May 1, 2026, 7:46 pm
শিরোনামঃ
ডিবির পৃথক অভিযানে ৮ কেজি হেরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল ও ২৫৫ কেজি গাঁজাসহ ছয়জন গ্রেফতার সত্য কখনো চাপা থাকে না”শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর প্রতারণার শিকার আমরা নারী কাবাডির উন্নয়নে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেব : আইজিপি ময়মনসিংহে স্কুল নারী শিক্ষার্থীদের অশীল ইভটিজিং করা সেই যুবককে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মিরপুরে নকশাবহির্ভূত বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ, অফিসার এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ মদন উপজেলা পিআইও’র বিরুদ্ধে প্রকল্পের মাটি ভরাটের টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে বেলারুশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ অধিবেশন চলাকালে অসুস্থ হওয়া বিরোধী দলীয় এমপি’র খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিআইডি কর্তৃক ক্রিপ্টোকারেন্সি পুনরুদ্ধারঃ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

যুদ্ধাপরাধী মানবতাবিরোধী রাজাকার তারাকে পাকড়াও করেছে র‍্যাব – ১৪

Reporter Name

প্রথম বাংলা – একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী মোঃ মোখলেছুর রহমান ওরফে তারাকে ময়মনসিংহ শহরের ধোপাখোলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৪

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শেরপুরের নকলা উপজেলার নকলা হাইস্কুলে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীরা মোঃ মোখলেছুর রহমান ওরফে তারাসহ কতিপয় রাজাকা রের সহায়তায় ক্যাম্প স্থাপন করেন। অভিযুক্ত মোঃ মোখলেছুর রহমান তারা এর নেতৃত্বে কতিপয় রাজাকার নকলা গ্রামের সাধারণ মানুষদেরকে ধরে নিয়ে এসে ঐ ক্যাম্পের পাকিস্থানী আর্মিদের বাংকার,বন্দিশালা,টর্চার সেল তৈরীর কাজে জোরপূর্বক বাধ্য করতো।

রাজাকার মোঃ মোখলেছুর রহমান তারার নেতৃত্বে নিরীহ গ্রামবাসীদের ধরে নিয়ে উক্ত বন্দিশালায় অমানবিক নির্যাতন ও হত্যা করা হতো।

১৯৭১ সালের ২১ জুলাই রাত্র ৩.৩০ টায় রাজাকার তারা‘র নেতৃত্বে শেরপুর জেলার নকলা থানাধীন বিবির চর গ্রাম থেকে সোহরাব উদ্দিন‘সহ তার শ্যালক কুদ্দুস এবং কুদ্দুসের চাচাতো ভাই মোবারক আলীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে তাদের হত্যা সহ বাড়ীঘর আগুনে পুরে দেয়।

১৯৭১ সালের ২৭ আগস্ট বিকাল ৫.০০ টায় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মোঃ শাহজাহান আলী সজু নামাজ শেষে নকলা বাজারের দিকে আসার পথে রাজাকার তারা‘র নেতৃত্বে তাকে জোরপূর্বক নকলা থানার অদূরে নকলা স্কুলে টর্চার সেলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করে।

এরই প্রেক্ষিতে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা নং-১১/২০১৬ রুজু হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

উক্ত মামলায় আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। বর্ণিত মানবতাবিরোধী অপরাধে পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে র‌্যাব-১৪ ময়মনসিংহ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।

এরই ধারাবাহিকতায়, ২১/০৬/২০২৩ ইং তারিখ সকাল অনুমান ১১.৩৫ টায় র‌্যাব-১৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ময়মনসিংহ শহরের কোতোয়ালী থানাধীন ধোপাখোলা এলাকা হতে মোঃ মোখলেছুর রহমান তারা (৭০), পিতা- মৃত ময়েজ উদ্দিন আহম্মদ, মাতা-মৃত মালেকা খাতুন, সাং- কুর্শা বাদাগৈর, ৬নং ওয়ার্ড, নকলা পৌরসভা, থানা-নকলা, জেলা-শেরপুরকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত “ মোঃ মোখলেছুর রহমান তারা“ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেয় এবং পাকিস্থানি হানাদার বাহিনীর দোসর হিসেবে তাদের বিভিন্ন কাজে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে।

সে ১৯৭১ সালে পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক শেরপুরের নকলা এলাকায় স্থানীয় রাজাকার বাহিনী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মোঃ মোখলেছুর রহমান তারা মহান মু্ক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিপক্ষে সরাসরি অবস্থান নিয়ে শেরপুরের নকলা এলাকায় স্বাধীনতাকামী নিরীহ বাঙ্গালিদের আটক, নির্যাতন, অপহরণ, হত্যা, লুটপাট, ঘরবাড়ি লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও গণহত্যার সাথে জড়িত থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করে বলে জানা যায়।

গ্রেফতারকৃত মোঃ মোখলেছুর রহমান তারা মামলার তদন্ত কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিল। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হলে সে আত্মগোপনে চলে যায়।

এ সময় সে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার এড়াতে নিজ এলাকা ত্যাগ করে ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করে ছিল। আত্মগোপনে থাকাকালী ন সে সাধারণত জনসমাগম স্থান,বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান ছাড়াও তার ব্যক্তিগত পরিচয় প্রকাশ পায় এমন স্থান এড়িয়ে চলতো।গ্রেফতারকৃত আসামিকে শেরপুর জেলার নকলা থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।

সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন
অপারেশন ও মিডিয়া অফিসার,র‍্যাব-১৪, ময়মনসিংহ কর্তৃক প্রেরিত প্রেস বিঞ্জপ্তি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST