May 10, 2026, 9:39 am
শিরোনামঃ
পুলিশ যেন আর কখনো জনগণের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত না হয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ নিরা পত্তা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা প্রেস বিজ্ঞপ্তি’চট্টগ্রামে বিআইএমএএসসি ও প্যান সলিউশনের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারের উখিয়া ‎জালিয়াপালং উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরী কতৃক ছাত্রীকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ, সিলেটের পাথর কোয়ারি ইজারা প্রদানে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন; পর্যায়ক্রমে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার লন্ডন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি শুভেচ্ছা সফরে ভারতীয় নৌবাহিনী জাহাজের চট্টগ্রামে আগমন নজরদারি বাড়াতে রাজধানীতে বসছে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা আরএমপি’র ৩৩তম পুলিশ কমিশনার হিসেবে মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের দায়িত্ব গ্রহণ ময়মনসিংহ যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামের উপর হামলা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

নজরদারি বাড়াতে রাজধানীতে বসছে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা

Reporter Name

প্রথম বাংলা : রাজধানীর জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস ও ছিনতাই প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নজরদারি বাড়াতে মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে নতুন করে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে এই তথ্য নিশ্চিত করে তিনি জানান, মোহাম্মদপুরসহ অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র মোহাম্মদপুরেই কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই ঠেকাতে ৭০০টি সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে। অপরাধ দমনে এই এলাকায় পুলিশের জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি বসিলায় নতুন একটি পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধন করা হয়েছে এবং আরও একটি ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর ৫০টি থানায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি), সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ও পেট্রোল ইন্সপেক্টর মোতায়েন করা হয়েছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, বর্তমানে রাজধানীতে ১ হাজার ৯১০টি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে। এর মধ্যে ডিএমপির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ৭১০টি এবং গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকার ‘ল অ্যান্ড অর্ডার কো-অর্ডিনেশন কমিটির’ মাধ্যমে ১ হাজার ২০০টি ক্যামেরা পরিচালিত হচ্ছে. নতুন প্রকল্পের আওতায় ১১ হাজার ক্যামেরা কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির রহস্য উদ্‌ঘাটন সহজ হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ফলে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দ্রুত রেসপন্স টিম পাঠানো সম্ভব হচ্ছে। স্থায়ী ক্যামেরার পাশাপাশি পহেলা বৈশাখ বা জাতীয় দিবসের মতো বড় আয়োজনে অস্থায়ী ক্যামেরার মাধ্যমেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, অপরাধীদের শনাক্ত করতে বর্তমানে ব্লক রেইড, নিয়মিত টহল এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং সদস্যরা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে যেসব অপরাধ করছে, তাদের আইনের আওতায় আনাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে পুলিশ। অপরাধ দমনের পাশাপাশি রাজধানীর যানজট নিরসনেও এই ক্যামেরা প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ছবি, সংগৃহীত



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST