October 26, 2026, 9:18 am
শিরোনামঃ
শারদীয় দুর্গাপূজার সমাপ্তি: ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণ বিজয়া শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জন কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব আবদুল খালেক দুই দিনের সরকারি সফরে নেত্রকোণা” সমৃদ্ধ ও আধুনিক ‘স্মার্ট-দিঘলী’ গড়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আপন প্রত্যয় চট্টগ্রামে চিনি বোঝাই কার্ভারভ্যানে ছিনতাইঃ বান্দরবানের লামা থেকে ১৪৪ বস্তা চিনি উদ্ধার রায়পুরে ৮ নং দক্ষিণ চরবংশী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ হাওলাদার রাজারহাট সদর ইউনিয়নে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন শাহাদাত হোসেন লাল ময়মনসিংহে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী কঠোর নিরাপত্তায় নির্বিঘ্ন প্রতিমা বিসর্জন শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন পর্যবেক্ষণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় মানিকগঞ্জের সম্প্রীতির সুনাম ধরে রাখতে হবে :খাদ্যমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ভূরুঙ্গামারীতে জমিতে ইরি ফসল লাগাতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কৃষকদের

Reporter Name

খালেদা বেগম ভূরুঙ্গামারী প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ইরি জমিতে মাঠজুড়ে চলছে বোরো আবাদের ধুম।ইরি আবাদ সঠিক সময় সফল করতে চাষিরা মাঠে ব্যস্ত সময় পার করে যাচ্ছেন।তবে শীতের তীব্রতা কিছুটা বেশি থাকায় তাদের অনেকটা বেগ পেতে হচ্ছে।শীতে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সার, বীজ, ডিজেল,সেচসহ কৃষি উপকরণের দাম বাড়ায় শতক প্রতি এবার বাড়তি খরচ গুনতে হবে তাদের।

মৌসুমে প্রচণ্ড শীতের কারণে কৃষি শ্রমিক ভূরুঙ্গা মারী উপজেলায় কাজ না থাকায় মাস খানিক আগে ভূরুঙ্গামারী থেকে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে ঢাকাসহ অনেক স্থানেই কাজের উদ্দেশ্যে চলে গেছে।এদিকে কৃষি শ্রমিক না পাওয়ায় চাষাবাদ নিয়ে অনেকটাই চিন্তিত কৃষক। আবার শ্রমিক পাওয়া গেলেও গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।ফসলের জমিতে গিয়ে দেখা যায় কৃষকরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে চারা রোপণ করছে ন। অনেকে আবার হাল চাষ নিয়ে ব্যস্ত। আবার কেউ কেউ চারা রোপণের জন্য জমি প্রস্তুত করছে ন। ফসলি এসব জমিগুলোতে চলছে গভীর নূলকু পের মাধ্যমে সেচের কাজ।

এদিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বটতলা মোড়ে র চাষি আলম,ছালাম,আমিনুর,তমছের,মোতালেব জানান চাষাবাদের জন্য ডিজেল কিনতে হচ্ছে আগের থেকে কেজি প্রতি ১০-২০ টাকা বেশী দরে ,বিদুৎ এর দাম বেশী,সারের দাম বেশি,শ্রমীকের দাম বেশী।এদিকে শীতের কারণে চারার বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনেক বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে।

এছাড়া ভরা মৌসুমে শীতের কারণে চাষাবাদ করতে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। শ্রমিক পাওয়া গেলেও গুনতি হচ্ছে বাড়তি টাকা।আরও একাধিক কৃষক জানান,প্রতি বছর ফসল উৎপাদনের সময় ধানের দাম থাকে না। এতে উৎপাদন খরচ উঠাতেই তাদের হিমশিত খেতে হয়। ফলে তাদের ঋণের বোঝা বেড়ে যায়।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST