October 30, 2026, 4:13 pm
শিরোনামঃ
টাঙ্গাইল জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত হলেন মধুপুর সার্কেলের এএসপি আরিফুল ইসলাম অসহায় মানুষের পক্ষ নিয়ে ভূমি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে বলেন এটিএম জাহেদ সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় বিক্ষোভ-মানববন্ধন, সাগর-রুনী হত্যার বিচারও দাবি কুড়িগ্রামে ইয়াবা ও হেরোইন সহ আইনজীবী দম্পতি সহ গ্ৰেফতার-০৩ কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই লাখ টাকার ভেজাল পণ্য ধ্বংস কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিট সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণের প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আগ্রহী রাশিয়া এইখানে প্রত্যেক ওসির ডিউটি এলাকায় জুলাইয়ে শহীদে  সংখ্যা সর্বনিম্ন ১০জন থেকে সর্বোচ্চ ২০০ জন পর্যন্ত হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা.
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বরগুনায় রমজানের প্রথম দিনে বাজার মূল্য চড়া ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

Reporter Name

— মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন, বরগুনা প্রতিনিধি।

আজ সকাল দশটায় বরগুনার মাছ বাজার ও সবজির বাজারে ঘুরে এসে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানান মাছ বাজারে মাছ, তরকারি বাজারে তরকারির মূল্য আকা শচুম্বী। সাধারণ মানুষ ও উপস্থিত কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে তাদের হতাশার কথা ব্যক্ত করতে দেখা যায়।মাছ বাজারে সাধারণ তরকারি খাওয়ার চিংড়ি মাছের দাম প্রতি কেজি আটশত টাকা,ঘেরের পাঙ্গাস প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২৪০ টাকা, সামুদ্রিক যে কোন মাছ চারশত টাকা থেকে ঊর্ধ্বে।ইলিশ মাঝারী সাইজের প্রতি কেজি ৮০০থেকে ১০০০ টাকা প্রতিটা কেজি মাছের মূল্য ১৫০০/১৬০০ টাকা।

সোনালী মুরগী তিনশত থেকে ৩৪০ টাকা প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২২০ টাকা প্রতি কেজি দেশি সাধারন মুরগি প্রতি কেজি ৪৫০ – ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সাধারণকে তারা জানান,সবজির বাগান বাজার গরম। করোলা প্রতিকেজি টাকা,ঢেঁড়স ৮০ থেকে ৯০ টাকা,মিস্টি কুমড়া কেজি ৪৫ টাকা,যেকোনো শাক ২০ টাকা আঁটি,সিম ৬০ টাকা কেজি,পটল ৭০ টাকা কেজি, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা এভাবে বিক্রয় চলছে। রমজানে বেশি চাহিদা থাকে বলে বেগুনের দরও চড়া বেগুনের কেজি এখন ৮০ টাকা শসার কেজি ৫০ টাকা বিক্রেতাদের কাছে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানান,তারা যেভাবে মালামাল ক্রয় করে সে অনুযায়ী তারা লভ্যাংশ রেখে বিক্রি করে থাকেন।রমজান মাসে বাজার একটু চড়া থাকে বলে জানান এভাবেই চলে আসছে বেচা কিনা।

জানা যায় বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আরও কমিয়ে ছেন মিলমালিকেরা কিন্তু সেই তেল সব দোকানে সরবরাহ করা হয়নি। আবার অনেক দোকানে কমানো দামের তেল থাকলেও আগের বেশি দামের তেলটাই বিক্রি হচ্ছে।প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৮৫থেকে ৯০,বেসুন ১০০ টাকায়। তবে কোনো কোনো দোকানে ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে আর মোটা মসুর ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকা এবং দেশি মসুর ১২৫ থেকে ১৪০টাকায় বিক্রি হচ্ছে খেসারির কেজি ৮০ টাকা।

সাধারন ক্রেতাদের অভিমত যে,বরগুনায় রমজান মাস শুরু হতে না হতেই দ্রব্যমূল্য উচ্চ হারে বেড়ে চলেছে। এতে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠে আসছে তারা বলছেন বাজার ব্যবস্থা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নাই নেই ভোক্তা অধিকার এর কোন মনিটরিং ব্যবস্থা।ভোক্তাদের সাথে কথা বলতে গেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেলন,বলেন,সবার পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।যারা বাজারে গিয়ে নিজেদের অসহায় মনে করে,তাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে নতুবা সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না।

তারা আরও বলেন, ‘জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কয় দিন পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দাবি তুলবেন তাদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর জন্য সরকার হয়তো তাই-ই করবে। সাধারণ মানুষের তো আয় বাড়ছে না কষ্টটা তাদেরই বেশি হবে সে জন্য নিত্যপণ্যের বাজারে এখনই লাগাম টানতে হবে।’



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST