এইখানে প্রত্যেক ওসির ডিউটি এলাকায় জুলাইয়ে শহীদে সংখ্যা সর্বনিম্ন ১০জন থেকে সর্বোচ্চ ২০০ জন পর্যন্ত
Reporter Name
Update Time :
Tuesday, October 27, 2026
/
17 Time View
/
Share
অথচ জেনে আশ্চর্য হবে এখানে আবুল হাসান, মাজহারুল ছাড়া কেউই গ্রেফতার হয়নি।
এদের মধ্যে সর্বোচ্চ হত্যাকাণ্ড যাত্রাবাড়ীর আবুল হাসান , উত্তরার ফরমান আলী, মিরপুরের সাব্বিরের এলাকায়।
১. ওসি আবুল হোসেন গ্রেফতার আছে। যাত্রাবাড়ী এলাকায় গেন্ডারিয়া, কদমতলী, ডেমরাসহ অনেকগুলো থানা ইনক্লুড ছিলো। এগুলোর তথ্য থাকবে দ্বিতীয় পর্বে।
২. মাজহারুল ইসলাম ও গ্রেফতার।
৩.ওসি ইয়াসিন গাজী। জুলাইয়ে বাড্ডা থানার তৎকালীন ওসি মোহাম্মদ ইয়াসীন গাজী আছেন কক্সবাজার এপিবিএনে। ইয়াসিন গাজীর পর বাড্ডা থানার ওসি হিসাবে দায়িত্ব পাওয়া মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া এখন এপিবিএন খাগড়াছড়িতে কর্মরত।
৪. পল্টন থানার ওসি মনির হোসেন মোল্লা। জুলাইয়ের পল্টনে হ /ত্যা যজ্ঞ সহ বিএনপি পার্টি অফিস এলাকায় তান্ডব চালিয়েছিল।
এখনও সরকার বেতন পাচ্ছে।
৫. ওসি ফরমান আলী উত্তরায় ১০০ হত্যার দায় যার ঘারে।
কিছুদিন খাছড়াছড়ি জেলায় এপিবিএন এ ছিলো। ট্রাইবুনালে গ্রেফতারের আগেই গ্রীন সিগনাল পেয়ে লাপাত্তা হয়ন।ফরমান আলী ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর ছিলেন। তিনি সরাসরি হাসিনার সাথে কথা বলতেন। তিনি মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, গুলশান, বনানী, উত্তরা পশ্চিম ও এয়ারপোর্ট থানায় কর্মরত ছিলেন। সবচেয়ে বেশি সুযোগ সুবিধাপ্রাপ্ত এবং ক্ষমতাধর ওসি ছিলেন ফরমান আলী।
৬.২০২৪ সালের ১ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত উত্তরা পূর্ব থানার ওসি ছিলেন শাহ আলম। ছাত্র-জনতা হত্যার মামলায় জানুয়ারিতে তাকে গ্রেফতার করে ওই থানায় নেওয়া হয়। পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় তিনি থানা থেকে পালিয়ে যান
৭. মিরপুর মডেল থানার তৎকালীন ওসি মুন্সী ছাব্বীর আহম্মদ । ৭০ জন আন্দোলনকারী হ ত্যার দায় নিয়েও ডিউটি করেছিলেন।৷ গ্রেফতার আগে পলাতক হয়।
৮. ওসি হেলাল উদ্দিন। লালবাগ থানাধীন আলমপুর এলাকায় ১৮ জুলাই তিন জন্যকে হ ত্যা করে এডিসি রাকিবুল আর হেলাল বাহিনী।
এডিসি রাকিবুল নোয়াখালী ট্রেনিং সেন্টার এবং হেলাল উদ্দিন বর্তমানে এপিবিএন এ কর্মরত।