প্রথম বাংলা – , ময়মনসিংহের ভালুকা রেঞ্জের হবিরবাড়ী বিটের বিট কর্মকর্তা হিসেবে আশরাফুল আলম যোগদানে র পর স্থানীয় প্রভাবশালী,বনখেকো ও বনভুমি জবরদখল কারীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেন। এরপর তাদের কাছ থেকে গোপনে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।আশরাফুল আলম প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেনা কেউই।
স্থানীয়দের দাবি, বিট কর্মকর্তা আশরাফুল আলম ও রেঞ্জ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ এই দুইজনে মিলে সিন্ডিকেট তৈরি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের টাকা। হবির বাড়ির এই দুই কর্তাকে টাকা না দিয়ে একটা ঘরও নির্মাণ করা সম্ভব নয়।হবিরবাড়ী মৌজার ১৯ নং দাগে টিনের বেড়া দিয়ে ভিতরে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ করছিলেন এ টায়ার নামে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, একই দাগে হামিদ গ্রুপ শত কোটি টাকা মূল্যের ১০ একর বনভূমি বেদখল করেছে। এছাড়াও ঝালপাজা রোডে ১৮৫ নং দাগে রিপন খান, ৭৭৮ দাগে মোবারক হোসেন, জালাল উদ্দিন, ১১০ দাগে চানু মিয়া, শহিদ, হারুন নির্মাণ করছেন বসত বাড়ী ও মার্কেট।
অপরদিকে কাদিগড় বিটের আওতায় পাড়াগাঁও মৌজার ২৯০ ও ২২৭ নং দাগে লাউতি খালের পাড়ে এক্সিলেন্ট সি রামিক্স এন্ড টাইলস কোম্পানী প্রায় সাড়ে ৯ একর বনভূমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে। একই মৌজার ৪৮৩ নং দাগে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের বনভূমি দখলে নিয়ে সিমানা প্রাচীর নির্মাণ করছে
ডিবিএল নামক একটি কোম্পানী। উপজেলার গৌরিপুর এলাকায় বনবিভাগের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের বনভুমি দখলে নিয়েছে ফিনিক্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান।