January 20, 2026, 9:57 am
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ইউনূসের দুঃশাসনে মানুষের প্রাণ এখন খেলনা:সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে চিকিৎসার আগেই মৃত্যু রাজধানীতে ১০,০০০ পিস ইয়াবা ও প্রাইভেটকারসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ কর্তৃক কোতোয়ালী মডেল থানা পরিদর্শন ময়মনসিংহে ৫ পুলিশ সদস্যকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আসামি ছিনতাই চকরিয়া প্রেসক্লাবের নতুন সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল শাহেদ রাজধানীর তেজতুরী বাজারে চাঞ্চল্যকর মোসাব্বির হত্যায় জড়িত ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা পুলিশ (ডিবি) তুচ্ছ ঘটনায় তর্কাতর্কির জের ধরে দিঘারকান্দার নিবীহ রাসেলকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে সন্ত্রাসী ইয়াসিন গং ময়মনসিংহে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত ১ম চিফ অব আর্মি স্টাফ (সিএএস) আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ প্রতিযোগিতা-২০২৬ সমাপ্ত
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

যে কারনে বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্যই এখন আর আয়না ব্যবহার করেন না

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঠিক আজ থেকে এক বছর আগে, ২০২৪ সালের আগস্টে, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যর্থতার দিনে—৪৫০টিরও বেশি থানা রক্ত আর আগুনে জ্বলে উঠেছিল। যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা, মোহাম্মদপুর, আদাবর—একটার পর একটা থানা, জনতার হাতে নয়, বরং ইউনুসের উন্মাদ জুলাই দাঙ্গাবাহিনীর হাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। পুলিশদের মাথায় গুলি লেগে রাস্তায় পড়ে থেকেছে তাল হয়ে, নিরাপদে।সরে যেতেও পারেনি বাকিরা। কোনো থানা ভবন অক্ষত থাকেনি, কোনো অস্ত্রাগার রক্ষা পায়নি। ক্যান্টনমেন্টের দিকে দৌড়াতে দৌড়াতে যারা বেঁচেছিল, তারাও আর মানুষ ছিল না—একটা ভেঙে পড়া, ভীত-সন্ত্রস্ত ছায়া হয়ে গিয়েছিলো তারা। পুলিশ লাইনস ছিল তাদের শরণার্থী শিবির। এসপির দপ্তর লুট, থানার হাজত ফাঁকা, অস্ত্র লোপাট—এমন বর্বর দিন শুধু ব্যর্থ রাষ্ট্রে সম্ভব।

তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায়, আপনারা এই কার জন্যে কাজ করছেন? যাদের জন্যে পুড়েছিলেন? বেওয়ারিশ লাশ হয়ে পড়েছিলেন রাস্তায়?

যারা আপনাদের সহকর্মীদের গলা কেটে রেখেছিল রাস্তায়, আজ আপনারা তাদের হুকুমে দাঁড়িয়ে থাকেন? যাদের দাঙ্গা বাহিনী থানায় ঢুকে আপনাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়েছিল, এখন তারাই আপনাদের পোস্টিং ঠিক করে? চোখ বন্ধ করে ভাবুন তো একবার শুধু, গতবার কে ছিল আপনাদের পাশে? কে দিয়েছিল এক বোতল পানি? কে সরিয়েছিল মরদেহ? কেউ না। অথচ আজও আপনারা সেই ইউনুস সরকারের ‘কর্তব্য’ পালনে ব্যস্ত? এই রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আজ টিকছে কোনো পুলিশের শপথে নয়, কেবল জনগণের ধৈর্যে। সেই ধৈর্য আর কতদিন থাকবে?

আসলে, আপনাদের শত্রু কখনো রাজপথে ব্যারিকেড দেওয়া মানুষ না। আপনাদের আসল শত্রু রাষ্ট্রযন্ত্র দখল করে বসে থাকা এই অবৈধ শাসক ইউনুস, যে আপনাদেরকে দিয়েই আপনাদেরই মৃত্যু কার্যকর করায়।

এক বছরে ইউনুস কী দিয়েছে আপনাদের? কারাবরণ, চাকরিচ্যুতি কিংবা কবরের যোগান ছাড়া?

গত বছরের আগস্টের সেই দাঙ্গার পর সরকার কী করেছিল আপনাদের জন্যে? কিছু? না। বরং, সেই হামলার পর শত শত পুলিশকে চাকরি থেকে সরানো হয়েছিল দ্বায়িত্ব পালনের অভিযোগে। যেসব থানায় আগুন লেগেছিল, সেখানকার ওসিদের বরখাস্ত করে নতুন মুখ বসানো হয়—যেন দোষটা আপনাদেরই ছিল।
আর যারা গুলি খেয়েছিল? যারা মরে গিয়েছিল? তাদের নামটাও আজ কেউ জানে না।

তাদের পরিবার কোনো ক্ষতিপূরণ পায়নি। পেনশন কাটা গেছে ‘তদন্তাধীন’ ঘটনা বলে। আপনাদের সন্তানদেরকে তাঁদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লাঞ্চিত-অপমানিত হয়ে ঘরে ফিরে আসতে হয়েছে “কিরে পুলিশের সন্তান, তোর বাপ-মা তো রাষ্ট্রদ্রোহী” শুনে।

আর ইউনুস সরকার বাহবা নেয় জাতিসংঘে, সে নাকি ‘স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছে’!

এই সরকারের আসল ভয় হলো আপনারা। কারণ আপনারা জানেন, তার ভিতরটা কতোটা পঁচে গেছে। তাই আপনারা যত দুর্বল হবেন, সে তত নিশ্চিন্তে থাকবে।

এখনও সময় আছে — সব পাল্টে দেওয়ার, কিংবা গর্জে ওঠার নয় কিন্তু। শুধু আয়নার সামনে দাঁড়াবার সময় এসেছে। নিজেকে দাঁড় করিয়ে আয়নার সামনে জিজ্ঞেস করুন তো, আয়নার দেখতে পাওয়া মানুষটার ইউনিফর্মে রক্তের দাগ আছে কিনা? তার গায়ে নিজের মৃত সহকর্মী, ভাই, বোনের রক্ত লেগে আছে কিনা।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST