প্রথম বাংলা – সুনামগঞ্জ জেলায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেনের মৃতদেহ গত ২৫ ফেব্রু য়ারী শনিবার দুপুরে কোতোয়ালী থানার বাদে কল্পা বাঘের কান্দা গ্রামের আবুল হোসেনের মেহগুনি বাগান থেকে উদ্বার করে পুলিশ।ঘটনার বিবরনে জা নাযায় পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন প্রায় সময় চাকরির কর্মস্হলে গড় হাজিরা দিয়ে বাড়িতে চলে আসতো। গত ২৪ ফেব্রুয়ারী সাদ্দাম হোসেন সকালে নেশার টাকার জন্য পিতা মাতা কে লাঞ্চিত করে। সংবাদ পেয়ে সাদ্দামের বড় ভাই হাবিবুল করিম তপু ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে। একইদিন বড় ভাই তপু তার দুইজন সহযোগী নিয়ে রাত ১১ টায় ফোন দিয়ে আবুল হোসেনের মেহগুনি বাগানে ডেকে নিয়ে আসে। পিতা মাতার সাথে খারাপ আচরন,কর্মস্হ লে না গিয়ে বাসায় কেন থাকে এসব বিষয় নিয়ে উভয় কথাকাটির এক পর্যায়ে সাদ্দামের গলায় রশি দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরুদ্ব করে গাছের সাথে আটকিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে চলে যায়।
হত্যাকান্ড ঘটনারপর মৃত সাদ্দামের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার (২২) বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় অজ্ঞা তনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে।মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেন অফিসার ইনচা র্জ ( ওসি) শাহ কামাল আকন্দ এসআই নিরুপম নাগ সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের।এসআই নিরুপম নাগ ২৭ ফেব্রুয়ারী আসামী সাদ্দামের বড় ভাই হাবিবুল করিম তপু (৪০) কে ঢাকা ও অপর আসামী আনো য়ারুল ইসলাম (৩৩) মুক্তাগাছা এলাকা থেকে সকা ল ৮টায় গ্রেফতার করা । অন্য আসামীকে গ্রেফতার করার প্রক্রিয়া চলছে।এবিষয়ে সোমবার ২৭ ফেব্রু য়ারী দুপুরে কোতোয়ালী মডেল থানায় প্রেসব্রিফিং করেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহি নুল ফকির ।উপস্হিত ছিলেন কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ,পুলিশ পরিদ র্শক তদন্ত মো: ফারুক হোসেন।