March 17, 2026, 12:54 am
শিরোনামঃ
র‍্যাব-এসবি-সিআইডির শীর্ষ পদে রদবদল খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে : সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী মসিকের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী নগরবাসীর সেবক : নবনিযুক্ত প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন  “টাকাখেকো ইঞ্জিনিয়ার”সমীরণ মিস্ত্রী’গণপূর্তে শতকোটি টাকার সিন্ডিকেট”পরকীয়া কেলেঙ্কারি ও ভারত পর্যন্ত সম্পদের ছড়াছড়ি প্রকাশ্যে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ১ সিটিটিসি’র স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের অভিযানে নয়জন মাদকসেবী গ্রেফতার কুমিল্লায় আর্মি মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ময়মনসিংহে যানজট ও নাগরিক সেবা শীর্ষক গোলটেবিল সংলাপ অনুষ্ঠিত ১২ সিটির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রে ফাঁসলেন রাজউক উপপরিচালক ও তার স্ত্রী : দুদকের মামলা

Reporter Name

প্রথম বাংলা : ৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের হিসাব দিতে না পারায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ফাঁসলেন রাজউকের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. সোহাগ মিয়া ও তার স্ত্রী ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী।

শনিবার (৫ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়,ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। উক্ত বিবরণীতে তিনি মোট ৬৩ লাখ ১১ হাজার ২২২ টাকার অস্থা বর সম্পদ বা সঞ্চয়পত্রের তথ্য উপস্থাপন করেন সেখানে দাবি করেন, ওই টাকা তার পিতা মো. ওয়াজেদ আলীর কাছ থেকে প্রাপ্ত। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী।

যিনি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে ফোরম্যান পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি অবসরের সময় ভবিষ্যৎ তহবিল ও পেনশন বাবদ মোট ২৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪৫১ টাকা পেয়েছেন উক্ত পরিমাণ অর্থ থেকে কন্যাকে দান,ঋণ বা অনুদান প্রদানের কোনো লিখিত বা আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি আসামির বড় ভাই ওয়াহেদুস সাবা মিথুনকেও কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের নজির নেই।

দুদকের অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে,ঐশী একজন গৃহিণী তার নিজস্ব কোনো আয়ের উৎস বা অর্থ উপার্জনের তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ২০২২ সালে তিনি আয়কর নিবন্ধন নিলেও কোনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি।

প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র অনুসারে দুদক মনে করে তিনি ও তার স্বামী পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST