October 24, 2026, 5:24 pm
শিরোনামঃ
শারদীয় দুর্গাপূজার সমাপ্তি: ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণ বিজয়া শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জন কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব আবদুল খালেক দুই দিনের সরকারি সফরে নেত্রকোণা” সমৃদ্ধ ও আধুনিক ‘স্মার্ট-দিঘলী’ গড়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আপন প্রত্যয় চট্টগ্রামে চিনি বোঝাই কার্ভারভ্যানে ছিনতাইঃ বান্দরবানের লামা থেকে ১৪৪ বস্তা চিনি উদ্ধার রায়পুরে ৮ নং দক্ষিণ চরবংশী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ হাওলাদার রাজারহাট সদর ইউনিয়নে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন শাহাদাত হোসেন লাল ময়মনসিংহে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী কঠোর নিরাপত্তায় নির্বিঘ্ন প্রতিমা বিসর্জন শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন পর্যবেক্ষণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় মানিকগঞ্জের সম্প্রীতির সুনাম ধরে রাখতে হবে :খাদ্যমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ঘাগড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান “রানা” মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের সাথে প্রতারণা করে কর্মসূচিতে নাম দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে আসছে

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদন
নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের নৌকা বিরুদ্ধে নির্বাচন করে! বিজয়ী “চেয়ারম্যান” মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের কাছ থেকে কৌশলে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে মাটি কাটার কর্মসূচিতে নাম দিয়ে, সীম নাম্বার চেয়ারম্যান ইচ্ছে মতো দিয়ে এতদিন ধরে টাকা আত্মসাৎ করে আসছে, ঘাগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম রানা।

এই বিষয়টি নিয়ে ঘাগড়া ইউনিয়ন সহ পূর্বধলা উপজেলার সকলের মনে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বারবার এই চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে প্রশাসন কেন কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। যানা গেছে বিগত দিনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এমন অনিয়ম- দূর্নীতির কারণে ২ বার অভিযোগ হয়।

অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় সরকারি কোষাগারে টাকা ফেরত এবং অভিযোগকাদিরে সীম ফেরত দিতে বাধ্য হয়। এছাড়াও যানা ঘাগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিভিন্ন অনিয়ম কাজের সাথে জড়িত। তিনি জনগণের ফোন রিসিভ এবং কোন অভিযোগ নিয়ে আসলে দেখতেছি বলে পড়া আর তার খোঁজ পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রকল্প দিয়ে নামে মাত্র মাটি কেটে বা না কেটে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করছে। ইউনিয়ন বাসীর মনে প্রশ্ন যে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম,কীভাবে তিনি যাদের কর্মসূচিতে নাম আছে তাদের নামে সীম কিনা তা না দেখে এবং এই কার কাছে তা যাচাই না করে, লিস্টে নাম থাকা ব্যক্তিদের না জানিয়ে তাদের দিয়ে মাটি না কাটিয়ে তিনি আর চেয়ারম্যান বেকু দিয়ে ৪০/৫০ হাজার টাকা করে প্রতিটি প্রকল্পে মাটি কাটিয়ে লক্ষ লক্ষ আত্মসাৎ করে নিচ্ছে কীভাবে? তাই ঘাগড়া ইউনিয়নবাসীর দাবী সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত যেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এই বিষয় ঘাগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে চাইলে তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ জানতে পারলাম যে উনারা অভিযোগ পেয়েছেন তদন্ত সাপেক্ষ্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST