নিজস্ব প্রতিবেদক -দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি
সুপ্রিম কোর্টের আইন অনুযায়ী সাংবাদিক যেকোনো জায় গায় যেকোনো সময় তথ্য সংগ্রহ করার জন্যই যে কেউ প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে। অনুসন্ধান রিপোর্ট করতে পারবে বলে কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন ২৩- ০৩- ২৩ই থেকে ২৭-০৩-২৩ইং নারী সাংবাদিক উপরে হামলা করায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবলম্বন অপরাধীদেরকে চিহ্নি ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ছিল।কিন্তু প্রশাসন কে টাকার দিয়ে সন্ত্রাসী ইউপি চেয়ারম্যানের গুন্ডাবাহিনী দিয়ে সাংবাদিকের উপরে যেভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রশাসন দেখিও না দেখার ভান করে চলছে কারণ টাকা দিলে পুলিশ প্রশাসন মুখ বন্ধ হয়ে যায়।দেশের মানবিক আজ কোথায় চলে গেল শীর্ষ সন্ত্রাসী চেয়ারম্যান পরিষদে র যে সাংবাদিকের যাবে তাকে মাইর দেওয়া হয়। নির্যাতন করে কোন প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না দিন দিন এ শীর্ষ সন্ত্রাসী ইউপি চেয়ারম্যান বাহিনী দিয়ে এক আধিপত্য গড়ে তুলেছে।ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করা সাহস পাচ্ছে না উল্টো মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা হয়রানি করে সাংবাদিক নির্যাতন স্বীকার হয় তাহলে আজ মানবতা র আইন নাই বলে চলে।
পুলিশ প্রশাসন বড় বড় কথা বলে পুলিশ সাংবাদিক ভাই ভাই। প্রকৃতভাবে যখন কাজ করতে যায় পুলিশ প্রশাসন তখন সাংবাদিকের দিকে তাকিয়ে কাজ করে না।কাজ করে টাকার বিনিময় জনতার মাঝে মুখে বলে আমরা সবা ই দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি মুক্ত করে রাখবো।পুলিশ কে টাকা দিলে খারাপ মানুষকে ভালো বলে আর ভালো মানুষকে খারাপ করে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি নয়তো ইয়াবা সেবক নয়তো মাদক আসক্ত দিয়ে তাদেরকে জেল হাজ তে পাঠিয়ে দেয় তাহলে।এটাও যদি পুলিশের চরিত্র হয় প্রকৃতভাবে সাংবাদিক যদি সত্যের কলম তুলে ধরতে হয় তাহলে সাংবাদিক হয়ে যায় পুলিশ চোখে খারাপ।
লাঞ্ছিত হওয়ায় ঘটনার কোন সুরাহা করতে পারেনি পুলি শ।এ নিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে হতাশা এবং চাপা ক্ষোপের সৃষ্টি হয়েছে।লাঞ্ছিত সাংবাদিক জানায়,
আজ থানা গিয়েছি লাম আমার ঘটে যাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে আমার পত্রিকায় নিউজ হয়েছে।সেই পত্রিকা ওসি’র হাতে দিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,আপনা র অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।২২শে মার্চ সংবাদ সংগ্রহে উলিপুর উপজেলা ইউএনও কাছে যান,আশ্রয়ণ প্রকল্পের চতুর্থ ধাপে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উপহারের ঘরের দলিল পত্র বিতরণে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অডিটরিয়া মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত তথ্য ও ছবি সংগ্রহ ক রে।পরে ধরণী বাড়ি ইউপি গৃহহীন -ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ঘর বিতরণের সংবাদ সংগ্রহ করতে মাঠ পর্যায় যান।এর পর ওই ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে উপস্থিত হন।
ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদুল হকের সর্বশেষ সাক্ষাৎ কার নিতে গেলে আকর্ষিকভাবে চেয়ারম্যানের ইশারায় তারই পোষা গুন্ডা বাহিনী দিয়ে এন্ড্রয়েড মোবাইল কেড়ে নেয়া হয় এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উপহারের আয়োজিত অনু ষ্ঠানের ছবি সহ আরও গুরত্বপূর্ণ ছবি মুছে দেয়া হয়।লাঞ্ছি ত সাংবাদিক হলেন,দৈনিক চারিদি কে প্রতিদিন পত্রি কার স্টাফ রিপোর্টার: সুলতানা রাজি য়া (সান্ধ্য কবি)অভিযু ক্ত রা হলেন,মাহবুব,ইমরান,আলম,অভিযুক্তরা সকলেই ধরণী বাড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এই সময় ভুক্তভোগী সাংবাদিক সুলতানা রাজিয়ার সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর জননে ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের এরশাদুল হকের পরিষদের তথ্য সং গ্রহ করার সময় ভিডিও ধারণ করার ইউপি চেয়ারম্যানের ইশারা শীর্ষ সন্ত্রাসীরা আমার ক্যামেরায় মোবাইল ভাঙচুর করে আমার উপরে হামলা করে।তিনি এ সময় আরো বলে ন আমার উপরে হামলা করে নাই এই ইউনিয়ন পরিষদে যে সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ করার জন্য আসছে সে সাংবাদি কের উপরে হামলা করে এবং এক পর্যায়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা স্বীকার করা হয়।
এই পরিষদে অনেক সাংবাদিক হামলা শিকার হয়েছিল প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না পুলিশ প্রশাসনকে বলি ও কোন লাভ হয় না কয়েক দিন আগে আমার ওপর হামলা করেছিল আমি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি লাম।পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে ইউএনও তাকে ডাক দিয়েছিলে ন।কিন্তু দুঃখের বিষয় রাত্রের অন্ধকারে যখন মোটা অং কের টাকার বান্ডিল দিয়ে ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান তখন আমার অভিযোগে ফাইন আর খুঁজে পাওয়া যায় না বিষয় টা তদন্ত চলতে থাকে। আমি ডিসি মহোদয় কাছে একটি আবেদন থাকবে সত্য উদঘাটন করে এই ইউপি চেয়ারম্যা নের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক আর যেন কোন সাংবাদিক হামলা শিকার না হয়।
এদিকে মন্ত্রী পরিষদের থেকে বলা হয়েছিল সত্য উদঘা টন করে অপরাধীদেরকে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাংবাদিকের কাজ হল সত্য উদঘাটন করে অপরাধী দেরকে চিহ্নিত করা এবং যারা দুর্নীতি করবে তাদের বিরু দ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।