মোঃ শফিকুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা ইউনি য়নের বান্দেরকুড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে,প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থাপন করা হয় কমিউনিটি ক্লিনিক। কিন্তু কালীগঞ্জ বান্দেরকুড়া ক্লিনিক নির্ধারিত সময়ের আগে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন সেবা প্রত্যাশীরা।জেলা স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, শুক্রবার শনিবার ছাড়া সপ্তাহের পাঁচ দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার কথা স্বাস্থ্য কর্মীদের, কিন্তু বাস্তবে এ চিত্র উল্টো।
(১০ মে বুধবার) ১.৩০ মিনিট সরজমিনে গিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকটি বন্ধ পাওয়া যায়। মুঠোফোনে আর্জিনা বেগম জানান, ছুটি নিয়ে তিনি রংপুর মেডিকেল গেছেন। কে তাকে ছুটি দিয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান ইউনিয়ন সুপার ভাইজার রন্জিত কুমার রায় তাকে ছুটি প্রদান করেন। রঞ্জিত কুমারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করেলে তিনি জানায়, আমাকে লিখিত ভাবে বলেনি, মুঠোফোনে ছুটি নিয়েছে। তিনি চার মাস ঐ ইউনিয়নের দায়িত্ব পালন কালে ৪ দিন ছুটি প্রদান করছে। এছাড়াও প্রায় সময় একক ক্ষমতা বলে ক্লিনিক বন্ধ রাখেন তিনি । এ ব্যাপার আমার কিছু বলার নেই তিনি অপরাধ করলে তাকে শাস্তি পেতে হবে।
রোগী ও স্বজনরা বলেন,সকাল ১০টায় এলেও দেখি ক্লিনি ক বন্ধ, দুপুর ২টার পর এলেও দেখি বন্ধ। খোলে কখন!খুললেও বলে ওষুধ নেই।আমরা কোথায় যাব?জ্বর,সর্দি ,কাশি,মাথা ব্যথাসহ নানান রোগ প্রতিরোধে ৩২ ধরনের ওষুধ সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে সরবরাহ করার কথা।কিন্তু কালী গঞ্জ বান্দেরকুড়া কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে এই সেবা দেও য়া হচ্ছে না। শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী প্রান্তিক মানুষের কাছে টাকা নিয়ে সেবা দিচ্ছেন তিনি । যেখানে বাংলাদেশ সরকার বিনা পয়সায় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কথা থাকলেও রাষ্ট্রদ্রোহী ও বিভিন্ন অনিয়ম করছেন তিনি। এমনটি তথ্য দেন এলাকাবাসী।
এছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বলেন,আর্জিনা বেগ ম কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারের ক্ষমতার দাপো ট দেখার যেনো কেউ নেই।সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন এর বিভিন্ন প্রতিনিধি এ বিষয়ে একাধিক বার বলেও কোন লাভ হয়নি ও পরিবর্তন ও ঘটেনি।কমিউনিটি ক্লিনিক অধিকাংশ সময় নির্ধারিত সময়ের আগে বন্ধ পাওয়া যায়,খোলার কোন নির্ধারিত টাইম নেই । ফলে সেবা নিতে আসা রোগীদের পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে এ ছাড়া ওষুধ না পাওয়ারও অভি যোগ সেবাপ্রত্যাশীদের গর্ববতী মহিলারা দীনের পর দীন সেবা নিতে এসে ঘুরে যায় একজন ভুক্তভোগী গর্ভবতী মহিলা মোছাঃ সৌরভী পারভীন পিতা মোঃ লুৎফর রহমান গ্রামঃ শিয়াল খোওয়া। ৪/৫ মাসের গর্ভবতী তিনি ২/৩ দিন সেবা নিতে এসে ভোগান্তীর স্বীকার হন এতে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
এ বিষয় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবব্রত কুমার রায় অজয় বলেন,নির্ধারিত সময়ের আগে ক্লিনিক বন্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়ে মনিটরিং জোরদার করা হবে। আর বান্দেরকুড়া কমিউনিটি ক্লিনিক এ বিষয় অভিযোগ পেয়েছি সত্যতা পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এছাড়াও উক্ত বিষয়ে লালম নিরহাট সিভিল সার্জন ডাঃ নির্মলেন্দু রায় জানান,বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেয়েছি উক্ত বিষয়ে সত্যতা পূর্বক উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কেন্দুয়ায় শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ: লম্পট গ্রেপ্তার
নেত্রকোনা কেন্দুয়া প্রতিনিধিঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় প্রথম শ্রেনির এক স্কুল শিক্ষার্থী (৮) কে ধর্ষণের অভিযোগে লম্পট হাবিবুল্লাহ (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে কেন্দুয়া থানার পুলিশ।
এঘটনাটি বৃহস্পতিবার (১১ মে) সকাল ৮ টার দিকে কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের গাড়াদিয়া গ্রামে ঘটেছে। ভিকটিম স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনির ছাত্রী।
এঘটনায় ভিকটিম শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে লম্পট হাবিবুল্লাহ বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। হাবিবুল্লাহ গন্ডা ইউনিয়নে গাড়াদিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।
মামলা ও ভিকটিমের পরিবার সুত্রে জানা যায়, ভিকটিমের বাবা একজন দিনমজুর। ঘটনাস্থল ভিকটিমের মামা বাড়িএলাকায়। মামার বাড়িতে বসবাস করেন। বিবাদীর সাথে ভিকটিমের পরিবার সুসম্পর্ক ছিল। যেকারণে বৃহস্পতিবার সকালে বিবাদীর প্রয়োজনে ভিকটিমের মা এনজিও থেকে ঋণ তোলে দেয়ার জন্য গ্রামীণ ব্যাংকে যান আর বাবা চলে যান কাজে। এই সুযোগে বিবাদী হাবিবুল্লাহ ভিকটিমের বসতঘরে ঢুকে ফুসলিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিবেশীরা লম্পট হাবিবুল্লাহকে আটক করে থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর।
নির্যাতিতা শিশুটির বাবা জানান,তিনি গরীব মানুষ। মামার বাড়িতে বসবাস করেন।
বিবাদী সাথে আমাদের ভাল সম্পর্ক ছিল। সে আমার বিশ্বাসের ঘরে ক্ষতি করেছে। আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এঘটনার মামলা দায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আলী হোসেন পিপিএম জানান,আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এবং ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে