October 9, 2026, 10:57 pm
শিরোনামঃ
কলকাঠি নেড়েছেন ইউএনও,‎সারের লাইসেন্স দিতে প্রশাসনের লোকেরা কত নিয়েছেন সবই জানি, এমপি পলাশবাড়ীতে সমকামিতার অভিযোগে বরকে সালিশে তওবা করিয়ে সংশোধনের সুযোগ… জাতীয় পর্যায়ে “”শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক” সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রাজশাহী আরসিফুডের অঙ্গীকার নামা নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া শাহজাদপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেপ্যাথলজিকালও বেস্ট ফিডিং কর্নারের উদ্বোধন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি মোঃ হুমায়ুন কবিরের জানাজা সম্পন্ন ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮০, মামলা ৫১ সরকারি কর্মচারীর অর্থ হাতিয়ে নিতে অভিনব কৌশলে একটি চক্র খাদ্যে অধিদপ্তরের ১৩ সিএসডিতে নতুন ব্যবস্থাপক পদায়ন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

আতপ চালের চাহিদা ও ভোগ নিয়ে গবেষণা জরুরি : খাদ্যমন্ত্রী

Reporter Name

সেলিম মিয়া : দেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাস, চালের চাহিদা ও ভোগের ধরন সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে ভবিষ্যৎ খাদ্যনীতি প্রণয়ন করা জরুরি বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আতপ চালের ব্যবহার ও চাহিদা নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর ঢাকায় খাদ্য অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ হলরুমে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) আয়োজনে ‘আ স্টাডি অন দ্য কনজাম্পশন অ্যান্ড ডিমান্ড ফর নন-অ্যারোমেটিক হোয়াইট রাইস (আতপ চাল) ইন সিলেক্টেড এরিয়াস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণার ইনসেপশন ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। তাই মানুষের কাছে পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য পৌঁছে দেওয়া সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ শুধু খাদ্যের মজুদ নিশ্চিত করা নয়, মানুষের প্রয়োজন, পছন্দ ও পুষ্টির চাহিদা বিবেচনায় নেওয়াও জরুরি।

তিনি আরও বলেছেন, ছোটবেলা থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আতপ চালের ব্যবহার দেখে আসছেন তিনি। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের পিঠা ও ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরিতে এ চালের ব্যবহার রয়েছে। তবে শুধু কয়েকটি অঞ্চলে নয়, সারা দেশে আতপ চালের ভোগ ও চাহিদার প্রকৃত চিত্র জানা প্রয়োজন। এ জন্য গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ।

আতপ ও সিদ্ধ চালের পুষ্টিগত পার্থক্য নিয়েও কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী। চাল প্রক্রিয়াজাত করা বা একাধিকবার সিদ্ধ করার ফলে এর পুষ্টিমান কতটা পরিবর্তিত হয় এবং কোন প্রক্রিয়ায় পুষ্টি বেশি সংরক্ষিত থাকে, সে বিষয়ে গবেষকদের কাছে জানতে চান তিনি।

আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, চালের তুষ ও ভুসির স্তর অতিরিক্ত পালিশ করে সরিয়ে ফেললে এর ভিটামিন ও খনিজের পরিমাণ কমতে পারে। বিশেষ করে থায়ামিন, নিয়াসিনসহ বি-গ্রুপের কিছু ভিটামিন মিলিং ও পালিশের সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে যায়।

অন্যদিকে, ধান সিদ্ধ করার সময় ভুসি ও অঙ্কুরের কিছু পুষ্টি উপাদান চালের শাঁসে স্থানান্তরিত হয়। এ কারণে সিদ্ধ চাল সাধারণত এসব পুষ্টি উপাদান তুলনামূলকভাবে বেশি ধরে রাখতে পারে। তবে রান্নার সময় অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করে তা ফেলে দিলে পানিতে দ্রবণীয় কিছু ভিটামিন ও খনিজের ক্ষতি হতে পারে। ফলে চালের পুষ্টিমান নির্ধারণে ধান সিদ্ধ করার পদ্ধতি, মিলিংয়ের মাত্রা ও রান্নার প্রক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। সভাপতিত্ব করেন খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন এফপিএমইউর মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান।

গবেষণার কনসেপ্ট নোট ও প্রাথমিক বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন এফপিএমইউর সহযোগী গবেষণা পরিচালক মো. মাহিনুর ইসলাম।

কর্মশালায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খুলনা ও সিলেটের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
ছবি : সংগৃহীত



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST