April 28, 2026, 6:50 am
শিরোনামঃ
আওয়ামী সুবিধাভোগী,নেত্রকোনা ডিসি ফুড মোয়েতাছুর রহমান হুমায়ুনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ যশোরে উলশী খাল পুনর্খনন কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ব্লক রেইড পরিচালনা করে ৫৮ (আটান্ন) জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি অটোরিকশায় যাত্রীবেশী ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়েন কাস্টমস কর্মকর্তা, পরে মৃত্যু দেশের সব বিমানবন্দরে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি লক্ষীপুরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রপচার চালিয়ে বিভ্রান্তি চড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ৮০ লাখ লোকের তালিকা হচ্ছেনোটিশ দিবে এনবিআর খাদ্য অধিদপ্তরের নতুন ডিজি জসিম উদ্দিন খান খিলক্ষেতে অপহরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারে সহায়তার আহ্বান ধর্ষণ-নির্যাতনের বাস্তবতায় কবিতা লেখা ‘নৈতিক অপরাধ’—কবির মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বড় বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়ে জীবন প্রদীপ নিভে গেলো

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক”

মাগুড়া এলাকার ছোট মেয়েটি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মা*রা গেছে, মানুষদের বিবেক এর মতোই …

বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল বাচ্চা মেয়েটা। ফিরতে রাত হয়ে যাবে বিধায় বড় বোন বলেছিল এর পরদিন বাড়িতে যেতে। বড় বোন কিছুক্ষণের জন্যে বাইরে গিয়েছিল।

মেয়েটা বোনের রুমে গুটিসুটি হয়ে শুয়ে ছিল এক কোনায়। দুলাভাইও ছিল রুমে। বড় বোন ভেবেছিল তার হাসব্যান্ড যেহেতু আছে তাহলে আর কোন সমস্যা হবে না।

তারপর দুপুরের দিকে বড় বোন বাসায় এসে দেখে রুমে লাইট নিভানো, ঘুটঘুটে অন্ধকার। তড়িঘরি করে লাইট জ্বালিয়ে দেখে তার আদরের ছোট বোনটা এলোমেলোভাবে পড়ে আছে, চেহারাটা ফ্যাকাশে।

বড় বোন বুঝতে পারে না কি হয়েছে তার আদরের বোনটার সাথে। অনেকক্ষণ পর যখন বুঝতে পারে তখন অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে।

বড় বোন শাশুড়িকে হাতজোড় করে তার বোনটাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে। কিন্তু শাশুড়ি নিষেধ করছিল ঘটনাটা যাতে জানাজানি না হয়, হলে না-কি মান-সম্মানে কমতি পড়বে তাদের।

তারপর বহু কষ্টে শাশুড়িকে রাজি করিয়ে বড় বোন তার ছোট বোনটাকে নিয়ে আসে মাগুড়া হাসপাতালে। কোনরকম দায়সারা ভাবে হাসপাতালে দিয়েই শাশুড়ি পালিয়ে যায় সেখান থেকে।

হাসপাতালে আনার পর বাচ্চা মেয়েটার অবস্থা আরও বেশি গুরুতর হয়ে পড়ে। ব্যথায় কাতরাচ্ছিল শুধু। বাচ্চা মেয়ে বয়স আর কত হবে? সাত কিংবা আট।

যৌনতার কিছুই বুঝে না, পুতুল নিয়ে খেলার বয়স তার।

মেয়ের মা এবং বোনের সন্দেহ দুলাভাই সজীব এবং শ্বশুর হিটুর প্রতি। জোরালো সন্দেহ দুলাভাই সজীবের প্রতি যেহেতু তার রুমেই ছিল বাচ্চা মেয়েটা।

এই বাচ্চা মেয়েটার কি দোষ ছিল? ওর তো ওড়না পড়ার বয়সও হয়নি। ওড়না পড়ার বয়স হলে না হয় ওড়নার দোহাই দিয়ে দায়সারা যেত।

সমাজ কি এবারেও ধ*র্ষ কের পক্ষ নিয়ে ফুলের মালা দিয়ে বরন করে নিবে?
না-কি বাচ্চা মেয়েটার পক্ষ নিয়ে ধ*র্ষ*কের কঠিন বিচার করতে সাহায্য করবে?

মেয়ের মা এবং বোন মিলেই এখনও অসহায়ের মত পড়ে আছে হাসপাতালে। তাদেরকে সাহায্য করতে আসেনি কেউ, আসেনি কোন নারীবাদী সংগঠনও।

বাচ্চা মেয়েটার মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো। ব্যথায় একটু পর পর ককিয়ে উঠতেছে শুধু। বড় বোন একপাশে হাতে ধরে দাড়িয়ে আছে।

মেয়েটার মা মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে আর আশ্বাস দিচ্ছে – সব ঠিক হয়ে যাবে মা…..।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST