সুলতানা রাজিয়া (সান্ধ্য কবি:) জাতীয় দৈনিক মুক্তিযুদ্ধ ৭১ সংবাদ পত্রিকা সিনিয়র রিপোর্টার।
শুক্রবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হওয়া এ বিশাল কৃতির কালী প্রতিমার পুজা আজ শনিবার শেষ হবে।
দুরদুরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ পদচারণা ঘটে। উপজেলা উলিপুরের দুর্গাপুর ইউনিয়নের ডালিমের পার এলাকার মহেশ বাবুর বাড়িতে।মহেশ বাবুর সাথে দেখা করতে চাইলে তার পুত্র বিপুল বাবু সাক্ষাৎ এ জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও এ বিশাল কৃতির প্রতিমা দর্শনে দেশের দুর দুরান্ত হতে হাজার হাজার হিন্দু ধর্মাম্বলী ভক্ত বৃন্দসহ অন্যান্য ধর্মের অনুসারী মানুষ এ উৎসব স্থলে সমাবেত হচ্ছেন। এ বড়দা কালী পুজা উৎসব ঘিরে উৎসব স্থলে মেলাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কালী পুজা দেওয়ার জন্য নির্দ্দেশ পান। এরপর থেকে প্রতিবছর এ কালী পুজার আয়োজন চলে আসছে। তবে এখানে পাঠা বলী দেয়া হয়,
ভক্তরা নিজের মঙ্গল কামনায় পুজা মন্দিরে হাজার হাজার কবুতরও দেয়।
প্রতিমায় কত খরচ হয়,
এবং মেলা দোকানীদের কাছ থেকে কত টাকা তুলে পুষিয়ে নেয়া হয় জানতে চাইলে বিপুল বাবু বলেন, দোকান অনুযায়ী ২০০/২৫০ পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়।
মেলা ডাক হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি
সরকারি ভাবে মেলার কোন প্রকার ডাক হয়নি বলে জানান,
আর ক্যামেরা ধরলে তিনি বলেন,
তার পারমিশন ছাড়া ক্যামেরা ধরতে পারবেননা।
ক্যামেরায় কোন ব্রেফিং করতে রাজি নন তিনি।
তবে ক্যামেরা সামনে তিনি স্পস্ট করতে চাননি আর।
তিনি আরও বলেন,
আমরা পুজা উপলক্ষে ২০/৫০ টাকা নেই।
দোকানীদের মাঝে জানতে চাইলে তারা বলেন,
পজেশন বিক্রি করেন ৫০০/৭০০ টাকায়।
এমন কথা বলেছেন মোঃ সাজিব মিয়া,
অমল বর্ম্মন রায়, আরো
অনেকে।
অনেকে ১৫০/২০০/৫০ টাকা করে চাঁদা করে বলে জানান,
বাদাম বিক্রেতার কাছে নিম্নতম ৫০টাকা /২০ টাকা করে নেয়া ছাড়েনা বলে জানান তারা।
সুত্রে জানা যায়, এ মেলা সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে সেই সুযোগ নিয়ে জুয়া খেলার আসর চলে।
পুজা ২টার সময় শেষ হলে এ মেলা ভেঙ্গে দেয়া উচিত বলে প্রশানের কাছে দাবী জানিয়েছেন অনেকে।
ইতি পুর্বে রাতভর দোকান এবং জুয়া খেলা
হয়েছিল।
এবার প্রশাসনের কড়া নজর থাকায় দিনে জুয়া খেলার সুযোগ নিতে পারেনি কেউ।
তবে দোকান থাকবে রাত পর্যন্ত সেই সুযোগে জুয়া খেলার সুযোগ নিবেন বলে জানান অনেকে।