুয়া ‘লোকজ সাহিত্য আসর’ উদ্বোধন মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতি ও ধর্ষণ গ্রেপ্তার ৬ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চর্চার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে : ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খাগড়াছড়িতে আ.লীগ-ছাত্রলীগের হামলায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পনা প্রণয়নে সঠিক তথ্য-উপাত্তের বিকল্প নেই: বিভাগীয় কমিশনার দেশে বছরে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয়: খাদ্যমন্ত্রী ভুয়া তথ্যের জালে সমাজ, সচেতনতায় হতে পারে মুক্তি জী এমন মাহাফুজুর রহমানের নেতৃত্বে লোহাগাড়া উপজেলা ( ইউএনও)র সাথে সাক্ষাৎ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

মৃত ভেবে ফেলে গিয়েছিল জঙ্গিরা’: ছাত্রলীগ নেতা শান্তর উপর বর্বর নির্যাতনের বর্ণনা

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদন:
—-

আজ থেকে প্রায় এক বছর আগের এক কালরাত। ১৬ জুলাই, ২০২৪। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনের রাস্তা তখন হয়তো নীরব ছিল, কিন্তু সেই নীরবতা ভেঙে দিচ্ছিল এক তরুণের আর্তনাদ। ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর নামে সক্রিয় একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর হাতে রাতভর অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন ছাত্রলীগ নেতা তানভির হাসান শান্ত। নির্মমতার শিকার হয়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা সেই শান্তর ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার তুলে ধরা হলো।

গত বছরের ঘটে যাওয়া সেই নারকীয় ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তানভির হাসান শান্ত বলেন, “আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া অবিচারের কথা ভাবলেই ভয় লাগে। রাতভর তারা আমাকে অকথ্য নির্যাতন করেছিল। তাদের নির্মমতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, আমাকে মৃত ভেবে হলের সামনে ফেলে দিয়েছিল। বেঁচে থাকার কোনো আশা ছিল না।”

শান্ত’র কথাগুলোতেই স্পষ্ট ফুটে ওঠে সেদিনের বর্বরতার চিত্র। তথাকথিত ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা তাকে শুধু নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি, মৃত নিশ্চিত ভেবে ফেলে রেখে গিয়েছিল। কিন্তু নিয়তির লেখা ছিল ভিন্ন।

শান্ত বলেন, “ভাগ্যক্রমে এক রিকশাওয়ালা আমাকে দেখতে পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন, যেখানে আমি জীবনের সঙ্কটে ছিলাম। কিছু সময় পর আমার জ্ঞান ফেরে, এরপর আমার পরিবার আমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আসগর আলী হাসপাতালে নিয়ে যায়।”

সেই রাতের শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা শান্তকে সাময়িকভাবে কাবু করলেও তার মনোবলকে ভাঙতে পারেনি। বরং এই ঘটনাই তাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আরও সোচ্চার করে তুলেছে। তিনি বলেন, “এই যন্ত্রণা আমাকে ভেঙে দিতে পারেনি, বরং আমার অন্ধকার থেকে আলো বের করার লড়াই আরো দৃঢ় করেছে। আমি চাই এ ধরনের বর্বরতা যেন আর কেউ না দেখে।”

এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই রাতের দুঃসহ স্মৃতি তানভির হাসান শান্ত এবং তার পরিবারকে তাড়িয়ে বেড়ায়। তবে শান্তর এই বেঁচে ফেরা এবং তার দৃঢ় মনোবল আজ হাজারো শিক্ষার্থীর কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তার লড়াই শুধু নিজের জন্য न्याय চাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি পরিণত হয়েছে ক্যাম্পাসগুলোতে চলমান সব ধরনের নিপীড়ন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদে। শান্তর চাওয়া একটাই—শিক্ষাঙ্গনে আর কোনো শিক্ষার্থীর জীবনে যেন এমন বিভীষিকা নেমে না আসে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST