মোঃ আরিফ হোসেন”
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জেলা পরিষ দের মালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী জিয়া শপিং কমপ্লেক্সে র নাম পরিবর্তন করে রাতের আঁধারে রামগঞ্জ শপিং ক মপ্লেক্স নামে একটি সাইনবোর্ড লাগানোর ঘটনায় উপ জেলা জুড়ে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিকযো গাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামীলীগ এবং বিএপির বিভিন্ন নেতাকর্মীসহ অসংখ্য মানুষকে পোস্ট দিতে দে খা গেছে।তবে মার্কেটের নাম পরিবর্তন করে সাইবোর্ড লাগানোর বিষয়ে কিছুই জানেনা বলে জানান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান। বিষ য়টি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে তাৎক্ষ নিক সাইবোর্ডটি খুলে ফেলার নির্দেশ দেন তিনি।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা পরিষদেরচে য়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহানের ছেলেইমতিয়াজ আরাফাত প্রার্থী হওয়ায় তাকে বিতর্কিত করতেষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েএকটি মহল এ কাজ করেছে বলে ইমতিয়াজ আরাফাতের কয়েকজন অনুসারী জানান।
সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন মরহুম জিয়াউল হক জিয়া এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন রামগঞ্জ জিয়া শ পিং কমপ্লেক্স নামে এ মার্কেটটি প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ নামে দীর্ঘ ১৭ বছর মার্কেটটি প রিচালিত হয়ে আসলেও মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ভোর রাতে কে বা কাহারা ডাকবাংলা মসজিদ সংলগ্ন গেটে রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্স নামে সাইনবোর্ড টি সরি য়ে রামগঞ্জ শপিং কমপ্লেক্স নামে একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করে।
এসময় সকালে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ও বাজারেরঅন্য ব্যবসায়ীরা এমন কর্মকান্ড দেখে হতবাক হয়ে যান। প রবর্তীতে দুপুরের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মা ধ্যম ফেসবুকে নতুন সাইনবোর্ডটির একটি ছবি ছড়িয়ে পড়লে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে।
এসময় বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. আনোয়ার হো সেন খান ও লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আ লহাজ্ব মোঃ শাহজাহানের নজরে আসলে জেলা পরিষ দের চেয়ারম্যানের নির্দেশে রাতেই বিতর্কিত সাইনবো র্ডটি সরিয়ে ফেলা হয়।
স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মেহেদী হাসান শুভবলে ন,এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। ফেসবুকে মার্কেটের নাম পরিবর্তনের সাইনবোর্ডটি দেখে তাৎক্ষণিক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান ওএম পি ড. আনোয়ার হোসেন খান মহোদয়কে অবিহিত করলে ওনারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করেন এবং বিতর্কিত সাইনবোর্ডটি দ্রুত অপসারণ করা হয়।
রামগঞ্জ পৌর মেয়র আলহাজ্ব আবুল খায়ের পাটোয়া রী বলেন,অনেকে প্রচার করছেন মার্কেটের নাম পরিব র্তনের সাথে আমি নাকি জড়িত। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এ বং অপপ্রচারের কৌশল মাত্র। এটার সাথে পৌরসভার কোন সম্পৃক্ততা নাই। আমার পরিষ্কার বক্তব্য হচ্ছে এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা এবং এটা আমার এখতিয়া র নয়।
লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান জানান,রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি তৎকালীন জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব শামসুল ইসলাম সাহেবের সময় পরিষদের রেজুলেশন এর মাধ্যমে সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়।
জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের সাইনবোর্ড টি কে বা কারাপরি বর্তন করেছে তা লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ অবগত নয়। কিছু অতি উৎসাহি ব্যক্তি বা মহল পরিষদের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্য এ কাজটি করেছে। বিষয়টি আমিঅবগ ত হওয়ার পর রামগঞ্জের মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদ য় ও ইউ এন ও মহোদয় এর সাথে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।